Open Sport

Popular Videos Today

2013-02-25 20:47:2210

Author: Guillaume Beaufils Stifler
2013-02-25 20:47:227

Author: Dustin Olsen
2013-02-25 20:47:228

Author: Deborah Quick
2013-02-25 20:47:224

Author: Angel Miguel Blanco
Main page -> Wrestling -> Karate -> 19.07.2012
Comments:
Our users' comments posted in Karate category. Do you also have some interesting experience or just want to share funny video? Go ahead and send something exciting to us using this form.

ভাল খেলতে পারেন না বলে তাঁর হাই-স্কুলের বাস্কেটবল টিম থেকে বাদ দেয়া হয়েছিলো,নিজের রুমের দরজা লাগিয়ে কেঁদেছিলেন তিনি। আর আজ আমরা বাস্কেটবল বলতে তাকে চিনি,তার নাম-- মাইকেল জর্ডান টিচার বলেছিলেন তিনি ক্লাসের সবচেয়ে খারাপ ছাত্র,তাঁর পক্ষে কিছু বোঝা সম্ভব না অথচ আজ আমরা আলোর মুখ দেখেছি তাঁর জন্যেই,তিনি হলেন বৈদ্যুতিক বাতির আবিষ্কারক--টমাস আলভা এডিসন নিউজপেপারের চাকরি থেকে তাকে বাদ দেয়া হয়েছিলো,কারন তাঁর মাথায় নতুন কিছুর প্ল্যান আসতো না,তাঁর চিন্তাশক্তি তাঁর পোষ্টের জন্য উপযুক্ত ছিল না...তিনি হলেন ডিজনি ল্যান্ড ও হলিউডের সব ডিজনি চরিত্রের উদ্ভাবক--- ওয়াল্ট ডিজনি ... তাঁর বাগদত্তা মারা গিয়েছিলো,তাঁর ব্যবসা দুইবার ডুবেছিলো, একবার হার্ট এ্যাটাক হয়েছিলো এবং সে আট বার নির্বাচনে হেরেছিলো---আব্রাহাম লিঙ্কন ডেকো মিউজিক কোম্পানী তাদের এলআম বের করতে মানা করে দিয়েছিলো,বলেছিলো তাদের গান সময়ের সাথে যায় না, তাদের মিউজিক কোয়ালিটি ভাল না----তারা হলেন বিখ্যাত মিউজিক ব্যান্ড বিটলস তুমি যদি জীবনে কখনো না হেরে থাকো, তবে আমি বলবো তুমি এই পৃ্থিবীতেই ছিলে না।
2012-07-18 19:59:28
लगता है कही से आवाज आयगी ए बाबु मोशाय .....................
काका राजा जैसी जिंदगी जिए और राजा जैसे ही अलविदा किया ! एक उनके साथ के व्यक्ति का प्रकरण बताना चाहुगा... काका एक बार विदेश से लौटे थे कई लोग उनकी आवाभागत में लगे थे ,काका सिगरेट काफी पिया करते थे ,काका ने सिगरेट निकली जैसे ही मुह में लगायी कई लोग लाईटर जला दिए सिगरेट सुलगाने के लिये ....जिन जनाब के लाईटर से उन्होंने सिगरेट सुलगाई ,उसका लाईटर कुछ अलग था ,काका को पसंद आ गया ..काका नी तारीफ की लाईटर की ,जिनका था उन्होंने बोला ,काका आप ही का दिया है आप रख ले ,काका बोले यार तुम इस लाईटर के बदले में कुछ ले लो ,पर जनाब ने माना किया ,काका लाईटर लौटने लगे ,तो लाईटर के मिलिक ने कहा काका आप की ये चमचमती विदेशी कार मुझे बहुत अच्छी लगती है ,काका लाईटर रख ,कार की चाभी उनको देते हुए ,टैक्सी कर अपने घर चले गए .. और भी कई लोग काका को खुश कर कई फ्लैट ,पैसा ,रुतबा पाने में सफल रहे थे ,काका अपनी जिंदगी में बहुत लोगों को बहुत कुछ निस्वार्थ दिया .......ये अजीब बात है की एक राजा की जिंदगी का आखरी समय एकांत वास में बिता... एक सच्ची मोहब्बत से भरी ,जिंदगी से ज्यादा जिंदगी जीने वाला शक्स राजेश खन्ना आज हमारे बीच में नहीं है पर दिल नहीं मानता ......लगता है कही से आवाज आयगी ए बाबु मोशाय ..................... @[392531164140078:274:Phata Poster Nikla HERO]
2012-07-18 19:59:16
আল্লাহর ভয় যাদের অন্তরে আছে বাস্তবিক-ই শয়তান তাদের কনো ক্ষতি করতে পারে না । *আল্লাহ তা’য়ালা বলছেন -“যাদের মনে ভয় রয়েছে, তাদের উপর শয়তানের আগমন ঘটার সাথে সাথেই তারা সতর্ক হয়ে যায় এবং তখনই তাদের বিবেচনাশক্তি জাগ্রত হয়ে উঠে।” [ সূরা আল-আ’রাফ -২০১] * “যারা ঈমানদার, তারা এমন যে, যখন আল্লাহর নাম নেয়া হয় তখন ভীত হয়ে পড়ে তাদের অন্তর। আর যখন তাদের সামনে পাঠ করা হয় কালাম, তখন তাদের ঈমান বেড়ে যায় এবং তারা স্বীয় পরওয়ার দেগারের প্রতি ভরসা পোষণ করে।’’ [সূরা আল-আনফাল -০২] পড়ার পর শেয়ার করতে ভুলবেন না কৃতজ্ঞতা স্বীকার ঃ @[471681669525633:274:কুরআন ও সহিহ হাদিসের আলো]
2012-07-18 19:59:10
Today is the first day of Testing! Here's the schedule for today: 4:15 CLASS - White Belt Karate for Kids and Tiny Tigers 5:30 Yellow and Camo Belt Tiny Tigers 6:30 Camo, Green, and Purple Karate for Kids 7:30 Teens (All Ranks) Good Luck to all those who are testing today!
2012-07-18 19:58:59
বৃটিশ সাংবাদিক রেডলির ইসলাম গ্রহণ ও তার সাক্ষাৎকার রেডলি একজন বৃটিশ মহিলা সাংবাদিক। আফগানিস্তানে মার্কিন হামলার মাত্র কয়েকদিন আগে তিনি ছদ্মবেশে আফগানিস্তানে প্রবেশ করেন। কিন্তু তালেবানদের হাতে সাথে সাথেই তিনি বন্দি হন। পরবর্তীতে মুক্ত হয়ে তিনি ইসলাম বিষয়ে বিস্তর পড়াশোনা করেন এবং ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। এরপর বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম তার সাক্ষাৎকার গ্রহণ করে। তার বন্দি জীবন এবং ইসলাম গ্রহণের বিবরণভিত্তিক তিনটি সাক্ষাৎকার পাঠকদের জন্য এখানে তুলে ধরা হলো। দুঃসাহসী বৃটিশ মহিলা সাংবাদিক ইভোন রেডলির নামটি “ওয়ার অন টেরর” বা সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে বিশ্বব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টিকারী একটি নাম। আফগানিস্তানের গগনচুম্বী পর্বতশৃঙ্গকে যিনি নত করেছিলেন তার দুঃসাহসিক মনোবল দ্বারা। জাঁদরেল পশ্চিমা সাংবাদিকরা যখন তালেবান-আলকায়েদার স্বর্গরাজ্য আফগানিস্তানের কথা ভেবে আতঙ্কে আঁতকে উঠত এবং নাইন ইলেভেনের পর মার্কিন রণ হুঙ্কারের পাল্টা প্রতিক্রিয়া স্বরূপ পাক-আফগান সীমান্ত জিহাদি আগ্নেয়গিরির সংকেত ঈষাণ কোনে জমাট বেঁধে উঠছিল তখন একজন মহিলা হয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছিলেন রেডলি। কিন্তু ভাগ্যিস! তালেবানের অদক্ষ হাতেই ধরাশায়ী হলো বৃটিশ সাংবাদিকের নায়ক সুলভ ও বীরত্বপূর্ণ সকল কৌশল। আফগান বোরকার মধ্যে তালেবানরা আবিষ্কার করতে সক্ষম হলেন, ভিন্ন জাত ভিন্ন ধর্ম ভিন্ন চামড়ার এক রমণীকে। গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে অবশেষে তার ঠাঁই হলো কারার অন্ধকার প্রকোষ্ঠে। পরে জানা গেল তিনি এক বিখ্যাত বৃটিশ সাংবাদিক। কিন্তু পরিস্থিতি তালেবানদের বাধ্য করল তাকে পর্যবেক্ষণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত সন্দেহের বেড়াজালে আবদ্ধ রাখতে। আসুন রেডলির মুখেই আমরা শুনি তার গ্রেপ্তার, মুক্তি ও ইসলাম গ্রহণের কাহিনী। মিসরে একান্ত সাক্ষাৎকারে রেডলি ২০০৬ সালে মিসরের রাজধানী কায়রোতে অনুষ্ঠিত (ডঅগণ) এর সম্মেলনে বিশেষ অতিথির আমন্ত্রণ পেয়ে তিনি সেখানে উপস্থিত হলে সাংবাদিক হাসুনা হাম্মাদ সম্মেলনের ফাঁকে তার কাছ থেকে নিচের সাক্ষাৎকারটি গ্রহণ করেন। শুরুতেই আপনি কিভাবে ইসলামে প্রবেশ করে ধন্য হলেন সে সম্পর্কে আমরা জানতে চাই। রেডলি : আমি ১১ সেপ্টেম্বরের ঘটনার আগে “সানডে এক্সপ্রেস’’ পত্রিকার পক্ষ থেকে আফগানিস্তানের ইসলামি দলগুলো বিশেষ করে ক্ষমতাসীন তালেবানদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের কাজে নিয়োজিত ছিলাম। কিন্তু ১১ সেপ্টেম্বরের ঘটনার পর এবং আরো সুনির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে সেপ্টেম্বরের ২৮ তারিখ তালেবানের হাতে আমি বেআইনিভাবে আফগানিস্তানে প্রবেশ করার অভিযোগে গ্রেফতার হই। ১০ দিন আমি তাদের কাছে জিম্মি থাকি। প্রতিটি সময় আমি তাদের হাতে নিহত হওয়ার ভয়ে আতংকিত ছিলাম। ষষ্ঠ দিনে হঠাৎ তালেবানের এক শাইখ এসে আমাকে ইসলামে প্রবেশ করার দাওয়াত দিলেন। আমি বলে দিলাম এটা সম্ভব নয়। তবে তারা আমাকে মুক্তি দেয়ার শর্তে এ প্রতিশ্রুতি প্রদান করি যে, লন্ডন ফিরে গেলে আমি কোরআন নিয়ে গবেষণা করব। আসলে এ প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে আমার আসল উদ্দেশ্য ছিল মুক্তির সুযোগ বের করা। কেননা, আমি যে কোনো উপায়ে এ সংকট থেকে বের হতে চাচ্ছিলাম। সত্যি বলতে কি, এ পথটি বা বলতে পারেন আমার এ কৌশলটি সফল হয়। অতঃপর তারা আমাকে এবং আমার সাথে অন্যান্যদেরও মুক্তি দিল। মোল্লা উমর মানবিক কারণে আমাকে মুক্তি দেন। কিন্তু ফিরে আসার পর আমি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি, আমি কমিটমেন্ট রক্ষা করবো। আমি কোরআন শিখতে লাগলাম এবং দীর্ঘ ৩০ মাস ইসলাম নিয়ে ব্যাপক গবেষণা করি। বাস্তবিকই তখন আমি অন্যরকম অনুভূতি অনুভব করছিলাম। তালেবানের হাতে বন্দি থাকাকালে আপনার সঙ্গে তাদের ব্যবহার কেমন ছিল? রেডলি : আমি তাদের সাথে কথা বলা বন্ধ করেছি। অনশন করি। আমি যতই তাদের সাথে কঠোর আচরণ করতে থাকি ততই তারা আমার সাথে নম্র ব্যবহার করতে থাকে। তারা আমাকে বলত তুমি আমাদের বোন। আমাদের অতিথি। আমরা চাই তুমি খুব শান্তিতে থাক। আমি মনে মনে ভাবতাম যে, যদি আমি তাদের সাথে নম্রতা প্রদর্শন করি তাহলে তারা আমার সাথে কঠোর ব্যবহারে উদ্ধত হবে। বিদ্যুতের শক, ধর্ষণ ইত্যাদি দ্বারা তারা আমাকে নির্যাতন করবে আমেরিকা যা মুসলমানদের সাথে গোয়ান্তানামো এবং আবুগারীবের কারাগারে করে আসছে। কিন্তু আমি একজনকে পেলাম না যে, আমাকে হয়রানি করেছে কিংবা আমার দিকে খারাপ দৃষ্টি দিয়েছে। ইসলাম গ্রহণের পর আপনি কি কোন অসুবিধার সম্মুখীন হয়েছেন? রেডলি : ইসলাম গ্রহণের পর আমাকে হত্যার হুমকি দেয়া হয়। বৃটিশ সরকারি বাহিনী আমার ওপর নির্যাতন চালায় আমার ব্যক্তিগত কারণে নয়। শুধু কেবল ইসলামের কারণে। তবে আমি ব্লেয়ার সরকারের নিকট সম্মানিত ছিলাম। আমার কাছে এমন সব পত্র আসে যেখানে বলা হয়, যে ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণ করবে কিংবা হিজাব পরিধান করবে সে পাশ্চাত্য সমাজে নিজেকে সংঘাতের প্রথম কাতারে নেওয়ার শামিল। আর বাস্তবিকই হিজাব পরিধানকারী মহিলারা এ ধরনের চ্যালেঞ্জ ও সমস্যার মুখোমুখী। দুঃখের বিষয় অনেক আরব ও মুসলিম দেশেও একই অবস্থা। আপনি কি কোরআনের ভাষায় আরবিী শেখার ব্যাপারে কোন চিন্তা-ভাবনা করেছেন? রেডলি : আমি আরবিতে শুধু একটি শব্দই জানি। আর তা হলো, আল-হক্ব (সত্য) এবং এ শব্দটি আমি আমার কথাবার্তা ও আলোচনায় প্রায়ই উল্লেখ করে থাকি। আপনার পরিবারের প্রতিক্রিয় কেমন ছিল? বৃটিশ প্রশাসনের ন্যায়? রেডলি : আমার দুই বোন। বড় বোন বিশ বছর ধরে এক মুসলিম পরিবারের প্রতিবেশী হওয়ায় তিনি আমার ইসলাম গ্রহণের সংবাদে বিচলিত হননি, স্বাভাবিকভাবেই নিয়েছিলেন। কিন্তু আমার দ্বিতীয় বোন আমাকে বিদ্রƒপ করে বলেছিল, এবার তুমি আত্মঘাতি হামলার কাজটিও সেরে ফেল আর আমার আম্মাও বিচলিত হয়ে গীর্জায় আসা যাওয়া বাড়িয়ে দিলেন। তিনি স্বভাবতই খুবই ধার্মিক। এ বিষয়টি ইসলামের কাছাকছি। আর যখন আমি তাকে ইসলামের সুস্পষ্ট দাওয়াত দিলাম তিনি বললেন, আমার বয়স ৭৯। এ অবস্থায় আমার পরিবর্তন হওয়া সম্ভব নয়। আপনি এখন কোথায় কর্মরত আছেন? রেডলি : ইসলাম গ্রহণ করার পর আমি বিভিন্ন ইসলামি মিডিয়ায় ইংরেজি ভাষায় অনেক আলোচনা উপস্থাপনা করেছি। পাশ্চাত্য মিডিয়াতেও ইদানিং আমি লেখালেখি শুরু করেছি। আমার সর্বশেষ প্রবন্ধটি ছিল “হিজাব” যেটি ওয়াশিংটন পোস্টে প্রকাশিত হয়। অমুসলিম বন্ধুদের সাথেও আমার সুসম্পর্ক বজায় আছে। বর্তমানে আমি আল-জাযিরা ইংলিশ চ্যানেলে কর্মরত রয়েছি। মুক্তির পর আপনি যে ইসলাম নিয়ে গবেষণা শুরু করেছেন; তার মধ্যে প্রথম বই/গ্রন্থ কোনটি ছিল? রেডলি : এটি ছিল শহিদ সৈয়দ কুতুব রচিত “মাআলীকিত্ তারীখ”। এ কিতাবটি পড়ে আমি খুব প্রভাবিত হই। যারা এটা পড়েননি আমি তাদের সকলকে এটা পড়ার অনুরোধ করবো। বড় দুঃখের বিষয় আমি যখন মিসর গিয়েছিলাম তখন লাইব্রেরিতে এই কিতাবগুলো পাইনি। উসামা বিন লাদেনের ওপর আমি একটি বই রচনা করেছি। কারণ তিনি সারা বিশ্বের দৃষ্টি অর্জন করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। উদ্দেশ্য উসামা বিন লাদেনের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন নয়। ডেনমার্কের ঘটনার পর মুসলিম ও পাশ্চাত্যের সম্পর্কের ক্ষেত্রে আপনার কী মূল্যায়ন? রেডলি : আমাদের শক্তি ঐক্যের মাঝে। যা আমরা পশ্চিমা পণ্য বয়কটের মাধ্যমে লক্ষ্য করেছি অর্থনৈতিক বয়কট সবচেয়ে বড় হাতিয়ার। এ ক্ষেত্রে আমি যায়নবাদী ইহুদি রাষ্ট্রের সমর্থক সকল দেশে কোম্পানিগুলোর পণ্য বয়কট করা উচিত বলে মনে করি। আমি তো এটা কল্পনাও করতে পারিনি যে, মুসলমানরা কীভাবে কোকাকোলা পান করে। তারাতো কোকাকোলা নয় ফিলিস্তিনি ভাইয়ের রক্ত পান করছে। অর্থনৈতিক বয়কট হল মত প্রকাশের একটি শান্তিপূর্ণ পথ। পাশ্চাত্যের ইসলামভীতি সম্পর্কে আপনার বক্তব্য কী? রেডলি : আমি মনে করি, অন্যের সাথে সম্পর্ক ও কর্মপন্থা ঠিক করার আগে আমাদের নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নজর দেওয়া উচিত। বিশেষত মুসলিম সমাজে ঐ সব লোকেরা যারা ইসলামের বিরুদ্ধে বিষোদগার করে; মিসরের সাংস্কৃতিক মন্ত্রী ফারুক হোসনির মত লোকেরা। আল্লাহ তার অন্তরকে রোগমুক্ত করুক। তার ক্ষমা চাওয়া উচিত। সে তো বুঝতে পারেনি তার এসব বক্তব্য পাশ্চাত্যের মুসলিম নারীদের কত ক্ষতি করেছে। বলুন আমরা শত্রুর মোকাবিলা কীভাবে করি? সমস্যা তো আমাদের ভিতর থেকেই। আপনার দৃষ্টিতে এমন কোন মুসলিম মহিলা ইসলাম গ্রহণের পর প্রভাবিত হয়েছেন? রেডলি : অনেক মুসলিম আরব মহিলা দ্বারা; তবে বিশেষ করে যায়নাব আল-গাযালী (রহ.) এর কথা উল্লেখ করবো। তাঁর আত্মজীবনী আমাকে মুগ্ধ করেছে। তুর্কি পত্রিকার সাক্ষাৎকারে রেডলি “প্রেসিডেন্ট বুশ তালেবান সরকারকে বিশ্বের সর্প বলে ঘোষণা দিয়েছেন। কিন্তু আল্লাহর কৃতজ্ঞতা আদায় করি, আমি তালেবানদের হাতে বন্দি হয়েছি। মার্কিনীদের হাতে নয়, আমি তাদের বন্দিশালায় যেন মেহমানখানায় অবস্থান করছিলাম। আমি কিভাবে তালেবানদের কৃতজ্ঞতা আদায় করবো! কোন ভাষা পাচ্ছি না। আমি নিশ্চিত, তালেবান সম্পর্কে বিশ্ববাসীকে মিথ্যা কথা বলা হয়েছে। আমি তাই স্থির করে নিলাম, আমি তাদের ধর্ম অধ্যয়ন করব। আর এ অধ্যয়ন ও গবেষণাই আমাকে ইসলামের পথ দেখালো।” আপনি তালেবান যোদ্ধাদের হাতে কিছু দিন বন্দি ছিলেন, তাদের ব্যাপারে আপনার অনুভূতি কী? রেডলি : সত্যিই তারা উত্তম মানুষ। ইউরোপে তো আমার অনেক মুসলিম বন্ধুরাও রয়েছেন। কিন্তু তারা আমাকে ঐভাবে আকর্ষণ করতে পারেনি যেভাবে তালেবানরা পেরেছে। আমি ১০/১১ দিন এমন সব লোকের সাথে কাটিয়েছি যাদেরকে হিংস্র ও বর্বর বলে গালি দেয়া হতো; কিন্তু তারা তো কখনো সে রকম ছিলো না। তাদের ভালোবাসা ও নিষ্ঠা আমার মাঝে গভীর প্রভাব সৃষ্টি করেছে। -আপনার সাথে তাদের আচরণ কেমন ছিল? রেডলি : তারা খুবই সম্মান ও মানবিক ব্যবহার করেছে। যদি একে আবু গারীব বা গোয়ান্তানামোর সাথে তুলনা করেন তাহলে আপনাকে অবশ্যই বিশ্বাস করতে হবে, আমার বন্দিত্ব ছিল একটি চমৎকার দৃষ্টান্ত। আমি তাদেরকে কথা দিয়েছি, ইসলাম সম্পর্কে পড়ালেখা করবো যদি তারা আমাকে মুক্তি দেয়। আমি সে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছি। আমি এ ব্যাপারে সম্পূর্ণ নিশ্চিত, বৃটিশ সরকার যাদেরকে সন্ত্রাসী হিসেবে আখ্যায়িত করছে তারা বরং স্বাধীনতার যোদ্ধাই বটে; যারা নিজের দেশের জন্য মুক্তির লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। আপনি ইসলামে দীক্ষিত হওয়ার সিদ্ধান্ত কীভাবে গ্রহণ করলেন? রেডলি : আমি দীর্ঘ ৩০ মাস ইসলাম সম্পর্কে গবেষণা করেছি। আমি বিশেষত কোরআন ও হাদিস দ্বারা প্রভাবিত হই। আমি বিশ্বাস করি, একটি নতুন দুনিয়া আমি আবিষ্কার করতে যাচ্ছি। আমি অনুভব করতে লাগলাম, একটি নতুন তাড়না আমাকে স্বীয় স্থানে স্থির থাকার ব্যাপারে বাধা দিচ্ছে। আমি ধীরে ধীরে অনুভব করতে লাগলাম, ঈমান আমার অন্তরকে প্রশান্ত করছে। মনে হচ্ছিল, আল্লাহ নিজেই আমার অন্তরে ইসলামের বীজ বপন করে চলছেন এবং আমাকে ঐ আধুনিক সভ্যতার পংকিলতা থেকে মুক্ত করছিলেন যেখানে আমি বেড়ে উঠেছি। আমার অন্তরে এক চমৎকার প্রশান্তি ও স্বস্তিবোধ-এর সূচনা হতে লাগল। এটা নিশ্চয়ই আল্লাহপ্রদত্ত। আর তখনি আমি মনে করলাম, ইসলাম গ্রহণের কথা ঘোষণার সময় এসে গেছে। অমনি কালেমায়ে শাহাদাত পাঠ করলাম। আমি হয়ে পড়লাম তখন থেকে মুসলিম। আমি বিশ্বস করি, একমাত্র আল্লাহই আমাকে তার হেদায়াত দান করেছেন। আজ আমি ঈমানের স্বাদ গ্রহণ করছি। আসলে ঈমান হলো এ দুনিয়ার সবচেয়ে উত্তম অনুভূতি। আপনি কি নাম পরিবর্তন করেছেন? রেডলি : হ্যাঁ, করেছি। - আমরা কি তা জানতে পারি? রেডলি : আমি এখন ঘোষণা করতে চাই না। কেন? রেডলি : আমি মনে করি, এটা তার জন্য উপযুক্ত সময় নয়। যখন সময় হবে তখন অবশ্যই ঘোষণা করবো। তবে এতটুকু বলব যে, তা এমন এক মুসলিম মেয়ের নাম যাকে প্রত্যেক মুসলিম ভালোবাসে। - ইসলাম গ্রহণের পর আপনার আশেপাশে কিরূপ প্রতিক্রিয়া হয়? রেডলি : তারা প্রথমে ব্যথিত হয়। বিশেষত আমার আম্মা। কেননা, পশ্চিমারা এমন আড়াল তৈরি করে রেখেছিল; যা ইসলামকে দেখার পথে প্রতিবন্ধক হয়েছিল। এ আড়াল দূর করা গেলে অনেক পশ্চিমাই কিন্তু ইসলামে প্রবেশ করবে। কারণ ইসলামের আত্মিক প্রশান্তির জন্য তারাই সবচেয়ে বেশি মুখাপেক্ষী। -কিছু দিন আগ থেকে আপনি হিজাব পরা শুরু করেছেন, এ ব্যাপারে আপনার মূল্যায়ন কি? রেডলি : আমি নিজের জন্য মনে করি, হিজাব হলো মুসলিম নারীর সর্বোত্তম প্রতীক। এই হিজাবের বিরুদ্ধে অনেক সহিংসতা হয়েছে, কিন্তু আমি মনে করি, কোন শক্তি আমার কাছ থেকে তা ছিনিয়ে নিতে পারবে না। হিজাব পরিধানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলোÑ এটি আল্লাহর নির্দেশ। আখেরাতের চিরস্থায়ী জগতে আল্লাহর নির্দেশ পালন ছাড়া সৌভাগ্য আশা করা যায় না। ইসলাম গ্রহণ করার পর যে বিষয়টি আমাকে চরমভাবে আলোড়িত করে, তা হলো, হজের মৌসুমে হিজাব পরিহিতা হাজার হাজার নারীর দৃশ্য। আমার তখনই মনে হলো যেন ফেরেশতাদের সৈন্যদের মাঝে আমি অবস্থান করছি। সত্যিই এ অনুভূতিটি ছিল খুবই চমৎকার। -তুরস্কের বিদ্যালয়গুলোতে হিজাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে আপনার জানা আছে কি? রেডলি : হ্যাঁ। -এই নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে আপনার মতামত কি? রেডলি : এ নিষেধাজ্ঞা সম্পূর্ণভাবে গর্হিত; বিশেষ করে তা এমন এক দেশে যার সাথে ইসলামের নামটি সম্পৃক্ত। বাস্তবিকই এ বিষয়টি আমাকে চরমভাবে আশ্চর্যান্বিত করেছে। -হিজাব পরিধানকারী একজন নারী হিসেবে যদি আপনার ওপর এরূপ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয় তা হলে আপনি কিভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাবেন? রেডলি : আমি আমার অধিকার অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত সংগ্রাম চালিয়ে যাবো। -এ দেশে হাজার হাজার মেয়ে এ সংগ্রামে লিপ্ত রয়েছে, আপনি তাদের ব্যাপারে কী বলেন? রেডলি : অধিকার অর্জনের প্রয়াসে আমি তাদেরকে সমর্থন করি। আমার ঐসব বোনদের উদ্দেশে আমি বলতে চাই, তোমরা শেষ পর্যন্ত স্বীয় ন্যায়সঙ্গত অধিকার অর্জনের প্রচেষ্টা অব্যাহতভাবে চালিয়ে যাও এবং আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে এ সংগ্রামে লিপ্ত হও। বিজয়ের ব্যাপারে তোমরা হতাশ হবে না। -পাশ্চাত্যরা দাবি করছে, ইসলাম নারীদের অধিকার নষ্ট করেছে। ইসলামে নারীর অবস্থান সম্পর্কে আপনার মতামত কি? রেডলি : আমি কখনো এ কথা বুঝতে পারি না, পশ্চিমাদের এসব প্রপাগান্ডার পিছনে কি কারণ রয়েছে? কেননা, ইসলাম নারীদেরকে যে মূল্যায়ন করেছে সেটিই তো আমাকে বেশি প্রভাবিত করেছে। রাসূল (স.) বলেছেন, জান্নাত মায়ের পদতলে। পুরুষদের উদ্দেশে তিনি বলেছেন, তোমাদের মধ্যে উত্তম ব্যক্তি হলো যে, পরিবারের সাথে সদাচরণকারী। এটি একটি চমৎকার বিষয়। সন্তান প্রসবের জন্য ইসলাম নারীদের বিশেষ মর্যাদা দান করেছে। মাকে সংসারের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে ভূষিত করেছে। আমার দৃষ্টিতে একজন সৎ মা-ই হলো মুসলিম নারীর সর্বোৎকৃষ্ট গুণ। ইরাক, ফিলিস্তিন সংক্রান্ত নানা কর্মসূচিতে আপনার ব্যাপক অংশ গ্রহণ আমরা লক্ষ্য করি। ফিলিস্তিনে হামাসের বিজয় সম্পর্কে আপনার মতামত কি? রেডলি : নির্বাচনে হামাসের বিজয়ের সংবাদটি ছিল আমার জন্য সে সময় সবচেয়ে আনন্দদায়ক বিষয়। এটি ছিল আমাদের সিংহসার্দুল প্রতিরোধ যোদ্ধাদের বিজয়। আমার দু’নয়ন দিয়ে পানি এসে যায় এবং আমি আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া স্বরূপ সিজদায় লুটে পড়ি। শেখ আহমদ ইয়াসিনের দৃশ্যগুলো বরাবরই আমার চোখে ফুটে উঠতে থাকে। প্রায় এক সপ্তাহ যাবত পশ্চিমা পত্রিকাগুলো মহানবী (স.)-এর ব্যঙ্গচিত্র ছাপিয়ে চলছে। এ ব্যপারে আপনার অনুভূতি কি? রেডলি : পাশ্চাত্যের বিরুদ্ধে আমি আরেকবার ক্রোধ লক্ষ্য করলাম। এ ধরনের ঘৃণ্য বিষয় বরদাশত করা যায় না। পাশ্চাত্য অনুধাবন করতে পারেনি, মুসলমানদের হৃদয়গুলোতে মহানবী (স.)-এর বিশাল স্থান রয়েছে। তিনিই তো আমাদের সবকিছু। যে প্রতিক্রিয়া আমার ভায়েরা বিশ্বব্যাপী প্রদর্শন করেছে তা আমাকে আনন্দিত করেছে। টিভির পর্দায় যখন মুসলমানদের বিক্ষোভ সমাবেশগুলোর দৃশ্য দেখি তখন আমার মনে হয়, বিশ্বের প্রতিটি স্থানে আমার ভাইদের অস্তিত্ব রয়েছে। আমি মুসলমানদের ভালোবাসি এবং অনুধাবন করি, আমার এই অনুভূতিই হলো ঈমান। - তুর্কী জনগণের জন্য আপনার পয়গাম কী? রেডলি : তাদেরকে ইসলামি আবেগ ভরা সালাম রইল আমার পক্ষ থেকে। মুসলমান হিসেবে আমাদের অনেক কিছু করণীয় রয়ে গেছে। ইসলামের বাণী সকলের নিকট পৌঁছিয়ে দিতে হবে। মুসলমানদের বিরুদ্ধে পরিচালিত নির্যাতন বন্ধেও আমাদের কাজ করতে হবে। আমি আপনাদের দেশে এসেছি যাতে ইরাক ও ফিলিস্তিনে দখলদারিত্ব অবসানে কিছু করতে পারি। চুপ করে বসে থাকা ছাড়াও আমাদের প্রত্যেকের অনেক কাজ রয়েছে। আপনারা জাগ্রত হোন। ছড়িয়ে যান। নানা সম্মেলনে অংশগ্রহণ করুন। দখলদারদের পণ্য বয়কট করুন। আল্লাহকে আহ্বান করুন। আল্লাহু আকবার ধ্বনি তুলুন। এ আওয়াজ দ্বারা দুনিয়াকে পরিপূর্ণ করে দিন। আল্লাহু আকবর সর্বোৎকৃষ্ট শব্দ। আগামীকাল আমাদের বিজয় সংবাদ আসবে। মক্কায় একান্ত সাক্ষাৎকারে রেডলি আবরার আহমাদ : আফগানিস্তানে আপনার প্রবেশ এবং অন্তরীণ থাকাকালীন তালেবানদের সাথে আপনার সম্পর্কের বিষয়ে কিছু বলুন। রেডলি : আশ্চর্যের বিষয় হলো, আমার ইসলামে দীক্ষিত হওয়ার ঘটনাটি ছিলো তালেবানদের নিকট আমি বন্দি হওয়ার পর। আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিলো, আমি বেআইনিভাবে আফগানিস্তানে প্রবেশ করি। এটি ছিলো ১১ সেপ্টেম্বরের পর। আসলেই আমি পরিচয় গোপন করে বোরকা পরিধান করে বেআইনিভাবে আফগানিস্তানে প্রবেশ করি। দশ দিন আমি বন্দি ছিলাম। মোল্লা ওমরের ব্যক্তিগত নির্দেশে পরে আমার মুক্তি হয়। এ অন্তরীন থাকাকালীন পুরো সময়টি জুড়ে আমার ভবিষ্যতের ব্যাপারে এক প্রচ- ভীতি আমার উপর চেপে বসেছিলো। অথচ বরাবর তালেবানরা আমার সাথে ন্যায় ও সৎ ব্যবহার করে যাচ্ছিলো। বিশ্ববাসীকে আমি এ কথা সুস্পষ্টভাবে জানিয়ে দিতে চাই, বন্দি থাকাকালীন আমি কোন প্রকার লাঞ্ছনা, দুর্ব্যবহার এবং নির্যাতনের সম্মুখীন হইনি। আমাকে কোন যৌন হয়রানি করা হয়নি। বিশ্ববাসীর কাছে আমি এটাও স্বীকার করতে চাই, আমি আল্লাহর কাছে এ জন্য কৃতজ্ঞ যে, আমার গ্রেফতারি ছিলো একটি ‘বর্বর ও হিংস্র’ গোষ্ঠীর হাতে; মার্কিনীদের হাতে নয়। মুক্তির কিছুদিন পরেই আমি কোরআন শরিফ পড়তে শুরু করলাম। জনৈক তালেবান মোল্লা আমাকে এই কোরআনটি হাদিয়া দিয়েছিলেন। জালালাবাদের বন্দিশালায় তিনি আমার সাথে দেখা করেন। আমি তাকে চিনতে পারছি না এবং আমার মনে হয় তিনি কোন সাধারণ কোন আফগানি নয়। কেউ যদি আমাকে এখনো সেই ভদ্রলোকের পরিচয় দিয়ে আমাকে সহযোগিতা করতে পারে তাহলে আমি কৃতজ্ঞ হবো। কেননা, এটি এমনি অনেকগুলো বাস্তব বিষয়ের অংশ যা এখনো পরিপূর্ণ হয়নি। যা হোক, সমস্ত আশা ও প্রত্যাশার বিপরীতে তালেবানরা আমাকে মুক্তি দিলো। এটি ছিলো ঐ সকালে যার আগের রাতে ইঙ্গ-মার্কিন বাহিনী আফগানিস্তানে হামলা শুরু করে এবং সে হামলায় অসংখ্য নিরীহ মানুষ প্রাণ ত্যাগ করে। আমি বিরামহীনভাবে কোরআন শরিফ অধ্যয়ন এবং গবেষণা চালিয়ে গেলাম। এই দিনগুলি ছিলো আমার জীবনে চমৎকার আধ্যাত্মিক পরিবর্তনের সূচনা। আর এখন তো আমি মক্কায় হজ করতে এসেছি, ঐ পোশাকেই যে পোশাক আমি আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের বন্দিশালায় পরিহিত ছিলাম। কেননা, এ ধরনের পোশাক (ইসলামি পোশাক) এক বিশেষ প্রতীকের প্রতিনিধিত্ব করে; যার পটভূমি ও ফলাফল আমি পরে অনুধাবন করতে পেরেছি। আবরার আহমাদ : এখন আপনার অনুভূতি কেমন? এবং এই আধ্যাত্মিক ভ্রমণকে আপনি কিভাবে ব্যাখ্যা করবেন? রেডলি : আমি আপনাকে সবচেয়ে গভীর আবেগময় এক অভিজ্ঞতার কথা বলতে পারি। এক দিন আমি পবিত্র কাবার পথে চলছিলাম, কিন্তু মানুষের চাপে প্রচ- ভিড়ের কারণে আমি হেরেম শরিফে প্রবেশ করতে পারছিলাম না। এ ছিলো এক অস্বস্তিকর অবস্থা। হঠাৎ নামাজের জন্য আজানের ধ্বনি শুরু হলো। আর অমনি কয়েক মিনিটের মধ্যে এই উপচে পড়া মানব ভিড় কাতারে কাতারে সুশৃঙ্খল হয়ে পড়লো পূর্ণ শান্তভাবেই। আমি মনে করি, দুনিয়ার কোন বিশাল সামরিক বাহিনীও এই ডিসিপ্লিন দেখাতে পারবে না। আমি মনে মনে যেন চিৎকার করে বলতে লাগলাম, আল্লাহর বাহিনীর চেয়ে কোন বাহিনীই অধিক আনুগত্যশীল ও শক্তিশালী ডিসিপ্লিনের অধিকারী হতে পারবে না। তবে দুঃখের বিষয়, উপাসনালয়ের বাইরে এমন ধরনের ঐক্যের প্রতিকৃতি আঁকতে আমরা ব্যর্থ হয়েছি। আমরা ব্যর্থ হয়েছি আমাদের শক্তি প্রদর্শন করতে। আমরা যদি ঐক্যের শক্তি দ্বারা একতাবদ্ধ হতাম তাহলে দুনিয়াতে কেউ আমাদের ভূ-খ-ণ্ড আগ্রাসন অথবা আমাদের সীমান্ত অতিক্রম করার দুঃসাহস দেখাতো না। আমাদের জনগণকে সম্মান ও মর্যাদার চোখে দেখা হতো। দুঃখের বিষয় মসজিদের বাইরে আমরা এই শক্তিকে হারিয়ে ফেলেছি। যাই হোক, হেরেম শরিফের এই সময়গুলো আমার জন্য আলোকিত মুহূর্ত ছিলো; যা বিশ্বে একটি বৃহত্তম ও সর্বোত্তম পরিবারের সাথে আমার সম্পৃক্ততার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। আমি গর্বের সাথে এটাও অনুধাবন করি, কোনো একদিন ঐসব ভাই-বোনের সাথে কোনো না কোনো স্থানে দেখা হবে যখন নূরের পথে চলার জন্য তারা আমার সাহায্যে এগিয়ে আসবে। আমি দৃঢ় বিশ্বাস করি, তারা অতি দ্রুত আমার ডাকে সাড়া দিয়ে আসবেন। আমি এটাও অনুভব করছি, মুসলমান ভাইদের যে কোন কাজে সমানভাবে আমিও এগিয়ে যাবো। আবরার আহমাদ : আপনার বর্তমান কর্মব্যস্ততা কী? রেডলি : আমি বর্তমানে একটি সংগঠনের সাথে জড়িত। যার নাম স্টপ পলিটিক্যাল টেরর। সংস্থাটি বৃটিশের বিভিন্ন কারাগারে বন্দি মুসলমানদের সাহায্যার্থে রাজনৈতিক কর্মকা- চালিয়ে যাচ্ছে। বৃটিশের এই কারাগারটি গুয়ান্তানামোর মতোই; যেখানে বিনা বিচারে কোনো অভিযোগ ছাড়াই মুসলমানদেরকে বন্দি রাখা হয়েছে। আমরা তাদের মানবাধিকার রক্ষায় ও লজ্জাজনকভাবে বন্দি করে রাখার বিরুদ্ধে নানা কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছি। এভাবে আমি আরেকটি সংস্থার সাথে জড়িত যার নেতৃত্বে রয়েছেন জর্জ জালাবি। এটি রাজনৈতিক সংস্থা। আগামী ইলেকশনে আমি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে ইচ্ছুক। যদি আমি এই নির্বাচনে সফল হতে পারি তাহলে আমি হবো প্রথম বৃটিশ নারী যিনি হিজাব ধারণ করে পার্লামেন্টে প্রবেশ করবেন। আবরার আহমাদ : কোন এলাকা থেকে আপনি নির্বাচন করবেন? রেডলি : লেস্টার শহরের দক্ষিণাঞ্চল থেকে। যেখানে ব্যাপক সংখ্যক হিন্দি ও গুজরাটিদের বসবাস রয়েছে। তারা আমাকে ভালো করেই চিনে এবং আশা করি আমি তাদের আস্থা অর্জন করতে পারবো; যা আমাকে তাদের পক্ষে পার্লামেন্টে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ এনে দিবে। আবরার আহমাদ : কী কারণগুলো আপনাকে ইসলাম গ্রহণের দিকে উদ্বুদ্ধ করেছে? তালেবানদের সদ্ব্যবহার না কোরআন শরিফ অধ্যয়ন? রেডলি : বন্দিত্বের ষষ্ঠ দিনে জালালাবাদে জনৈক শায়খ আমাকে ইসলাম গ্রহণের আগ্রহ আছে কি না জিজ্ঞেস করলে আমি তাকে উত্তর দিয়েছিলাম, তাড়াহুড়ো করে এই মুহূর্তে আমি এমন কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারবো না, যা আমার জীবনে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সাথে সম্পর্কিত। আর আমিতো কারাগারের মধ্যেই। কিন্তু তোমরা আমাকে মুক্তি দিলে আমি তোমাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিতে পারি, আমি গভীরভাবে কোরআন অধ্যয়ন এবং ব্যাপকভাবে ইসলাম নিয়ে গবেষণা করবো। এই সাক্ষাতের আধা ঘণ্টার মধ্যেই আমাকে রাজধানী কাবুলে নিয়ে যাওয়া হয় এবং আমাকে একটি অস্বস্তিকর কারাগারে রাখা হয়। এর কারণ প্রথমে বুঝে উঠতে পারিনি। পরে আমি জানতে পেরেছি, মোল্লা ওমর আমাকে প্রথমে পুরুষ মনে করেছিলেন। তাঁকে শুধু এতটুকু সংবাদ দেয়া হয়েছিলো, একজন পশ্চিমা সাংবাদিক আটক হয়েছে। শুধু এতটুকু জেনেই তিনি আমার বিষয়টা নিয়ে নিয়মিত খোঁজ-খবর রাখছিলেন। পরে তার এক উপদেষ্টা তাকে এ কথা অবগত করেন, আমি একজন মহিলা, পুুরুষ নই। এটা জানতে পেরে তিনি চিন্তিত হয়ে পড়েন এ কারণে যে, আমি এমন একজন মহিলা যার সাথে কোন নিকটাত্মীয় বা মহিলা সাথী নেই। তাই তিনি তৎক্ষণাৎ আমাকে কাবুলের মহিলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। মনে হয় এই ধরনের বিষয়টি (পুরুষদের মাঝে একা মহিলার অবস্থান) তালেবানদের চিন্তাধারা ও সংস্কৃতির পরিপন্থী। তবে দুর্ভাগ্যের বিষয়, আমার জন্য মোল্লা ওমরের সিদ্ধান্তের অর্থ ছিলো জালালাবাদের অতি আরামদায়ক কারাগার থেকে কাবুলের নোংরা কারাগারে অবস্থান। মোল্লা ওমর এ জন্য চিন্তিত ছিলেন নারীসঙ্গী ব্যতীত আমি অসহায়ের মতো। আর এটি শরিয়তের পরিপন্থী। আবরার আহমাদ: আপনার দৃষ্টিকোণে আপনি মনে করছেন যে, তালেবানরা শরঈ কারণেই কাবুলের কারাগারে স্থানান্তর করে আপনার প্রতি ইনসাফ করেছে। তবে আপনি কোরআন শরিফ অধ্যয়ন করার ব্যাপারে তাদেরকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, সে ব্যাপারে আপনার মন্তব্য কী? রেডলি : ভালো কথা। আমি যখন লন্ডনে নিরাপদে কোন আঘাত ছাড়াই ফিরে যাই, তখন আমি বিশ্বাস করলাম আমাকে মুক্তি দিয়ে তালেবানরা তাদের কথা ও প্রতিশ্রুতি রেখেছে পরিস্থিতির সর্বরকম প্রতিকূলতা সত্ত্বেও। বিশেষ করে যখন তালেবানদের সাথে যুদ্ধ শুরু হয়ে যাচ্ছিলো, তখন তো কেউ আমাকে জীবিত দেখবে তা কল্পনাও করেনি। তালেবানরা ওয়াদা রক্ষা করেছে। এবার আমি অনুভব করলাম, এখন ওয়াদা রক্ষার পালা আমার। অতঃপর আমি কোরআন পড়তে শুরু করলাম। আমাকে একজন শায়খ আব্দুল্লাহ ইউসুফ আলীর কোরআনের একটি চমৎকার অনুবাদ কপি উপহার দেন। আমি তৎক্ষণাতই কোরআন শরিফের ওইসব আয়াত খুঁজতে লাগলাম যেগুলো নারীদের সংশ্লিষ্ট। কেননা, ইসলাম নারীদেরকে পশ্চাদপদ রেখেছে এই ধারণাটির বাস্তবতা সম্পর্কে জানার জন্য আমি দারুণভাবে পিপাসিত ছিলাম। কোরআনের দুই মলাটের মাঝে আমি তো এই ধারণার কোন অস্তিত্ব খুঁজে পাইনি। আমি তাই পেয়েছি যা আমি এতদিন শুনিনি। শিক্ষা, বিয়ে, উত্তরাধিকার সম্পদ এবং অন্যান্য অধিকারসমূহ আমি এটাও জানতে পেরেছি যে, যিনি প্রথম ইসলাম গ্রহণ করেন তিনি ছিলেন একজন নারী। ইসলামের প্রথম শহীদও ছিলেন একজন নারী। আরো জানি, আল্লাহ তো জান্নাতকে মায়েদের পদতলে করেছেন। রাসূলের এই হাদীস সম্পর্কে অবগত হই যেখানে তিনি জনৈক ব্যক্তির এই প্রশ্ন “আমি কার সাথে উত্তম ব্যবহার করবো”-এর উত্তরে রাসূল (স.) বলেন, “তোমার মায়ের সাথে”। আবরার আহমাদ : আপনার বর্তমান কর্মসূচি কী? রেডলি : আমি বর্তমানে ‘ইসলামিক চ্যানেল’ নামে একটি টিভি চ্যানেলে কর্মরত আছি, ইউরোপের সর্বত্র তার পরিধি বি¯তৃত। আপাতত আমাদের প্রোগ্রাম সীমিত হলেও ভবিষ্যতে আমাদের রয়েছে বড় পরিকল্পনা। আমরা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আমাদের প্রোগ্রাম বি¯তৃত করতে সচেষ্ট। সেখানে ইউরোপের বাইরের দেশগুলোও অন্তর্ভুক্ত থাকবে। অতিশীঘ্রই আমরা ইংরেজি ভাষায় সংবাদ প্রচারের জন্য কাজ শুরু করবো। তবে চ্যানেলটিতে আমার কাজ হল, সপ্তাহব্যাপী প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম উপস্থাপন করা, যেখানে আমি বিশেষভাবে বৃটিশ মুসলমানদের সাথে সংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ের ওপর আলোকপাত করে থাকি; যার লক্ষ্য হল, মুসলমানদের উন্নয়নের পথে সহায়ক বিষয়গুলো তুলে ধারা। চ্যানেলটির এক অধিবেশনে দেখা যায়, সরাসরি টেলিফোনের মাধ্যমে আয়ারল্যান্ডের জনৈক মহিলা তার ইসলাম গ্রহণের কথা ঘোষণা দিয়েছেন। আর স্টুডিওতে যে শায়খ আমাদের সাথে উপবিষ্ট ছিলেন তিনি ঐ ভদ্র মহিলাকে কালেমায়ে শাহাদাত পাঠ করালেন আর ঐ মুহূর্তগুলো ছিল চমৎকার ও ঐতিহাসিক। এটি ছিল আমাদের টিভি প্রোগ্রামের মাধ্যমে কালেমায়ে শাহাদাতের প্রথম ঘোষণা। সত্যিই আমি যা চাচ্ছি তা হল, মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনা; যা তারা ১১ সেপ্টেম্বরের পরে হারিয়ে ফেলে। আমি বলতে চাই, আমাদের উচিৎ ১১ সেপ্টেম্বরের ঘটনার বিষয়ে এত বেশি ব্যাখ্যার আশ্রয়ের প্রয়োজন নেই। কেননা, কোনো অবস্থাতেই আমরা তার জন্য দায়ী নই। আর এটি শেষ ঘটনাও নয়। বলুন তো, ফিলিস্তিনের বর্বরতার জন্য সকল ইহুদির কি সমানভাবে দোষারোপ করা যাবে? তেমনি ১১ সেপ্টেম্বরের ঘটনার ব্যাপারেও সব মুসলমানকে অভিযুক্ত করা যাবে না। শায়খুল আজহার ও মিসরি মন্ত্রীর সমালোচনায় রেডলি ইসলাম গ্রহণের পর বিভিন্ন আরব দেশের অসংখ্য সেমিনারে তিনি যোগ দান করেন; ভ্রমণ করেন বিভিন্ন মুসলিম দেশ। মুসলিম দেশে তার সেই ভ্রমণের প্রাক্কালে অতি কৌতূহলপূর্ণ একটি অভিজ্ঞতা তিনি উল্লেখ করেন। ঘটনাটি মুসলিম বিশ্বের শীর্ষ মুসলিম ব্যক্তিত্ব শেখ সৈয়দ আলী তানতাভী সম্পর্কিত, যিনি বর্তমান শাইখুল আযহার পদটি অলংকৃত করে আছেন। ইভন রেডলি যখন সাক্ষাত করতে গেলেন তখন হাত বাড়িয়ে করমর্দন করে অভ্যর্থনা জানাতে শাইখুল আজহার উদ্যত হলে রেডলি নিজেকে তা থেকে বিরত রাখেন। উত্তরে শাইখ বলে উঠলেন, তুমি মৌলবাদী। আজহারের রেক্টর তার আশেপাশের লোকদের উদ্দেশ করে আরো বলেন, এ ধরনের (রেডলি) যারা নতুন ইসলামের দাওয়াত দ্বারা মুসলিম সমাজে অন্তর্ভুক্ত হন তারা কেবল মৌলবাদী বক্তব্য ও কণ্ঠ ছাড়া অন্য কারো অনুকরণ করে না। রেডলি শাইখুল আজহারের এসব বাজে উক্তির সমালোচনা করে বলেন, আমি কোনো বিশেষ দল বা শাইখের আনুগত্য জরুরি মনে করি না, আমি শুধু কেবল সরাসরি কোরআন-সুন্নাহর কথাই বুঝি। ২০০৬ সালে মিসরের রাজধানী কায়রোতে অনুষ্ঠিত মুসলিম সংস্থা (ডঅগণ) এর দশম সম্মেলনে মিসরের মন্ত্রী ফারুক হাসানের কড়া সমালোচনা করে তাকে বহিষ্কারের দাবি করেন। উক্ত সম্মেলনে রেডলি বলেন, আমি মিসরের বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা দ্বারা জানতে পেরেছি, এ মন্ত্রী মুসলিম নারীদের হিজাবকে পশ্চাদপদতা ও ধর্মীয় গোঁড়ামীর চিহ্ন বলে আখ্যা দিয়েছেন। মিসরের জনগণকে আমি জিজ্ঞাসা করবো; তারা কেন এমন লোককে স্তব্ধ করতে পারলেন না, যে হিজাব ধারণকারী প্রতিটি নারীর মর্যাদা ভূলুণ্ঠিত করেছে। তার এসব উক্তি অত্যন্ত কদর্য ও ঘৃণ্য। এসব লোক যারা পশ্চিমাদের চেয়েও বেশি পশ্চিমা হতে চাইছে তাদের মুসলিম দেশের মন্ত্রীত্বের পদে থাকার কোন যোগ্যতা নেই। তাদেরকে স্বীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা উচিৎ। তিনি আরো বলেন, হিজাব পাশ্চাত্যের নেতিবাচক জীবন যাপনকে প্রত্যাখ্যানের প্রতীক। এটি পশ্চিমাদের জন্য একটি নৈতিক বার্তা। অর্থাৎ আমরা তোমাদের মত জীবন ধারণ করতে চাই না। মিসরীয় মন্ত্রীর মত যেসব লোক পাশ্চাত্যদের চেয়েও বেশি নিজেদের পাশ্চাত্য প্রমাণ করতে চায়; তারা সর্বদা অন্যের প্রতি বিদ্রƒপ ছড়িয়ে অরাজকতা সৃষ্টি করতে চায়। উক্ত সম্মেলনে তিনি দেশে দেশে মুসলিম নির্যাতনের কথা উল্লেখ করে এর জন্য মুসলমান শাসকদেরকেও অভিযুক্ত করেন। সূত্র : ইন্টারনেট আল্লাহ যেন তাকে সঠিক পথে চলার তৌফিক দান করেন।আমীন। আপনার সকল বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন। জাজাকাল্লাহু খাইর।
2012-07-18 19:58:53
♥ ভালবাসা কি জানেন ?? একটি ভালবাসার গল্প পড়ে দেখুন...... ভাল লাগবে, এক লোক রাতের বেলা বাড়ি ফিরেছে , সে প্রচুর পরিমানে মদ পান করে মাতাল অবস্থায় বাড়িতে ঢুকেই ভাংচুর শুরু করেছে, সবকিছু নষ্ট করেছে , তারপর বমি করে ফ্লোর নষ্ট করেছে, তার স্ত্রী তাকে পরিষ্কার করে বিছানায় শুয়ে দিয়েছিল , তার পর সব কিছু গুছ-গাছ করে তারা ঘুমাতে গেল পরের দিন যখন সকাল বেলা লোকটার ঘুম ভাংলো তার ধীরে ধীরে সব মনে পড়তে লাগলো আর তার মনের ভয় বারতে লাগলে যে তার স্ত্রী হয়তো তাকে অনেক বোকবে আর তার সাথে ঝগড়া করবে, সে দোয়া করতে লাগলো যাতে তাদের সম্পর্কটা নষ্ট না হয় কারন তাদের ছোট একটা মেয়ে ও আছে , তার পর সে যখন উঠে বসলো দেখলো তার বালিশ এর সাথে একটা চিঠি, সে খুব ভয় পেয়ে গেলো সে ভাবলো হয়তো তার স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে গিয়েছে কিন্তু সে চিঠিটা পড়ে বোকা হয়ে গেলো চিঠিতে লিখা ছিলো "জান, তোমার প্রিয় নাস্তা গুলো আমি সকাল সকাল উঠে বানিয়েছি, তুমি ঘুম থেকে উঠে খেয়ে নিও,রান্নার জন্য বাজার করতে হবে তাই আমি বাজারে এসেছি যত দ্রুত সম্ভব আমি বাজাড় শেষ করে তোমার কাছে ফিরে আসছি , আমি তোমাকে অনেক ভালবাসি" তার পর লোকটি তার মেয়ে কে ডাকলো আর জিজ্ঞেস করলো কাল রাতে কি হয়েছিলো ? তার মেয়ে বলল , "বাবা তুমি কালকে কেমন যেন করেছ সব ভেঙ্গেছ, বমি করেছ , কাপড় নষ্ট করেছো তার পর তোমার শরীর অনেক খারাপ হয়ে গিয়েছিল আর মা তোমার কাপড় খুলে দেবার সময় তুমি মাকে বলেছ, এই মেয়ে আমার থেকে দূরে থাকো আমি বিবাহিত , তার পর মা তোমাকে ধরে অনেকক্ষণ কেঁদেছিল " এই হল ভালবাসা , একজন মানুষ যতোই অন্য মনা হয়ে থাকেন না কেন, ভালবাসার মানুষকে কখন ও ভুলা যায় না ! ♥ ♥ পোষ্টটি ভাল লাগলে শেয়ার এবং ট্যগ করুন আপনাদের বন্ধুদের কে ভাল থাকুন আর ভাল রাখুন আপনার ভালো লাগার মানুষটি কে
2012-07-18 19:58:45
अभी तक आपने सुना होगा की ताज महल असली में राजपूतों का बनाया तेजो महालय शिव मंदिर है पर क्या आप जानते है की दिल्ली का लाल किला ... शाहजहाँ से भी कई शताब्दी पहले पृथ्वीराज चौहान द्वारा बनवाया हुवा लाल कोट है ! क्या कभी किसी ने सोचा है की इतिहास के नाम पर हम झूठ क्यों पढ़ रहे है ?? सारे प्रमाण होते हुए भी झूठ को सच क्यों बनाया जा रहा है ?? हम हिंदुओं की बुद्धि की आज ऐसी दशा हो गयी है की अगर एक आदमी की पीठ मे खंजर मार कर हत्या कर दी गयी हो और उसको आत्महत्या घोषित कर दिया जाए तो कोई भी ये भी सोचने का प्रयास नही करेगा की कोई आदमी खुद की पीठ मे खंजर कैसे मार सकता है....यही हाल है हम सब का की सच देख कर भी झूठ को सच माना फ़ितरत बना ली है हमने..... **दिल्ली का लाल किला शाहजहाँ से भी कई शताब्दी पहले प्रथवीराज चौहान द्वारा बनवाया हुवा लाल कोट है** जिसको शाहजहाँ ने बहुत तोड़ -फोड़ करके कई बदलाव किये है ताकि वो उसके द्वारा बनाया साबित हो सके..लेकिन सच सामने आ ही जाता है. * इसके पूरे साक्ष्या प्रथवीराज रासो से मिलते है *शाहजहाँ से २५० वर्ष पहले १३९८ मे तैमूर लंग ने पुरानी दिल्ली का उल्लेख करा है (जो की शाहजहाँ द्वारा बसाई बताई जाती है) * सुवर (वराह) के मूह वेल चार नल अभी भी लाल किले के एक खास महल मे लगे है. क्या ये शाहजहाँ के इस्लाम का प्रतीक चिन्ह है या हमारे हिंदुत्व के प्रमाण ?? * किले के एक द्वार पर बाहर हाथी की मूर्ति अंकित है राजपूत राजा लोग गजो( हाथियों ) के प्रति अपने प्रेम के लिए विख्यात थे ( इस्लाम मूर्ति का विरोध करता है) * दीवाने खास मे केसर कुंड नाम से कुंड बना है जिसके फर्श पर हिंदुओं मे पूज्य कमल पुष्प अंकित है, केसर कुंड हिंदू शब्दावली है जो की हमारे राजाओ द्वारा केसर जल से भरे स्नान कुंड के लिए प्रयुक्त होती रही है * मुस्लिमों के प्रिय गुंबद या मीनार का कोई भी अस्तित्वा नही है दीवानेकहास और दीवाने आम मे. * दीवानेकहास के ही निकट राज की न्याय तुला अंकित है , अपनी प्रजा मे से ९९% भाग को नीच समझने वाला मुगल कभी भी न्याय तुला की कल्पना भी नही कर सकता, ब्राह्मानो द्वारा उपदेषित राजपूत राजाओ की न्याय तुला चित्र से प्रेरणा लेकर न्याय करना हमारे इतिहास मे प्रसीध है * दीवाने ख़ास और दीवाने आम की मंडप शैली पूरी तरह से 984 के अंबर के भीतरी महल (आमेर--पुराना जयपुर) से मिलती है जो की राजपूताना शैली मे बना हुवा है * लाल किले से कुछ ही गज की दूरी पर बने देवालय जिनमे से एक लाल जैन मंदिर और दूसरा गौरीशंकार मंदिर दोनो ही गैर मुस्लिम है जो की शाहजहाँ से कई शताब्दी पहले राजपूत राजाओं ने बनवाए हुए है. * लाल किले का मुख्या बाजार चाँदनी चौक केवल हिंदुओं से घिरा हुवा है, समस्त पुरानी दिल्ली मे अधिकतर आबादी हिंदुओं की ही है, सनलिष्ट और घूमाओदार शैली के मकान भी हिंदू शैली के ही है ..क्या शाहजहा जैसा मुस्लिम व्यक्ति अपने किले के आसपास अरबी, फ़ारसी, तुर्क, अफ़गानी के बजाय हम हिंदुओं के लिए मकान बनवा कर हमको अपने पास बसाता ??? * एक भी इस्लामी शिलालेख मे लाल किले का वर्णन नही है * ""गर फ़िरदौस बरुरुए ज़मीं अस्त, हमीं अस्ता, हमीं अस्ता, हमीं अस्ता""--अर्थात इस धरती पे अगर कहीं स्वर्ग है तो यही है, यही है, यही है....इस अनाम शिलालेख को कभी भी किसी भवन का निर्मांकर्ता नही लिखवा सकता .. और ना ही ये किसी के निर्मांकर्ता होने का सबूत देता है इसके अलावा अनेकों ऐसे प्रमाण है जो की इसके लाल कोट होने का प्रमाण देते है, और ऐसे ही हिंदू राजाओ के सारे प्रमाण नष्ट करके हिंदुओं का नाम ही इतिहास से हटा दिया गया है, अगर हिंदू नाम आता है तो केवल नष्ट होने वाले शिकार के रूप मे......ताकि हम हमेशा ही अहिंसा और शांति का पाठ पढ़ कर इस झूठे इतिहास से प्रेरणा ले सके...सही है ना???.. लेकिन कब तक अपने धर्म को ख़तम करने वालो की पूजा करते रहोगे और खुद के सम्मान को बचाने वाले महान हिंदू शासकों के नाम भुलाते रहोगे..ऐसे ही....? जागो जागो और इतिहास की सच्चाई को जानो ...मुस्लिम शाशको ने ज्यादातर लुट - पाट,तोड़ फोड़ करके हमारे मंदिरों और महलों को परिवर्तित किया है ,बाबरी मस्जिद ( जिसे देश भक्त हिन्दू वीरो ने गुलामी के प्रतीक को नेस्तनाबूद कर दिया) धार की भोजशाला जैसे कितने प्रमाण आज भी मौजूद है जो चिल्ला -चिल्ला कर हमसे कह रहे है की देखो इतिहास की सच्चाई . .............. जय माँ भारती
2012-07-18 19:58:41
it is about to throw down out here!!!! hope it dont last long baby boy got karate practice!!!
2012-07-18 19:58:36
भारत में जिहादी हमले क्यों ? ----------------- जिस देश के लोग अपने देश में होने वाली ऐतिहासिक घटनाओं से सबक नहीं लेते वह इतिहास के पन्नों खो जाते है . और जिस देश के लोग अपने देश के शत्रुओं की कपट नीति जाने बिना उन से दोस्ती की अपेक्षा रखते है .वह लोग उन्ही शत्रुओं के हाथों से नष्ट हो जाते हैं . इतिहास साक्षी है कि लगभग सातवीं शताब्दी से लेकर आजतक मुस्लिम हमलावर , आतंकवादी भारत पर लगातार हमले करते आये हैं . पहले जो हमलावर आये थे वह तलवार लेकर इस्लाम का शांति सन्देश फ़ैलाने और यहाँ के हिन्दुओं को मुसलमान बनाने के लिए आये थे . लूटमार करना तो मुसलमानों का स्वभाव है , जब उन लोगों ने अपने देश बर्बाद कर दिए तो भारत को क्यों छोड़ देते .उनका असली उद्देश्य तो भारत को इस्लामी देश बनाना था . और जब दुर्भाग्य से भारत के जिस भाग में भी इस्लामी हुकूमत बन गयी थी तो मुस्लिम बादशाहों ने बड़े प्रेम से क्रूरता पूर्वक लोगों को मुसलमान बना लिया . और जिसने भी इस्लाम से इंकार किया उनकी शांति पूर्वक सामूहिक हत्याएं करा दी . और प्रेम पूर्वक उनकी औरतों पर बलात्कार किया . यहाँ तक बच्चों को भी दीवाल में जिन्दा चुनाव दिया . क्योंकि इस्लाम प्रेम और शांति का धर्म है , औरअल्लाह ने मुहम्मद को दुनिया के लिए रहमत और दयालुता बनाकर भेजा था . हम भारत पर सभी हमलावर , लुटेरों ,आतंकवादियों को अपराधी नहीं बल्कि जिहादी मानते हैं . और जिहाद इस्लाम में अनिवार्य और पवित्र कार्य माना गया है . हमें स्वीकार करना होगा कि मुसलमान जहाँ भी रहेंगे जिहाद करते रहेंगे . अंतर केवल इतना है कि पहले जिहादी फौजें लेकर जिहाद करते थे आजकल गुप्त रूप से बम विस्फोट करते हैं . फिर भी जो सेकुलर लोग हिन्दू मुस्लिम एकता की वकालत करते हैं , हम उन से यह सवाल पूछना चाहते हैं क्या सेकुलर बताएँगे ?? 1-क्या भारत का विभाजन करके पाकिस्तान धर्म ( इस्लाम ) के कारण नहीं हुआ था ? 2-पाकिस्तान की मिसाइलों के नाम " गजनी , गौरी , अब्दाली "क्यों रखे गए है ,क्या इन से पाकिस्तान के इरादों का पता नहीं चलता ? 3-भारत और पाकिस्तान का झगडा क्या सिर्फ जमीन के लिए ही है ,क्या पूरा कश्मीर देने पर भी पाकिस्तान शांति से बैठ जायेगा ? 4-सारे जिहादी आतंकवादी अपनी आतंकी कार्यवाहियों से समय कुरान की आयतें क्यों इस्तेमाल करते हैं ? -------------------------- 5-पाकिस्तान और भारतके मुल्ले जिहादी आतंकवादियों को काफ़िर घोषित क्यों नहीं करते ?क्या इस से यह साबित नहीं होता कि आतंकवाद इस्लाम में जायज है .? ------------------ 6-सेकुलर होने का ढोंग कराने वाले बताएं कि किसी मुल्ले मौलवी ने कसाब और अबू जिंदल के खिलाफ फतवा क्यों नहीं दिया ? ------------------ 7-बताइए कि जब भी कोई आतंकवादी मुठभेड़ में मारा जाता है तो ,सेकुलर उसे फर्जी एन काउंटर साबित करमे में क्यों लग जाते है ? ---------------------------जय महाकाल !!!
2012-07-18 19:58:20
apps.facebook.com
Una discussione con la persone sbagliata…
2012-07-18 19:58:09
प्रदूषण उन्मुक्ति में वैदिक साहित्य एवं वेदों मे ओज़ोन लेयर का वर्णन पृथ्वी की रक्षक पर्त, ओजोन लेयर व आयनोस्फ़ीअर के बारे में यजु.१३/५० के मन्त्रं में कैसा अच्छा वर्णन है -- "इमं भ्रूर्णायु वरुणस्य नाभिं त्वचम पशूनां द्विपदा चतुषपदं| त्विष्टुं प्रजानां प्रथमं जनित्रमाने , माँ हिंसी परमे व्योमन ॥ "" यह जो पृथ्वी के चारों और रक्षक आवरण त्वचा की तरह रहकर छन्ने की तरह अंतरिक्ष कणों को प्रविष्ट न होने देकर प्राणियों की रक्षा करता है ,उसे ऊर्जा की अति उपयोग से नष्ट नकरें । यजुर्वेद (५/३६/२०) में ऋषि प्रार्थना करता है--"अग्ने नय सुपथा राये " प्रकाशवान अग्नि ( विद्वान,सत्यवादी लोग साहित्य व विचार ) हमें सन्मार्ग पर ले जाएँ ; तथा " युयोध्य्स्म ज्जुहू राणि ये नो..." तथा कुटिल आचरण व पाप से हमें बचाएं | तथा पर्यावरण के प्रति चेतना देतेहुए ऋषि कहता है -"" यदस्य कश्मैचिद भोगाय बलात कश्मिद्ध प्रक्रितांते| तत क्रिस्तेन म्रियन्ते वत्सोश्च धानुको वृकः ॥ ""--(अथर्व -४/७) अर्थात जो सिर्फ भोग व अति लिप्सा के कारण प्रकृति का कर्तन व दोहन करते हैं उनकी संतानें, पशु व पक्षी मृत्यु को प्राप्त होते हैं | तथा--"" यदस्य गौपदो सत्यालोप अजोहितः , तत्कुमारा म्रियन्ते यक्ष्मो विन्दतनाशयात ॥ " जिस नगर ग्राम गृह में पर्यावरण बिगड़ जाता है वहां संतति को यक्ष्मा (आदि विभिन्न रोगों )आदि जकड कर haani पहुंचाते है । अतः ऋग्वेद ४/१८ में कहा गया है कि- '' अयं पन्था अनिवित्तः पुराणो,यतां देवाः उपजायंत विश्वे । अताश्चिदा जनायीष्ट प्रवुद्धो माँ मातराममुया पंतावे कः ॥ "" यह पंथ सनातन है (सृष्टि के आदि में उत्पन्न प्राकृतिक पर्यावरण चक्र) अतः प्रबुद्ध लोग अपनी आधारभूता माता ( प्रकृति व पर्यावरण ) को विनष्ट न करें। पर्यावरण व प्रदूषण से बचाव की विधि के रूप में अथर्व वेद (१०/५/१८ ) का एक मन्त्र है--"अजः पक्वः स्वर्ग लोके दधान्ति पंचौदानो निसृन्ति बाधयान ॥ " --यह अजः ( यग्य में समर्पित सामग्री -अन्न, कर्म, विचार, भाव रूपी ) स्वर्ग (अंतरिक्ष ,पृथ्वी ,वत्तावरण ,आकाश, ईथर )में पंचौदन अजः ( सृष्टि के समय तैयार किया गया सृष्टि निर्माण तत्व -मेटीरिअल, मिट्टी , आटा) बनकर सब जगह स्थापित होजाता है तथा पाप देवता ( प्रदूषण, विकृति उत्पादक- प्री एटोमिक, सब एटोमिक , परमाणु , अणु व पदार्थ ) को दूर हटाते हैं । इस प्रकार कहा जासकता है कि समाज व व्यक्तियों के सदाचरण , सामाजिक सरोकार से युक्त सत्साहित्य व पर्यावरण प्रदूषण में घनिष्ठ सम्बन्ध है एवं व इन सबके समायाजन व समन्वय को लेकर चलने वाला भारतीय विश्वबंधुत्व भाव ,साहित्य शास्त्र परम्परा व वैदिक विज्ञान के मार्ग पर चलकर ही मानवता के कल्याण का मार्ग प्रशस्त होगा , जो आज के भौतिकवादी युग की अनन्यतम आवश्यकता है । साभार: http://shyamthot.blogspot.in
2012-07-18 19:57:59
1 LIKE = 100 Salute.... जिंदगी तो अपने ही दम पे जी जाती है, दूसरों के कन्धों पे तो ज़नाजे उठा करते है !!! - भगत सिंह
2012-07-18 19:57:51
বাংলা চটির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় পেইজ →→ [না দেখলে...ও না পড়লে... চরম মিস]→LIKE And Comments দিয়ে ACTIVE থাকুন। ♥ মেয়েটা পাশের বাসার নতুন প্রতিবেশী ♥ মেয়েটা পাশের বাসার নতুন প্রতিবেশী। বয়স ১৮-১৯ হবে। একেবারে ছোট মেয়ে আমার মতো ৪০ বছরের বুড়োর জন্য। কিন্তু মেয়েটা একদিন চোখে পড়ে গেল হঠাৎ। চোখে পড়ার কারন মেয়েটা নিজের উন্ভিন্ন যৌবন নিয়ে "কী করি আজ ভেবে না পাই, কোন বনে যে চুদে বেড়াই" টাইপের চালচলন। না হলে আমি এতটা খবিস না যে এত ছোট মেয়ের জন্য খাই খাই করবো। প্রথমত বয়সের তুলনায় মেয়েটার স্তনটা একটু বড়, কিংবা মেয়েটা প্রমান করতে চায় ওর দুটো বড় স্তন আছে। কচি মেয়ের বড় স্তনের প্রতি আমার একটা দুর্বলতা আছে, এই মেয়েটা পাতলা টাইট টিশার্ট পরে আমার সে দুর্বলতাটাকে কামনার চুড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে যায়। লিফটে একদিন ওর দুধ দুটো আমার কয়েক ইঞ্চি দুরত্বে পাতলা টি-শার্ট ছেড়ে বেরিয়ে আসতে চাইছিল। আমার ইচ্ছে হচ্ছিল লাজ-সংকোচ ছেড়ে হাত বাড়িয়ে স্তনদুটো মুঠোর ভেতরে নিয়ে কঠিন ভাবে মর্দন করতে করতে বাসায় ঢুকে যাই এবং ওকে ৩০ মিনিট ধরে রাম চোদা দেই। এরপর থেকে মেয়েটা আমার কল্পনায় নানান সময়ে চলে আসে। নানান ভঙ্গিমায় ওকে চুষে খাই, আমার লিঙ্গ চোষাই, তারপর ওকে নেংটো করে রাম চোদা দেই। ও বাসায় একা থাকে অনেক সময়, এরকম সেক্সী মেয়ে বাসায় একটা থাকলে চোদাচুদি করা ডালভাত। আমি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলি, প্রথম সুযোগেই চুদবো যুবতী রিয়াকে। চুদে চুদে ফালা ফালা করে ফেলবো মাগীকে। সেদিন আমাদের বাসায় এসেছিল পাতলা টি-শার্টের সাথে পাতলা নীটের একটা গেন্জীটাইপ প্যান্ট পরে। ভেতরে প্যান্টি নেই। আমি ওর যোনীদেশ পরিস্কার দেখতে পাচ্ছিলাম ফুলে আছে দুই রানের মাঝখানে। আর কয়েক মিনিট ও সামনে থাকলে আমি মাটিতে চেপে ধরতাম শালীকে। রিয়াকে আমি চুদবোই। আমার লেটেষ্ট মাল রিয়া।রিয়ার সাথে রিয়ার বড় বোনও থাকে। মেয়েটা বিরাট সাইজের। আমার বৌ বলে মেয়েটার দুধ একেকটা দুই কেজি হবে। বাসায় নাকি পাতলা জামা পরে দুধ বের করে বসে থাকে। আমি কেয়ারলেস, আমি চাই ছোটটাকে। বউ সেটা জানে না। বউ জানে না আমি বারান্দায় দাড়িয়ে রিয়ার ব্রা গুলো দড়িতে শুকাতে দেখে শক্ত হই। কল্পনা করি এই ব্রা গুলো রিয়ার কোমল স্তন যুগলকে কীভাবে ধারন করে। নানান ধরনের ব্রা পরে মেয়েটা। আমি সুযোগ পেলে এক সেট ব্রা প্যান্টি গিফট করবো ওকে। রিয়া ছোট মেয়ে হলেও আমার দিকে কেমন সেক্সী চোখে তাকায়। ফলে আমি ওকে চোদার স্বপ্ন দেখি। -------------------------------------------------------------------ভাইয়া বাসায় একা?-হ্যাঁ-আমিও একা, আসেন না গল্প করি, ছবি দেখি, ভালো ছবি এনেছি একটা-দারুন, আসছি আমিছবি শুরু হলো। রিয়া আমার পাশে। আড়চোখে দেখলাম রিয়ার পাতলা টি-শার্ট ভেদ করে বেরিয়ে আসছে স্তন দুটো। আমাকে বিন্দুমাত্র লজ্জা পাচ্ছে না। একটা হরর টাইপ ছবি। রিয়া ভয় পাচ্ছে। মাঝে মাঝে আমার হাত চেপে ধরছে। আমার এটা ভালো লাগছে।-আজ তোমার বাসার অন্যরা কোথায়-ওরা বাইরে থাকবে আজ -তুমি একা?-হ্যাঁ-ভয় লাগবে না?-লাগলে আপনার কাছে চলে যাবো-ওকে-আপনিও কী একা-তাইতো।-ভালোই হলো। দুজনে একসাথে থাকা যাবে-ভালো হবে, তুমি আমাকে কী খাওয়াবে-আপনি যা খেতে চান-আমি যা খেতে চাই তুমি সব খাওয়াতে পারবে-যদি আমার থাকে তাহলে খাওয়াতে পারবো-থাক, তুমি অনেক ছোট মেয়ে-না, আমি অত ছোট না, আমি ১৯ এখন-আমি ৪০, অনেক বেশী-আমি অত বুঝি না, আপনাকে আমার সমবয়সী ভাবতে ভালো লাগে-ওয়াও, তোমাকে তো স্পেশাল কিছু খাওয়াতে হয়-খাওয়ান-কিন্তু তুমি অনেক ছোট,-তাতে কি,আমার মুখ ঠোট, দাত সব আছে-ওরে বাবা তোমাকে যা খাওয়াতে চাই তা দাত দিয়ে খাওয়া চলবে না-তাহলে?-শুধু ঠোট আর জিহবা-ভাইয়া, আপনি ভীষন দুষ্টুরিয়া আমার একটা হাত চেপে ধরলো। আমি ডান হাতটা ওর কোমরের পাশে রাখলাম। সে আরো গা ঘেষে এলে আমি কোমরটা জড়িয়ে ধরলাম। আমার চোখে কেমন দৃষ্টিতে যেন তাকালো। নাকের নীচে ঘাম। আমি ডান হাতে আকর্ষন করতেই এলিয়ে পড়লো আমার গায়ে। কাধে মাথা রাখলো। গলায় নাক ঘষলো। আমি ওর গালে নাক ঘষলাম। এরকম ঘষাঘষি চলছে আদরের ভঙ্গীতে। দশ মিনিট পেরিয়ে গেছে তবু আমি ওর দুধে হাত দিতে পারলাম না কিংবা ঠোটে চুমু খেতে পারলাম না। সংকোচ কাটেনি এখনো। এক পর্যায়ে সে শুয়ে পড়লো আমার কোলে। মুখটা নিচের দিকে। আমি পিঠে হাত বুলাচ্ছি। ব্রা'র ফিতা ছুয়ে দেখছি। আমার ধোনটা শক্ত কঠিন হয়ে আছে। আমি এক পর্যায়ে ওর পাছায় হাত দিয়ে মৃদু চাপ দিলাম। রিয়ার মুখটা আমার দুই রানের মাঝখানে এখন। পায়জামার ভেতর ফুসছে আমার ধোন। রিয়ার মুখটা ওখানে গিয়ে স্থির হলো, মেয়েটার মতলব কী? ধোন চুষবে নাকি। এটা একটা বিরল সুযোগ, মাগী যদি খায় এটা তো মহা পাওনা। আমি ওর বগলের তল দিয়ে ডানস্তনে হাত দিলাম এবার। সাহস করে চাপ দিলাম। গুঙিয়ে উঠলো রিয়া। বুঝলাম আর অসুবিধা নাই। আস্তে আস্তে মর্দন শুরু করলাম স্তনটা। রিয়া তখন আমার শক্ত ধোনটাকে কাপড়ের উপর দিয়ে চুমু খাওয়া শুরু করেছে। আমি পায়জামা খুলে ওটাকে মুক্ত করে দিলাম রিয়ার মুখের সামনে। রিয়া এক হাতে ধরে মুখে পুরে দিল সাথে সাথে। বোঝা গেল মাগী লাইনে এক্সপার্ট। আমি ওর টি-শার্ট তুলে ব্রা খুলে ওকে উপর সাইডে নগ্ন করে ফেললাম। স্তন দুটো হাতে মর্দন করতে করতে দেখতে লাগলাম। বয়সের তুলনায় অনেক বড়। বহুব্যবহ্রত। বোটা দুআঙুলে ধরে চটকাতে লাগলাম। ওর দুধগুলো টিপতে টিপতে ও যে কিশোরী মেয়ে মনেই হচ্ছে না। আমার বউয়ের চেয়ে অনেক বড় স্তন। আধকেজি হবে একেকটা। আমি দুধ খাওয়ার জন্য অধীর, কিন্তু যতক্ষন সে আমার ধোন চুষছে ততক্ষন আমি পারছি না কারন তার মুখ বুক নিচের দিকে -----------------------------------------------------------------রিয়া-তুমি এত সুন্দর কেন-আপনিও-আমি তো বুড়ো মানুষ-আপনি মোটেই বুড়ো না, আপনার এইটা এত টাইট, এত শক্ত, আমার খুব মজা লাগতেছে-তোমার দুধগুলো খুব সুন্দর, নরম, পেলব, আমার খেতে ইচ্ছে করছে খুব-তাই, আপনি যতক্ষন খুশী খান এগুলো, আমার খুব ভালো লাগবে। কতদিন আমি চেয়েছি আপনি আমার এগুলো খাবেন-বলো কী,-সত্যি-কিন্তু কেন একজন বিবাহিত বয়স্ক মানুষ তোমার পছন্দ হলো-জানিনা। কিন্তু আপনাকে প্রথম দেখার পর থেকে আমার কামনা বেড়ে গেছে।-আমিও তোমাকে দেখার পর থেকে কামনায় জলছি। সবসময় ভাবতাম কখন তোমাকে খাওয়ার সুযোগ পাবো-আপনি আজ সব করবেন-সব মানে-ওইটাও-ওইটা কি-আরে ধুত, আমরা সব আদর করবো, স্বামী স্ত্রীর মতো-মানে আমি তোমাকে ঢুকাবো-জী-হুমমম-কেন চিন্তায় পড়লেন-কিছুটা-কেন-কারন এরকম একজন যুবতী যার বয়স ২০ হয়নি তাকে ঢোকানোর মানে বোঝো?-নাতোমাকে ঢুকালে এটা ধর্ষন হবে। চোষাচুষি যতই করি অসুবিধা নেই, কিন্তু ঢুকাতে গেলে ধর্ষন।-আমি ওসব বুঝিনা, আপনি আমাকে ধর্ষনই করেন, নাহলে আমি থাকতে পারবো না-কনডম তো নাই,-আমার আছে-তুমি কনডম রাখো?-রাখি-হুমমম-কেন জানতে চান না-না,-তাজ্জব-হে হে হে, আসো আবার খেলা শুরু করি। এবার তোমার দুধ খাবো। উল্টা হও।রিয়া চিৎ হলো এবার। ওর পরনে নীটের একটা ট্রাউজার শুধু। উপরে পুরো নগ্ন। এই প্রথম আমি কিশোরী একটা মেয়ের কচি কিন্তু বড় স্তন দেখতে পেলাম। ওর স্তন দুটো একদম গোল। কী জানি শুয়ে আছে বলে কি না। এত সুন্দর লাগছে, এতদিন যা ভেবেছি তার চেয়েও অনেক গুলগুলে,খাড়া, থলথলে নয়। সাইজটা একটু বড়। বড় সাইজের কমলার চেয়ে একটু বড় হবে। আধাকেজির মতো ওজন হবে দুটো মিলে। আমি খামচে ধরলাম দুহাতে দুই স্তন বোঁটাসহ। বোঁটাটা একটু কালচে খয়েরী। এত বড় স্তন, অথচ বোটাটা এখনো পুর্নাঙ্গ হয়নি। এখনো চোখা ভাবটা রয়ে গেছে। এটা আমার খুব ভালো লাগছে। মনে হচ্ছে আমার দুই হাতে দুটি বাদামী রঙের কমলা। আমি তাকিয়ে তাকিয়ে উপভোগ করছি সৌন্দর্য। বাদামী রাবারের বল, আহ কী আরাম লাগছে উষ্ণ দুটি নরম মাংসপিন্ড আমার হাতে। এদুটো রিয়ার দুধ। আমি পেয়ে গেছি বহু কাংখিত দুটি দুধ। এদুটো এখন আমার। আমি ইচ্ছে মত মর্দন করবো, খামচাবো, কচলাবো, চমু খাবো, চুষবো, কামড়াবো। কেউ বাধা দেবে না, কেউ মানা করবে না। পাচ মিনিটের মধ্যে আমি এই স্তন দুটোকে কামড়ে কামড়ে লাল লাল করে দিতে পারি। এসব ভাবতে লাগলাম দুহাতে দুটে স্তন মুটোয় চেপে ধরে। রিয়া অবাক আমার মুগ্ধতা দেখে।-অমন করে কী দেখছেন ভাইয়া-তোমার দুধগুলো এত সুন্দর, আমি চিন্তাও করতে পারি না-আমার সাইজ আপনার পছন্দ?-খুব-আপনি এমন আদর করে ধরেছেন, আমার খুব ভালো লাগছে-তুমি বলো এগুলো নিয়ে কী করলে তোমার ভালো লাগবে-আপনি এগুলোকে হাত দিয়ে আস্তে আস্তে কচলান-তারপর-তারপর জিহবা দিয়ে দুধের চারপাশ চাটতে থাকুন-তারপর-তারপর জিহবাটা বোটার উপর রেখে জিহবাটা নাড়ুন, বোটাকে কাতুকুতু দিন-তারপর-তারপর আর কি, বোটাটা মুখে নিয়ে চুষে চুষে খান যতক্ষন ইচ্ছে।-তোমাকে আমি দিনরাত চুষতে পারবো নাওয়া খাওয়া বাদ দিয়ে-আপনি খুব ভালো, আসেন শুরু করেন ---------------------------------------------------------------------------------এরকম স্তন আমি সবসময় খুজি পর্নো ছবিগুলোতে। দুআঙুলে টিপ দিলাম বোঁটায়। তারপর পিষ্ট করতে লাগলাম দুহাতে। ময়দা মাখার মতো করে। তুলতুলে নরম স্তন দুটো। চুমু খেলাম স্তন দুটিতে। বামস্তনটা মুখে পুরলাম। চুষলাম। রিয়া চোখ বন্ধ করে উপভোগ করছে। আমি উল্টিয়ে পাল্টিয়ে রিয়ার বড় বড় সুন্দর দুধগুলো চুষে চুষে খেলাম অনেকক্ষন ধরে। তারপর ওর ট্রাউজার নামিয়ে দিলাম। ভেতরে প্যান্টি নেই। হালকা কালো বালে ভরা সোনাটা। কিন্তু পুরো ঢাকা পড়েনি। নতুন বাল মাত্র উঠতে শুরু করেছে। এখনো শেভ করেনি বোধহয়। আমি জানি এরপর কী করতে হবে, ওর রান দুটো ফাক করে বসে গেলাম মাঝখানে। আঙুল দিয়ে দেখলাম যোনীদেশ ভিজে আছে রসে। খাড়া লিঙ্গটা জায়গামতো বসিয়ে ঠেলা দিলাম, দু ইঞ্চি গেল। তারপর একটু টাইট। আমার ঠেলা। এরকম আস্তে আস্তে ঠেলতে ঠেলতে পুরোটা গেল। আহ......করে উঠলো রিয়া। আমি শুরু করলাম ঠাপানো। মারতে মারতে হাত দিয়ে ধরে রাখলাম দুধ দুটো। তারপর কোমর তুলে ঠাপ মারা শুরু করলাম। কয়েকমিনিট পর লিঙ্গটা বের করে কনডম লাগালাম। এবার আবার ঢুকালাম, মজা একটু কমে গেল। কিন্তু কিছু করার নাই। এই মেয়ের পেটে বাচ্চা দিতে চাই না আমি। দিলাম ঠাপ আবার, মারতে মারতে শালীকে কাদো কাদো করলাম কাম যন্ত্রনায়। তারপর তার মাল খসলো, আমারো। বিছানায় গড়িয়ে গেলাম নরম ধোনটা নিয়ে। রিয়াকে সেই একবার চুদে অনেকদিন সুযোগ পাই না আর। দেখাও হয় না। বাসা থেকে কম বেরোয় বোধহয়। নাকি আমার চোদার ব্যাথায় কাতর হয়ে আছে কেজানে। সেদিন ওর বয়ফ্রেন্ডের সাথে বোধহয় খেলছিল, উহ আহ শুনেছি রুম থেকে। কদিন আগে হঠাৎ দরজার গোড়ায় দেখা গেল আবার। অনেকদিন পর। হাসলো। আমিও হাসলাম। পরনে গোলাপী হাই নেক সুয়েটার। শীত পড়ছে বলে আফসোস হলো। কিন্তু গোলাপী সুয়েটার ভেদ করে কোমল স্তনদুটি অবাধ্য হয়ে বেরিয়ে আসতে চাইছে। ব্রা'র আভাস দেখলাম। আজ টাইট ব্রা পরেনি। তুলতুলে লাগছে স্তন দুটো। আমার ধোনে চিরিক করে উঠলো, শক্ত হয়ে যাচ্ছে। আমি জিজ্ঞেস না করে দরজা ঠেলে ঢুকে গেলাম ভেতরে। রিস্ক নিয়েছিলাম, কিন্ত ঢুকে বুঝতে পারলাম কেউ নেই।-কী তোমাকে দেখা যায় না কেন-না, এই তো আছি-কী করছো এখন,-কিছু না, আপু আসবে এখন। আপনি যান-আপু অফিসে গেছে না?-গেছে, এখুনি চলে আসবে-থাকি না কিছুক্ষন, তোমাকে অনেকদিন দেখি না।-আমার পরীক্ষা সামনে-পরীক্ষার আগে একটু আদর লাগবে না?-আপনি একটা রাক্ষস-আর, তোমার বয়ফ্রেন্ড?-আমার কোন বয়ফ্রেন্ড নাই-সেদিন ছেলেটা কে, তোমাকে আদর করে ডাকতে শুনলাম-আপনি কিভাবে শুনলেন-আমি জানলার পাশে দাড়িয়ে সব দেখেছি-কী দেখেছেন-তোমাদের খেলাধুলা-ভাইয়া, আপনি বেশী দুষ্টু, উঁকি দিয়ে অন্যের ঘরে দেখাটা অন্যায় কিন্তু।-আমার রিয়াকে কে আদর করছে দেখার জন্য উঁকি দিয়েছিলাম। (আসলে কে করছে দেখিনি, আন্দাজে ঢিল মেরে ধরেছি)-তেমন কিছু হয় নি-কিন্তু অনেক্ষন চুদেছে তো-না, একবার শুধু, ও ভীষন জোর করছিল। চেপে ধরার পর না করতে পারি নি।যাই হোক আমি রিয়াকে আদর করতে করতে ওর উদ্ভিন্ন স্তনযুগল মর্দন করতে লাগলাম, কিছুখনের মধ্যেই রিয়া আবার গরম হয়ে গেল। ও ঊঃ ঊঃ করতে করতে আমাকে জড়িয়ে ধরলো। ওর কচি গুদে আমার লিংগ যেন ডাকাত হয়ে উঠলো। ►►►►►বিঃদ্রঃ◄◄◄◄◄ [ আপনারা যারা আমাদের পোস্টে নিয়মিত লাইক / কমেন্ট দেন না তারা একসময় ফেসবুক নিয়মের কারণে হোমপেজে আর আমাদের পোস্ট পাবেন না ।তাই আপনাদের লাইকের মাধ্যমে পেজের সাথে এক্টিভ থাকুনআর মজার মজার জোক্স পরুন হোম পেইজথেকে। ]
2012-07-18 19:57:21
What is the problem? Why? Can NIGERIAN KARATE PRACTITIONERS come together. Our fighting hast given root none martial artists to explore karate in many ways. WHILE WE SURFER/HUNGARY. Pls, forget the past. KANDOSHIN or not. LET COME TOGETHER&ENJOY OUR WORKS.
2012-07-18 19:57:19
Judo karate!!
2012-07-18 19:57:18
जिंदगी एक सफर है सुहाना , यहाँ कल क्या हो किसने जाना ...... भगवान महान अभिनेता राजेश खन्ना कि आत्मा को शांति दे .. RIP :( मै शायर बदनाम मैं चला, मैं चला महफ़िल से नाकाम मैं चला, मैं चला मेरे घर से तुम को, कुछ सामान मिलेगा दीवाने शायर का, एक दीवान मिलेगा और एक चीज मिलेगी, टूटा खाली जाम शोलों पे चलना था, कांटो पे सोना था और अभी जी भर के, किस्मत पे रोना था जाने एसे कितने, बाकी छोड़ के काम रास्ता रोक रही है, थोड़ी जान हैं बाकी जाने टूटे दिल में, क्या अरमां हैं बाकी जाने भी दे ए दिल सब को मेरा सलाम आनंद में उनका किरदार आज उनकी म्रत्यु की जीवंत कहानी कहता है | उनका डायलोग याद रहेगा जिंदगी और मौत ऊपर वाले के हाथ है जहापनाह उसे ना तो आप बदल सकते हैं ना मै हम सब तो रंगमंच की कठपुतलियां हैं, जिनकी डोर ऊपर वाले की उंगलियों में बंधी हुई है कब कोन कैसे उठेगा कोइ ये नही बता सकता है आनंद मरा नही आनंद मरते नही - Rajesh Khanna, Anand (1970) सुपर स्टार राजेश खन्ना जी का निधन ...... उन्ही के एक गाने की पंक्तियाँ...... कभी यूँ ही मन नही माने , पीछे पीछे सपनों के भागे....एक दिन सपनों का रही....उड़ा चला जाये न जाने कहाँ जिंदगी कैसी है पहेली हाय.....कभी ये रुलाये ...कभी ये हंसाये....... हमारी तरफ से भावभीनी श्रधान्जली :(( राजेश खन्ना जी के निधन पर दुःख व्यक्त करते हुए महेश भट्ट जी ने कहा कि "आज हम भी थोड़ा थोड़ा मर गए हैं." ............ ...... गिर तो बहुत पहले ही पूरी तरह से चुके हैं. . . . .
2012-07-18 19:57:11 1 votes
jago hinduo jago
विशाल .. एक होनहार छात्र .. संघ और एबीवीपी से जुड़ा हुआ ... कल जेहादी काउन्सिल ऑफ केरला के चालीस जुनूनी मुस्लिम गुंडों ने इसकी हत्या कर दी .. किसी भी चैनेल ने नही दिखाया .. क्योकि विशाल हिंदू था .. साले सेकुलर सेकुलर चिल्लाने वाले हिन्ज्डो जिस दिन तुम्हारा अपना मरेगा उस दिन तुम्हे अहसास होगा, हम जब भी बात करते है नरेन्द्र मोदी को देश का प्रधानमन्त्री बनाने की तो तुम लोगो के पेट मे मरोडे उठ जाते है. क्या कसूर था ईस मेरे भाई का यह भी किसी मा-बाप की आस होगा उनकी आन्खो का दुलारा होगा............................. कहा मर गये सारे सेकुलरता क गाना गाने वाले कुत्ते हिन्दू भाईयों यदि अपना अस्तित्व बचाना है तो व्यक्तिवादी न बनकर हिन्दूवादी बनों और दुष्टों का प्रतिकार करना शुरू कर दों , अन्यथा तुम्हें तुम्हारे देश में ही भयंकर यातनाऐ भोगनी पडेगी और तुम्हारी बहन - बेटियां जेहादी मुल्लों की रखैल बनकर रहेगी । यदि विष्णु भगवान् स्वयम पृथ्वी पर आ जाएँ तो भी 25000 हिन्दू इकठ्ठा नही होगा.... lollllssss अब तो सब घर पर बैठ कर विदेशी पैसों पर बिके हुए मीडिया से ही सारी जानकारी ले लेते हैं .. सड़क पर जाने का क्या लाभ ?? यदि सड़क पर ही आकर परिवर्तन होता .. तो 5 जून से बेहतर शुभ मुहूर्त कोई नही था... आत्माएं मर चुकी हैं सबकी ... बस ढो रहे हैं सब अपने अपने बेतालों को .... Kerala: Rss-Abvp leader vishal brutally killed by students wing of jihadi terrorist organization. Chengannur: students wing of jihadi terrorist organization campus front unleashed terror in chengannur chistian college nd attacked, vishal abvp nagar pramukh yesterday . He succmbed to death today early morning. Campus front terrorists well equipped with arms nd swords were threatening new comers nd passing obscene comments at girls. A third year physics students of the college vishnu prasad an abvp member question this to everyones surprise they stabbed him with swords. Vishal kumar ,abvp nagar pramukh and ambili another abvp worker who came to help vishnu prasad, were also attacked nd stabbed by these terrorists in the college. Hospital authorities said that the stab damaged his vertebrae nd injured his duodenum nd pancreas. According to sources, when vishal was admitted ,he was stated to have very low blood pressure. Even though the was rushed to the post operative icu nd put on life support system,ne couldnot be revived. Friends Pls Dont like this Share 2all
2012-07-18 19:57:04
আল্লাহতাআলার ৯৯ টি নাম। ছবিটি দেখার পর 'LIKE' ও 'SHARE' করতে ভুলবেন না ।
2012-07-18 19:56:55
্ষামুলক পোষ্ট ♥ নারীর যোনিমুখের দু'পাশে বিশেষ গ্রনথি আছে ।কামোত্তেজনার সময় এই গ্রনথি থেকে এক রকম তরলরস নির্গত হয়, যা কিনা সারা যোনি-মুখকে ভিজিয়ে পিচ্ছিল করে দেয়,এর ফলে পুরুষের লিঙ্গ তার গভীরে প্রবিষ্ট করতে সুবিধে হয় । তরে বাইরে থেকে এই গ্রনথি দৃশ্যত নয়, চামড়ার আড়ালেঢাকা থাকে । কিন্তু যোনিমুখে রস নিঃসরণ সরাসরি চোখে দেখা যায় । সব সময় এই রস নিঃসৃত হয় না । কেবল যখন প্রবল কামোত্তেজনা সূষ্টি হয়-তখনি বার্থোলিন গ্রনথি এই রস সৃষ্টি করে । নারীর এই কামরসের মতো পুরুষের কামোত্তেজনার প্রথম অবস্হায় এক ধরনেরতরল রস নিঃসরন হ
2012-07-18 19:56:45 1 votes
প্রশ্ন: ডা. জাকির নায়েক, অনেকে রমযান মাসকে স্বাগত জানানোর জন্য বলে যে, ‘রমযানুল মুবারক’ কিন্তু কিছু লোক এটাকে বলে যে এটি বিদআত, আবার কিছু লোক বলে এটা সুন্নাত। এ বিষয়ে সঠিক মত কোনটি? উত্তর: ডা. জাকির নায়েক: রমযান মাসকে স্বাগত জানানো ভালো, আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের প্রিয় নবী (সঃ) সর্বদা এ মাস সম্পর্কে সাহাবীদের অবহিত করতেন। মুসনাদে আহমদ এর ২য় খণ্ডের ২৪০ নং পৃঃ এবং সুনানে নাসায়ী এর কিতাবুস সিয়ামের ২১০৬ নং হাদীস যেখানে রসূল (সঃ) সর্বদা মানুষদেরকে এই মাস নিকটবর্তী হওয়ার বিষয়ে অবহিত করতেন। রসূল (সঃ) নিজেই এ মাসকে স্বাগত জানাতেন। তিনি অন্যদেরকে এ মাস আগমনের বিষয়ে অবহিত করেছেন। কাজেই আপনিও এ কাজ করতে পারেন এ বরকতময় মাসের আগমন বার্তা অন্যদেরকে জানিয়ে এ মাসের দায়িত্ব কর্তব্য সম্পর্কে অন্যদেরকে সতর্ক করতে পারেন। রমযান মাসকে কেউ কেউ স্বাগত জানানোর ভাষা হিসেবে রমযানুল মুবারক বলতে পারে। এই কথাটি আমাদের এ উপমহাদেশে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ‘বরকত’ একটি আরবি শব্দ। যার অর্থ- পবিত্র, কল্যাণকর, যা সাধারণত পবিত্র মাসকে বুঝানোর জন্য ব্যবহৃত হয়। কিন্তু এই উপমহাদেশের জনগণ যখন মুবারক শব্দটি ব্যবহার করে তখন তারা এই শব্দটি স্বাগতম অর্থে ব্যবহার করে থাকে। তাই যখন রমযান মাস আসে তখন তারা রমযানুল মুবারক বলে। সুতরাং পবিত্র কল্যাণময় মাসকে পবিত্র বলা বা তাকে স্বাগত জানানো বিদআত হওয়ার কথা নয় বিদআত হওয়ার কোনো কারণ নেই। আপনিতো এই পবিত্র কল্যাণময় মাসটি সম্পর্কে এর আগমনের বিষয়টি অন্যকে অবহিত করছেন এবং মনে করিয়ে দিচ্ছে যে, এ মাসটি কল্যাণের মাস। তাই এটা বিদআত হতে পারে না। এটা যদি বিদআত হয় তাহলে আপনি কোন শব্দটি পছন্দ করবেন যা এই মাসকে স্বাগত জানানোর জন্য ‘মুবাহ’ হবে। আপনার অপশন তাহলে কী হবে? আমাদের ভারতীয় উপমহাদেশে আমরা যেমন বলি ‘রমযানুল মুবারাক’ ঠিক তেমনি উপসাগরীয় দেশগুলোতে বলে ‘রমযানুল কারীম’। এগুলো সবই পবিত মাস, কল্যাণের মাস, ক্ষমার মাস বুঝায়। শব্দ ব্যবহারের ক্ষেত্রে পছন্দ ও অঞ্চলভেদে ভিন্নতা হতে পারে। কিন্তু প্রিয় নবী (সঃ) এই মাস আগমন উপলক্ষে অন্যদেরকে বলতেন- “হে লোক সকল, বরকতময় রহমতের মাস নিকটবর্তী হয়েছে, আগমন করেছে।” যে কারণে আমি মনে করি আমাদের মধ্যে একে অপরকে এ মাস উপলক্ষে wish করবে এবং এ পবিত্র মাস সম্পর্কে একে অপরকে মনে করিয়ে দিবে। By: https://www.facebook.com/islamerpoth
2012-07-18 19:56:30
"হৃত্বিক রোশান এবং তাঁর দুই ছেলে" এমন একটা সুন্দর ছবির জন্য কয়টা লাইক আশা করা যায় ? -> হৃত্বিকের ফ্যানরা ট্যাগ এবং শেয়ার করতে পারেন :) —
2012-07-18 19:56:19
আপনারা যারা খুব সহজে অনলাইনে আয়ের কথা ভাবছেন,তাদের জন্য আমার এই সাইট।এটি কোন PTC সাইট না।এটি একটি Freelancing সাইট।এখানে আপনি বিভিন্ন কাজ করতে পারবেন।যেটার মাধ্যমে আপনি ফেসবুক, টুইটার, গুগল প্লাস, ডিগ এই সব পেজের লাইক পাবেন সহজেই। এটা অনেকটা বিনিময়ের মত। মানে আপনি যতগুলো লাইক করবেন ততগুলো লাইক পাবেন। আপনি লাইক এর মাধ্যমে কয়েন অর্জন করবেন আবার সেই কয়েন এর বিনিময়ে আপনার পেজের লাইক পাবেন। সহজ হিসাব। আবার আপনি চাইলে এই কয়েন সেল করে টাকা নিতে পারেন।আপনি payment পাবেন bKash & alertpay এর মাধ্যমে ।আর এই সাইট এ কাজ করাও অনেক ইজি .সাইট টা দেখতে এইখানে ক্লিক করুন http://shareyt.com/?r=6530 Payment Proof: http://dippic.com/80gt5pge2fe8/payza.jpg.html ★ Minimum cashout $1 ★ ★ Payments processed on Friday ★ ★ Absolutely No self referral. Its a crime..you know! ★ ★ For bKash cashout you must have a bKash activated Grameen/ Robi number ★ কি ভাবে কাজ করতে হবে কেউ যদি বুজতে না পারেন তাহলে ” How To” option এ ইউ টিউব ভিডিও আছে দেখে নিন।
wheelrepairnetwork.com
The Wheel Repair Network can help you find aluminum wheel repair, polishing, straightening, mobile, fix rims, refinishing, bent rim & restoration of wheels
2012-07-18 19:55:34
ছবিতে যে কালো রঙের পোর্ট হাবটি দেখছেন, সেটাকে বলে হার্ডওয়্যার কি-লগার... আপনি যদি সাইবার ক্যাফেতে নেট ইউস (Use) করার সময় এটা দেখতে পান, তাহলে ঐ কম্পিউটার ব্যাবহার করবেন না ... কারন এই হার্ডওয়্যার কি-লগার থাকাকালিন সময়ে..আপনি কম্পিউটারে যা লিখবেন বা কীবোর্ডে যা লিখবেন তা নোট আকারে সেভ হয়ে যাবে। তাছাড়া আপনার পাসওয়ার্ডসহ গোপন অনেক কিছুই চুরি হয়ে যেতে পারে। তাই সাবধান হউন শুরুতেই......... ভাললাগলে like,tag,share করতে পারেন বন্ধুদের সাথে
Exclusive & Exclusive
2012-07-18 19:54:54
ডিপোজিট নিয়ে ভাবনা আর না আর না:: প্রিয় ফরেস্ক ট্রেডারস ভাই ও বোনেরা, আমি যে বিষয়টি নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হব, সেটা নতুন কিছু না, আপনারা হয়ত আগেই শুনেছেন। আসলে বিষয়টি হচ্ছে ফোরাম পোস্টিং। অর্থাৎ ফরেক্স সম্পর্কে আপনার মতামত, ফরেস্ক সম্পর্কে কমেন্ট করলেই আপনি পাবেন ইন্ডিয়ান ফোরামে ৩০ সেন্ট এবং এম টি ফাইব ও নাইজেরিয়ান ফোরাম এ প্রতি পোস্ট ২০ সেন্ট করে। আর পরবর্তী মাসের প্রথম সপ্তাহে সেই বোনাস চলে যাবে আপনার ইন্সটাফরেস্ক একাউন্টে। কাজেই প্রতিদিন একটি ফোরামে যেমন ইন্ডিয়ান ফোরাম এ ১০ টা পোস্ট করলে আপনি পাবেন ৩ ডলার, এভাবে বাকি ২ টি ফোরামে ১০ টি পোস্ট করলে আপনি পাবেন প্রতিটিতে ২০ সেন্ট করে অর্থাৎ ৪ ডলার করে, অর্থাৎ প্রতিদিন হচ্ছে ৭ ডলার, মাস শেষে ২১০ ডলার যা দিয়ে আপনি ফরেস্ক এ রিয়েল ট্রেড করতে পারবেন নিশ্চিত। নিচের ধাপগুলো অনুসরন করুন:- প্রথমে ইন্সটাফরেস্কে http://instaforex.com/ একটি রিয়েল একাউন্ট খুলুন। একাউন্ট খোলার সময়ে Affiliate Code ঘরে লিখুন:: portalforum অত:পর নিচের প্রতিটি ফোরামে একাউন্ট খুলুন। প্রতিটি ফোরামের একই ধরনের এবং একই কাজ। (আপনি চাইলে যেকোন একটি তে কাজ করতে পারেন।) ১) http://indian-forex.com/forum.php?referrerid=10909 (প্রতি পোস্টে ৩০ সেন্ট করে) ২) http://nigeria-forex.com/forum.php?referrerid=5362 (প্রতি পোস্টে ২০ সেন্ট করে) ৩) http://forum.mt5.com/index.php?referrerid=16230 (প্রতি পোস্টে ২০ সেন্ট করে) ৫)অত:পর উপরক্ত একাউন্ট খোলার পর My profile এ ক্লিক করুন, এর পর Bonus for post - এ ক্লিক করুন + এ ক্লিক করে আপনার ইন্সটাফরেস্কের একা উন্ট নাম্বার ও পাসওয়ার্ড দিন। এভাবে প্রতিটি ফোরামে আপনার ইন্সটাফরেস্কের একাউন্ট এড করুন। ফোরামে পোস্ট করুন আনলিমিটেড।তবে ইনডিয়ান ফোরামে সাবধাবে পোস্ট করবেন। কখনও অন্যের পোস্ট কপি করবেন না। ওয়েবসাইট থেকে কপি করবেন না নিজে নিজে বানিয়ে ৩,৪লাইন লেখুন। আবার রেফার করলে আপনিও পাবেন প্রতি পোস্টে ১০ সেন্ট করে। কাজেই অফুরন্ত সুজুগ রয়েছে,ডিপোজিট সংগ্রহ করার। আজই নেমে পরুন। যত ইচ্ছা তত পোস্ট করুন আর বোনাস জোগাড় করুন আনলিমিটেড, সেই বোনাস দিয়ে ইন্সটাফরেস্কে বড় ভলিউমে ট্রেড করুন।। আমার মতে দিনে ২০ টির বেশী পোস্ট ঠিক না নতুন অবস্থায়। তবে কোয়ালিটি সম্পন্ন পোস্ট হলে ১০০ এর উপরে পোস্ট করা যাবে। আজে বাজে পোস্ট করলে বেন হয়ে যাবেন।সাবধান। ১) http://indian-forex.com/forum.php?referrerid=10909 (প্রতি পোস্টে ৩০ সেন্ট করে) ২) http://nigeria-forex.com/forum.php?referrerid=5362 (প্রতি পোস্টে ২০ সেন্ট করে) ৩) http://forum.mt5.com/index.php?referrerid=16230 (প্রতি পোস্টে ২০ সেন্ট করে) 01677635949
instaforex.com
Currency trading on the international financial Forex market. Forex Trading News, Forex Rates, Forex Education, Economic Calendar, Trader contests, Forex analysis and Forex TV.
2012-07-18 19:54:44
মানুষের ইচ্ছাশক্তির কাছে অসম্ভব নয় কোন কিছুই । এই মেয়েটি সেটাই প্রমান করেছে । স্যালুট জানাই এমন মানুষকে । 1 Like = 1 Respect [] বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না পোস্টটি [] ~a1~
2012-07-18 19:54:40
এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর সলিমুল্লাহ মুসলিম হল (ভাল লাগলে লাইক/কমেন্ট/ট্যাগ/শেয়ার করতে ভুলবেন না যেন!)
প্রতিদিন আপনার HOME পেইজে এই রকম আরও মজার সব ছবি পেতে নিচের "" By •|• মজাদার এবং আশ্চর্যজনক সব ছবির অ্যালবাম •|• "" এর উপর ক্লিক করুন এবং পেইজটি LIKE করুন।
2012-07-18 19:53:49
প্রথমেই বলে নিচ্ছিঃ ছবিটি শেয়ার করে হয়তো আপনিও কারো জীবন বাঁচাতে পারবেন। (খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি পোষ্ট, প্রয়োজনে খুঁজে নিতে নিজেকে/ বন্ধুদের ট্যাগ করে নিতে পারেন।) - STROKE স্ট্রোকঃ মনে রাখুন শব্দটির প্রথম ৩টি অক্ষরঃ S, T এবং R আমরা সবাই-ই যদি এই ছোট্ট সাধারণ সণাক্তকরণ উপায়টা শিখে ফেলি, তবে হয়তো আমরা স্ট্রোকের ভয়ংকর অভিজ্ঞতা থেকে আমাদের প্রিয়জনদের রক্ষা করতে পারবো। একটি সত্যি গল্পঃ একটা অনুষ্ঠানে গিয়ে একজন ভদ্রমহিলা হঠাৎ হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলেন। উঠে দাঁড়িয়ে তিনি বললেন, সবকিছু ঠিক আছে, মেঝের টাইলসে তার নতুন জুতোর হীল বেঁধে যাওয়ায় তিনি পড়ে গিয়েছিলেন। কেউ একজন এম্বুলেন্স ডাকার কথা বললেও তিনি তাতে রাজি হলেন না। সবকিছু ঠিকঠাক করে, পরিস্কার করে তিনি নতুন করে প্লেটে খাবার নিলেন। যদিও মনে হচ্ছিলো যেন তিনি একটু কেঁপে কেঁপে উঠছেন। অনুষ্ঠানের সম্পূর্ণ সময় জুড়েই তিনি উপস্থিত থাকলেন। পরদিন দুপুরে ভদ্রমহিলার স্বামী ফোন করে জানালেন, তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সন্ধ্যা ছয়টার সময় তিনি মারা গেলেন। মূল যে ঘটনা ঘটেছিল, তা হলো, তিনি অনুষ্ঠান চলাকালীন সময় স্ট্রোক করেছিলেন। সেখানে যদি কেউ জানতেন, কিভাবে স্ট্রোক সনাক্ত করা সম্ভব, তাহলে হয়তো ভদ্রমহিলা আজও বেঁচে থাকতেন। সবাই যে মৃত্যুবরণ করে, তা নয়। অনেকের ঠাঁই হয় বিছানায়, সাহায্যহীন, ভরসাহীন মূমুর্ষূ অবস্থায়। মাত্র তিনটা মিনিট সময় নিয়ে এটা পড়ে ফেলুন। একজন মস্তিষ্কবিশেষজ্ঞ বলেছেন, যদি একজন স্ট্রোকের শিকার রোগীকে স্ট্রোক হবার তিন ঘন্টার মধ্যে হাসপাতালে নেয়া যায়, তবে তাকে সম্পূর্ণভাবে সুস্থ অবস্থায় ফেরত পাওয়া সম্ভব। শুধু আমাদের জানতে হবে কিভাবে স্ট্রোক চেনা যায়, এবং কিভাবে রোগীকে উল্লেখ্য সময়ের মধ্যে মেডিকেল কেয়ারে নেয়া যায়। স্ট্রোককে চিনুন... সহজ তিনটি ধাপঃ- S T ও R...পড়ুন এবং জানুন! মাঝে মাঝে স্ট্রোকের উপসর্গ সনাক্ত করা অনেক কঠিন হয়ে পড়ে। আমাদের অজ্ঞতার কারণেই নেমে আসে যাবতীয় দুর্যোগ। স্ট্রোকের শিকার রোগীর মস্তিষ্কে যখন ভয়ানক রকম ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে, পাশে দাঁড়ানো প্রিয়জনটিই হয়তো বুঝতে পারছে না, কি অপেক্ষা করছে তাদের কাছের মানুষের জীবনে। সহজ উপায়ে স্ট্রোক সনাক্ত করার উপায়, সহজ তিনটি প্রশ্ন জিজ্ঞেস করুনঃ S – Smile রোগীকে হাসতে বলুন। T – Talk রোগীকে আপনার সাথে সাথে একটি বাক্য বলতে বলুন। উদাহরণঃ আজকের দিনটা অনেক সুন্দর। R – Raise hands. রোগীকে একসাথে দুইহাত উপরে তুলতে বলুন। এর কোনো একটিতে যদি রোগীর সমস্যা বা কষ্ট হয়, তৎক্ষণাৎ দেরি না করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। এবং চিকিৎসককে সমস্যাটি খুলে বলুন। (রোগী বলতে স্ট্রোকের শিকার সন্দেহ করা ব্যক্তি বোঝানো হয়েছে) সনাক্তকরণের আরেকটি উপায় হচ্ছে, রোগীকে বলুন তার জিহবা বের করতে। যদি তা ভাঁজ হয়ে থাকে, বা অথবা যদি তা বেঁকে যেকোনো একদিকে চলে যায়, সেটাও স্ট্রোকের লক্ষণ। তৎক্ষণাৎ তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। একজন খ্যাতনামা হৃদবিশেষজ্ঞ বলেছেন, যদি আমরা সবাই-ই এই সহজ ব্যাপারগুলো জেনে রাখি, তবে আমরা একজনের হলেও জীবন বাঁচাতে পারবো। সুতরাং, আপনি শিখলেন, আপনার বন্ধু ও প্রিয়জনদেরও শেখান!!! - মূল ইংরেজী পোষ্টঃ http://goo.gl/J5cPO বাংলায় অনুবাদ করেছেনঃ স্যাম জাহান [SJ] - - বিঃদ্রঃ এই অনুবাদিত আর্টিকেলের সত্ত্বাধিকার স্বাস্থ্যকথন (Health Tips) পেইজের। অনেকেই বিভিন্ন স্থানে নাম উল্লেখ ব্যতীত লেখাটি পাবলিশ করছেন। যা দুঃখজনক। জ্ঞানের আলো অবশ্যই ছড়িয়ে দিন, অনুগ্রহ করে মৌলিকতা নষ্ট করবেন না। - ধন্যবাদ @[254015981321666:274:স্বাস্থ্য কথন (Health Tips)]
2012-07-18 19:53:26
कृपया निम्न तथ्यों को बहुत ही ध्यान से तथा मनन करते हुए पढ़िये :- 1. 1942 के ‘भारत छोड़ो’ आन्दोलन को ब्रिटिश सरकार कुछ ही हफ्तों में कुचल कर रख देती है। 2. 1945 में ब्रिटेन विश्वयुद्ध में ‘विजयी’ देश के रुप में उभरता है। 3. ब्रिटेन न केवल इम्फाल-कोहिमा सीमा पर आजाद हिन्द फौज को पराजित करता है, बल्कि जापानी सेना को बर्मा से भी निकाल बाहर करता है। 4. इतना ही नहीं, ब्रिटेन और भी आगे बढ़कर सिंगापुर तक को वापस अपने कब्जे में लेता है। 5. जाहिर है, इतना खून-पसीना ब्रिटेन ‘भारत को आजाद करने’ के लिए तो नहीं ही बहा रहा है। अर्थात् उसका भारत से लेकर सिंगापुर तक अभी जमे रहने का इरादा है। 6. फिर 1945 से 1946 के बीच ऐसा कौन-सा चमत्कार होता है कि ब्रिटेन हड़बड़ी में भारत छोड़ने का निर्णय ले लेता है? हमारे शिक्षण संस्थानों में आधुनिक भारत का जो इतिहास पढ़ाया जाता है, उसके पन्नों में सम्भवतः इस प्रश्न का उत्तर नहीं मिलेगा। हम अपनी ओर से भी इसका उत्तर जानने की कोशिश नहीं करते- क्योंकि हम बचपन से ही सुनते आये हैं- दे दी हमें आजादी बिना खड्ग बिना ढाल, साबरमती के सन्त तूने कर दिया कमाल। इससे आगे हम और कुछ जानना नहीं चाहते। (प्रसंगवश- 1922 में असहयोग आन्दोलन को जारी रखने पर जो आजादी मिलती, उसका पूरा श्रेय गाँधीजी को जाता। मगर “चौरी-चौरा” में ‘हिंसा’ होते ही उन्होंने अपना ‘अहिंसात्मक’ आन्दोलन वापस ले लिया, जबकि उस वक्त अँग्रेज घुटने टेकने ही वाले थे! दरअसल गाँधीजी ‘सिद्धान्त’ व ‘व्यवहार’ में अन्तर नहीं रखने वाले महापुरूष हैं, इसलिए उन्होंने यह फैसला लिया। हालाँकि एक दूसरा रास्ता भी था- कि गाँधीजी ‘स्वयं अपने आप को’ इस आन्दोलन से अलग करते हुए इसकी कमान किसी और को सौंप देते। मगर यहाँ ‘अहिंसा का सिद्धान्त’ भारी पड़ जाता है- ‘देश की आजादी’ पर।) यहाँ हम 1945-46 के घटनाक्रमों पर एक निगाह डालेंगे और उस ‘चमत्कार’ का पता लगायेंगे, जिसके कारण और भी सैकड़ों वर्षों तक भारत में जमे रहने की ईच्छा रखने वाले अँग्रेजों को जल्दीबाजी में फैसला बदलकर भारत से जाना पड़ा। (प्रसंगवश- जरा अँग्रेजों द्वारा भारत में किये गये ‘निर्माणों’ पर नजर डालें- दिल्ली के ‘संसद भवन’ से लेकर अण्डमान के ‘सेल्यूलर जेल’ तक- हर निर्माण 500 से 1000 वर्षों तक कायम रहने एवं इस्तेमाल में लाये जाने के काबिल है!) *** लालकिले के कोर्ट-मार्शल के खिलाफ देश के नागरिकों ने जो उग्र प्रदर्शन किये, उससे साबित हो गया कि जनता की सहानुभूति आजाद हिन्द सैनिकों के साथ है। इस पर भारतीय सेना के जवान दुविधा में पड़ जाते हैं। फटी वर्दी पहने, आधा पेट भोजन किये, बुखार से तपते, बैलगाड़ियों में सामान ढोते और मामूली बन्दूक हाथों में लिये बहादूरी के साथ “भारत माँ की आजादी के लिए” लड़ने वाले आजाद हिन्द सैनिकों को हराकर एवं बन्दी बनाकर लाने वाले ये भारतीय जवान ही तो थे, जो “महान ब्रिटिश सम्राज्यवाद की रक्षा के लिए” लड़ रहे थे! अगर ये जवान सही थे, तो देश की जनता गलत है; और अगर देश की जनता सही है, तो फिर ये जवान गलत थे! दोनों ही सही नहीं हो सकते। सेना के भारतीय जवानों की इस दुविधा ने आत्मग्लानि का रुप लिया, फिर अपराधबोध का और फिर यह सब कुछ बगावत के लावे के रुप में फूटकर बाहर आने लगा। फरवरी 1946 में, जबकि लालकिले में मुकदमा चल ही रहा था, रॉयल इण्डियन नेवी की एक हड़ताल बगावत में रुपान्तरित हो जाती है।* कराची से मुम्बई तक और विशाखापत्तनम से कोलकाता तक जलजहाजों को आग के हवाले कर दिया जाता है। देश भर में भारतीय जवान ब्रिटिश अधिकारियों के आदेशों को मानने से इनकार कर देते हैं। मद्रास और पुणे में तो खुली बगावत होती है। इसके बाद जबलपुर में बगावत होती है, जिसे दो हफ्तों में दबाया जा सका। 45 का कोर्ट-मार्शल करना पड़ता है। यानि लालकिले में चल रहा आजाद हिन्द सैनिकों का कोर्ट-मार्शल देश के सभी नागरिकों को तो उद्वेलित करता ही है, सेना के भारतीय जवानों की प्रसिद्ध “राजभक्ति” की नींव को भी हिला कर रख देता है। जबकि भारत में ब्रिटिश राज की रीढ़ सेना की यह “राजभक्ति” ही है! *** बिल्कुल इसी चीज की कल्पना नेताजी ने की थी. जब (मार्च’44 में) वे आजाद हिन्द सेना लेकर इम्फाल-कोहिमा सीमा पर पहुँचे थे। उनका आव्हान था- जैसे ही भारत की मुक्ति सेना भारत की सीमा पर पहुँचे, देश के अन्दर भारतीय नागरिक आन्दोलित हो जायें और ब्रिटिश सेना के भारतीय जवान बगावत कर दें। इतना तो नेताजी भी जानते होंगे कि- 1. सिर्फ तीस-चालीस हजार सैनिकों की एक सेना के बल पर दिल्ली तक नहीं पहुँचा जा सकता, और 2. जापानी सेना की ‘पहली’ मंशा है- अमेरिका द्वारा बनवायी जा रही (आसाम तथा बर्मा के जंगलों से होते हुए चीन तक जानेवाली) ‘लीडो रोड’ को नष्ट करना; भारत की आजादी उसकी ‘दूसरी’ मंशा है। ऐसे में, नेताजी को अगर भरोसा था, तो भारत के अन्दर ‘नागरिकों के आन्दोलन’ एवं ‘सैनिकों की बगावत’ पर। ...मगर दुर्भाग्य, कि उस वक्त देश में न आन्दोलन हुआ और न ही बगावत। इसके भी कारण हैं। पहला कारण, सरकार ने प्रेस पर पाबन्दी लगा दी थी और यह प्रचार (प्रोपागण्डा) फैलाया था कि जापानियों ने भारत पर आक्रमण किया है। सो, सेना के ज्यादातर भारतीय जवानों की यही धारणा थी। दूसरा कारण, फॉरवर्ड ब्लॉक के कार्यकर्ताओं को गिरफ्तार कर लिया गया था, अतः आम जनता के बीच इस बात का प्रचार नहीं हो सका कि इम्फाल-कोहिमा सीमा पर जापानी सैनिक नेताजी के नेतृत्व में युद्ध कर रहे हैं। तीसरा कारण, भारतीय जवानों का मनोबल बनाये रखने के लिए ब्रिटिश सरकार ने नामी-गिरामी भारतीयों को सेना में कमीशन देना शुरु कर दिया था। इस क्रम में महान हिन्दी लेखक सच्चिदानन्द हीरानन्द वात्सयायन 'अज्ञेय' भी 1943 से 46 तक सेना में रहे और वे ब्रिटिश सेना की ओर से भारतीय जवानों का मनोबल बढ़ाने सीमा पर पहुँचे थे। (ऐसे और भी भारतीय रहे होंगे।) चौथा कारण, भारत का प्रभावशाली राजनीतिक दल काँग्रेस पार्टी गाँधीजी की ‘अहिंसा’ के रास्ते आजादी पाने का हिमायती था, उसने नेताजी के समर्थन में जनता को लेकर कोई आन्दोलन शुरु नहीं किया। (ब्रिटिश सेना में बगावत की तो खैर काँग्रेस पार्टी कल्पना ही नहीं कर सकती थी!- ऐसी कल्पना नेताजी-जैसे तेजस्वी नायक के बस की बात है। ...जबकि दुनिया जानती थी कि इन “भारतीय जवानों” की “राजभक्ति” के बल पर ही अँग्रेज न केवल भारत पर, बल्कि आधी दुनिया पर राज कर रहे हैं।) पाँचवे कारण के रुप में प्रसंगवश यह भी जान लिया जाय कि भारत के दूसरे प्रभावशाली राजनीतिक दल भारत की कम्यूनिस्ट पार्टी ने ब्रिटिश सरकार का साथ देते हुए आजाद हिन्द फौज को जापान की 'कठपुतली सेना' (पपेट आर्मी) घोषित कर रखा था। नेताजी के लिए भी अशोभनीय शब्द तथा कार्टून का इस्तेमाल उन्होंने किया था। *** खैर, जो आन्दोलन एवं बगावत 1944 में नहीं हुआ, वह डेढ़-दो साल बाद होता है और लन्दन में राजमुकुट यह महसूस करता है कि भारतीय सैनिकों की जिस “राजभक्ति” के बल पर वे आधी दुनिया पर राज कर रहे हैं, उस “राजभक्ति” का क्षरण शुरू हो गया है... और अब भारत से अँग्रेजों के निकल आने में ही भलाई है। वर्ना जिस प्रकार शाही भारतीय नौसेना के सैनिकों ने बन्दरगाहों पर खड़े जहाजों में आग लगाई है, उससे तो अँग्रेजों का भारत से सकुशल निकल पाना ही एक दिन असम्भव हो जायेगा... और भारत में रह रहे सारे अँग्रेज एक दिन मौत के घाट उतार दिये जायेंगे। लन्दन में ‘सत्ता-हस्तांतरण’ की योजना बनती है। भारत को तीन भौगोलिक तथा दो धार्मिक हिस्सों में बाँटकर इसे सदा के लिए शारीरिक-मानसिक रूप से अपाहिज बनाने की कुटिल चाल चली जाती है। और भी बहुत-सी शर्तें अँग्रेज जाते-जाते भारतीयों पर लादना चाहते हैं। (ऐसी ही एक शर्त के अनुसार रेलवे का एक कर्मचारी आज तक वेतन ले रहा है, जबकि उसका पोता पेन्शन पाता है!) इनके लिए जरूरी है कि सामने वाले पक्ष को भावनात्मक रूप से कमजोर बनाया जाय। लेडी एडविना माउण्टबेटन के चरित्र को देखते हुए बर्मा के गवर्नर लॉर्ड माउण्टबेटन को भारत का अन्तिम वायसराय बनाने का निर्णय लिया जाता है- लॉर्ड वावेल के स्थान पर। एटली की यह चाल काम कर जाती है। विधुर नेहरूजी को लेडी एडविना अपने प्रेमपाश में बाँधने में सफल रहती हैं और लॉर्ड माउण्टबेटन के लिए उनसे शर्तें मनवाना आसान हो जाता है! (लेखकद्वय लैरी कॉलिन्स और डोमेनिक लेपियरे द्वारा भारत की आजादी पर रचित प्रसिद्ध पुस्तक “फ्रीडम एट मिडनाईट” में एटली की इस चाल को रेखांकित किया गया है।) *** बचपन से ही हमारे दिमाग में यह धारणा बैठा दी गयी है कि ‘गाँधीजी की अहिंसात्मक नीतियों से’ हमें आजादी मिली है। इस धारणा को पोंछकर दूसरी धारणा दिमाग में बैठाना कि ‘नेताजी और आजाद हिन्द फौज की सैन्य गतिविधियों के कारण’ हमें आजादी मिली- जरा मुश्किल काम है। अतः नीचे खुद अँग्रेजों के ही नजरिये पर आधारित कुछ उदाहरण प्रस्तुत किये जा रहे हैं, जिन्हें याद रखने पर शायद नयी धारणा को दिमाग में बैठाने में मदद मिले- *** सबसे पहले, माईकल एडवर्ड के शब्दों में ब्रिटिश राज के अन्तिम दिनों का आकलन: “भारत सरकार ने आजाद हिन्द सैनिकों पर मुकदमा चलाकर भारतीय सेना के मनोबल को मजबूत बनाने की आशा की थी। इसने उल्टे अशांति पैदा कर दी- जवानों के मन में कुछ-कुछ शर्मिन्दगी पैदा होने लगी कि उन्होंने ब्रिटिश का साथ दिया। अगर बोस और उनके आदमी सही थे- जैसाकि सारे देश ने माना कि वे सही थे भी- तो भारतीय सेना के भारतीय जरूर गलत थे। भारत सरकार को धीरे-धीरे यह दीखने लगा कि ब्रिटिश राज की रीढ़- भारतीय सेना- अब भरोसे के लायक नहीं रही। सुभाष बोस का भूत, हैमलेट के पिता की तरह, लालकिले (जहाँ आजाद हिन्द सैनिकों पर मुकदमा चला) के कंगूरों पर चलने-फिरने लगा, और उनकी अचानक विराट बन गयी छवि ने उन बैठकों को बुरी तरह भयाक्रान्त कर दिया, जिनसे आजादी का रास्ता प्रशस्त होना था।” *** अब देखें कि ब्रिटिश संसद में जब विपक्षी सदस्य प्रश्न पूछते हैं कि ब्रिटेन भारत को क्यों छोड़ रहा है, तब प्रधानमंत्री एटली क्या जवाब देते हैं। प्रधानमंत्री एटली का जवाब दो विन्दुओं में आता है कि आखिर क्यों ब्रिटेन भारत को छोड़ रहा है- 1. भारतीय मर्सिनरी (पैसों के बदले काम करने वाली- पेशेवर) सेना ब्रिटिश राजमुकुट के प्रति वफादार नहीं रही, और 2. इंग्लैण्ड इस स्थिति में नहीं है कि वह अपनी (खुद की) सेना को इतने बड़े पैमाने पर संगठित एवं सुसज्जित कर सके कि वह भारत पर नियंत्रण रख सके। *** यही लॉर्ड एटली 1956 में जब भारत यात्रा पर आते हैं, तब वे पश्चिम बंगाल के राज्यपाल निवास में दो दिनों के लिए ठहरते हैं। कोलकाता उच्च न्यायालय के मुख्य न्यायाधीश चीफ जस्टिस पी.बी. चक्रवर्ती कार्यवाहक राज्यपाल हैं। वे लिखते हैं: “... उनसे मेरी उन वास्तविक विन्दुओं पर लम्बी बातचीत होती है, जिनके चलते अँग्रेजों को भारत छोड़ना पड़ा। मेरा उनसे सीधा प्रश्न था कि गाँधीजी का "भारत छोड़ो” आन्दोलन कुछ समय पहले ही दबा दिया गया था और 1947 में ऐसी कोई मजबूर करने वाली स्थिति पैदा नहीं हुई थी, जो अँग्रेजों को जल्दीबाजी में भारत छोड़ने को विवश करे, फिर उन्हें क्यों (भारत) छोड़ना पड़ा? उत्तर में एटली कई कारण गिनाते हैं, जिनमें प्रमुख है नेताजी की सैन्य गतिविधियों के परिणामस्वरुप भारतीय थलसेना एवं जलसेना के सैनिकों में आया ब्रिटिश राजमुकुट के प्रति राजभक्ति में क्षरण। वार्तालाप के अन्त में मैंने एटली से पूछा कि अँग्रेजों के भारत छोड़ने के निर्णय के पीछे गाँधीजी का कहाँ तक प्रभाव रहा? यह प्रश्न सुनकर एटली के होंठ हिकारत भरी मुस्कान से संकुचित हो गये जब वे धीरे से इन शब्दों को चबाते हुए बोले, “न्यू-न-त-म!” ” (श्री चक्रवर्ती ने इस बातचीत का जिक्र उस पत्र में किया है, जो उन्होंने आर.सी. मजूमदार की पुस्तक ‘हिस्ट्री ऑव बेंगाल’ के प्रकाशक को लिखा था।) *** निष्कर्ष के रुप में यह कहा जा सकता है कि:- 1. अँग्रेजों के भारत छोड़ने के हालाँकि कई कारण थे, मगर प्रमुख कारण यह था कि भारतीय थलसेना एवं जलसेना के सैनिकों के मन में ब्रिटिश राजमुकुट के प्रति राजभक्ति में कमी आ गयी थी और- बिना राजभक्त भारतीय सैनिकों के- सिर्फ अँग्रेज सैनिकों के बल पर सारे भारत को नियंत्रित करना ब्रिटेन के लिए सम्भव नहीं था। 2. सैनिकों के मन में राजभक्ति में जो कमी आयी थी, उसके कारण थे- नेताजी का सैन्य अभियान, लालकिले में चला आजाद हिन्द सैनिकों पर मुकदमा और इन सैनिकों के प्रति भारतीय जनता की सहानुभूति। 3. अँग्रेजों के भारत छोड़कर जाने के पीछे गाँधीजी या काँग्रेस की अहिंसात्मक नीतियों का योगदान नहीं के बराबर रहा। सो, अगली बार आप भी ‘दे दी हमें आजादी ...’ वाला गीत गाने से पहले जरा पुनर्विचार कर लीजियेगा।
2012-07-18 19:53:19
शेयर करे मित्रो ताकि हर हिन्दुस्तानी जान सके ....जय माँ भारती .. =================================== 1984 मे कांग्रेस द्वारा प्रायोजित और राजीव गाँधी की सहमती से हुए | -------------------------------- बहादुर कौम शिक्खो के सामूहिक नरसंहार का भयावह सच कुछ तश्वीरो द्वारा .... नीच, और कांग्रेस के हाथो बिकी मीडिया कभी इन तश्वीरो को नही दिखाएगी मित्रों, शिख भारत मे मात्र २% है लेकिन सेना और दूसरे सुरक्षा बलों मे उनकी भागीदारी ११% से भी ज्यादा है | ये एक बहादुर और सच्ची कौम है जिसने भारत मे दो दो बार त्रासदी झेली | एक बार जब इन्हें अपना परिवार जमीन आदि सब कुछ छोडकर पाकिस्तान से भारत आना पड़ा .. फिर दूसरी बार १९८४ मे जब इंदिरा गाँधी की हत्या हुई तब कांग्रेस ने इन्हें दुबारा पूरी तरह से उजाड दिया | मित्रों, इंदिरा गाँधी की हत्या के बाद शुरू मे शिखो पर छोटे मोटे हमले हुए और दो या तीन शिख मारे गए . फिर जब दूरदर्शन के एक पत्रकार ने राजीव गाँधी के इस बाबत पूछा तो उन्होंने एक बेहद गैरजिम्मेदाराना बयान दिया जिसने आग मे घी का काम किया | उन्होंने बकायदा दूरदर्शन पर कहा कि "जब जंगल मे कोई बड़ा पेड गिरता है तो आसपास की जमीन हिलने लगती है और छोटे मोटे पेड उखड जाते है " | मतलब साफ था कि राजीव गाँधी खुद सिखों का नरसंहार चाहते थे | फिर राजीव गाँधी का इशारा मिलते ही कांग्रेस के दिल्ली मे तीन बड़े नेताओ और सांसद सज्जन कुमार, तात्कालीन केबिनेट मंत्री जगदीश टाइटलर, तात्कालीन केबिनेट मंत्री हरकिशन लाल भगत मे शिखो के नरसंहार करने की होड़ मच गयी | असल मे ये तीनों ज्यादा से ज्यदा शिखो का नरसंहार करके राजीव गाँधी के गुड़ बुक मे आना चाहते थे | इस तीनों के तो बकायदा अपने गुर्गो को कह दिया की एक सरदार की पगड़ी लाने पर एक हज़ार नगद .. और एक सरदार का घर जलाने पर १०००० नगद मिलेगा | मित्रों, दिल्ली के शिख विरोधी दंगो पर सबसे दोगला रवैया भारतीय मीडिया और तथाकथित सेकुलर कुत्तों का है | जो मीडिया और सेकुलर जानवर जाकिया जाफरी, जाहिरा शेख, इशरत जहां को इंसाफ दिलाने के लिए जी जान लगा देते है वही लोग शिखो के इंसाफ के लिए क्यों नही कुछ करते ? दिल्ली के इस भयावह दंगो के दस गवाहों को जगदीश टाइटलर के ईशारे पर मौत के घाट उतार दिया गया और सैकडो गवाहों को डरा धमका कर खामोश करवा दिया गया | मित्रों, इन दंगो के बाद भी कांग्रेस अपने इन त्री रत्नों के साथ मजबूती से खड़ी रही और इन्हें टिकट देकर सांसद और मंत्री भी बनाया | जगदीश टाइटलर इन दंगो के बाद दस सालो तक केन्द्र मे केबिनेट मंत्री रहे और उन्हें ट्रांसपोर्ट, सड़क मंत्रलय जैसा भारी भरकम पद दिया गया था | उन्हें कई सालो तक कांग्रेस सेवा दल का प्रमुख भी बनाया गया था | कांग्रेस ने पिछले लोकसभा चुनावो मे भी जगदीश टाइटलर को टिकट दिया था लेकिन एक पत्रकार ने जब पी चितंबरम के उपर जूता फेककर विरोध किया जब जाकर उनका टिकट काट दिया गया | लेकिन वो जुडो फेडरेशन के आज भी चीफ बने हुए है | सज्जन कुमार भीदंगो के बाद १० सालो तककांग्रेस के सांसद रहे | --------------------------- मित्रों, हमे माफ़ करना क्योकि हमने बहुत ही रोंगटे खड़े करने वाले फोटो अपलोड किये है | लेकिन गुजरात दंगो पर अपनी छाती कुटने वाली कांग्रेस और मीडिया का सच सामने लाने के लिए ये जरूरी था | __________________________________ आभार --मित्र -जितेन्द्र प्रताप सिंह जी ..
2012-07-18 19:53:08
দয়া করে শেয়ার করুন !!!!! ইচ্ছা করলে বন্ধুদেরকে এই ছবিতে ট্যাগ (tag) করতে পারেন !!!
2012-07-18 19:53:05
মেয়েদের হিজাবে ই অনেক সুন্দর ও স্মার্ট লাগে,একমত হলে লাইক দিন আপনার ওয়ালে শেয়ার করুন আশা করি মেয়েরা আপনার ওয়ালে এটা দেখে হিজাব পরা শুরু করতে পারে,ধন্যবাদ
2012-07-18 19:52:39
आतंकियों से फिर लड़ना चाहता है 26/11 का हीरो। आतंकवादियों से मोर्चा लेते हुए खुद भी गोली खाई, इसके बावजूद अरुण जाधव उसी एटीएस टीम का हिस्सा बनना चाहते हैं। उनके इस हौसले को सलाम करते हुए लाइक और शेयर करिए... पूरी खबर पढ़ें- http://nbt.in/fdf89f9df9
2012-07-18 19:52:37
Madaktari watatu walikutana kwenye mkutano., Mchina, Mjerumani na MKENYA. Majadiliano yakawa hivi; Mchina: Kuna case moja nchini kwetu, Mtu alikatwa mkono.! Tukamtengezea mkono wa bandia na sasa anacheza karate. Mjerumani: Hiyo ndogo, sisi kwetu, Mtu alipata ajali miguu yote miwili ikakatwa. Tukatengenezaya bandia na sasa hivi ni mwanariadha ameshinda medali 3. MKENYA: Hizo case zenu zote ndogo, Hapa kwetu katika mji NYERI KIJIJI CHA OTHAYA alizaliwa mtoto hana kichwa.! Tukamwekea nazi na sasa ni rais wa nchi...Kua na sku njema..
2012-07-18 19:52:27
सिर्फ मेरे लिए एक काम कर दीजिए इस पोस्ट को जितना हो सके share करें आपका बहुत बहुत आभार होगा मुझ पर,आपसे विनती है,अगर आगे से कभी आपके घर में पार्टी/समारोह हो और खाना बच जाये या बेकार जा रहा हो तो बिना झिझके आप 1098 (केवल भारत में) पर फ़ोन करें, यह एक मजाक नहीं है - यह चाइल्ड हेल्पलाइन है। वे आयेंगे और भोजन एकत्रित करके ले जायेंगे। कृप्या इस सन्देश को ज्यादा से ज्यादा प्रसारित करें इससे उन बच्चों का पेट भर सकता है कृप्या इस श्रृंखला को तोड़े नहीं, हम चुटकुले और स्पाम मेल अपने दोस्तों और अपने नेटवर्क में करते हैं,क्यों नहीं इस बार इस अच्छे सन्देश को आगे से आगे मेल करें ताकि हम भारत को रहने के लिए दुनिया की सबसे अच्छी जगह बनाने में सहयोग कर सकें- "मदद करने वाले हाथ प्रार्थना करने वाले होंठो से अच्छे होते हैं" हमें अपना मददगार हाथ दें। भगवान की तसवीरें फॉरवर्ड करने से किसी को गुड लक मिला या नहीं मालूम नहीं पर एक मेल अगर भूखे बच्चे तक खाना फॉरवर्ड कर सके तो यह ज्यादा बेहतर है। कृपया क्रम जारी रखें.... ||जय हिन्द||
2012-07-18 19:52:10
.............মাহে রমজানের ডাক.................... "হে ঈমানদারগণ ! তোমাদের উপর রোজা ফরজ করা হয়েছে যেমনি ফরজ করা হয়েছিল পূর্ববর্তী উম্মতের উপর, যাতে করে তোমরা তাকওয়া (খোদাভীতি) অর্জন করতে পারো।" -সূরা বাকারা :১৮৩ >> রমজানের পবিত্রতা রক্ষা করুন। >> কুরআন, কুরআন বুঝুন, আল-কুরআনের সমাজ গড়ুন। >> সুদ, ঘুষ, মদ, জুয়া ও দুর্নীতি থেকে বিরত থাকুন। >> দিনের বেলা হোটেল-রেস্তোরা বন্ধ রাখুন। >> সিনেমা ও টেলিভিশনে অশ্লীল ছায়াছবি প্রদর্শন বন্ধ রাখুন। >> নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখুন। আহবানে-"বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির"
2012-07-18 19:51:56
T 808 -बचपन की वो अमीरी न जाने कहाँ खो गयी , वर्ना , कभी बारिश के पानी में हमारे भी जहाज़ चला करते थे !! ~
2012-07-18 19:51:30
||बहन प्रज्ञा की मार्मिक दशा : एक साध्वी को हिन्दू होने की सजा और कितनी देर तक|| बहन प्रज्ञा की सचाई अवश्य पढ़े | मैं साध्वी प्रज्ञा चंद्रपाल सिंह ठाकुर, उम्र-38 साल, पेशा-कुछ नहीं, 7 गंगा सागर ...अपार्टमेन्ट, कटोदरा, सूरत,गुजरात राज्य की निवासी हूं जबकि मैं मूलतः मध्य प्रदेश की निवासिनी हूं. कुछ साल पहले हमारे अभिभावक सूरत आकर बस गये. पिछले कुछ सालों से मैं अनुभव कर रही हूं कि भौतिक जगत से मेरा कटाव होता जा रहा है. आध्यात्मिक जगत लगातार मुझे अपनी ओर आकर्षित कर रहा था. इसके कारण मैंने भौतिक जगत को अलविदा करने का निश्चय कर लिया और 30-01-2007 को संन्यासिन हो गयी. जब से सन्यासिन हुई हूं मैं अपने जबलपुर वाले आश्रम से निवास कर रही हूं. आश्रम में मेरा अधिकांश समय ध्यान-साधना, योग, प्राणायम और आध्यात्मिक अध्ययन में ही बीतता था. आश्रम में टीवी इत्यादि देखने की मेरी कोई आदत नहीं है, यहां तक कि आश्रम में अखबार की कोई समुचित व्यवस्था भी नहीं है. आश्रम में रहने के दिनों को छोड़ दें तो बाकी समय मैं उत्तर भारत के ज्यादातर हिस्सों में धार्मिक प्रवचन और अन्य धार्मिक कार्यों को संपन्न कराने के लिए उत्तर भारत में यात्राएं करती हूं. 23-9-2008 से 4-10-2008 के दौरान मैं इंदौर में थी और यहां मैं अपने एक शिष्य अण्णाजी के घर रूकी थी. 4 अक्टूबर की शाम को मैं अपने आश्रम जबलपुर वापस आ गयी. 7-10-2008 को जब मैं अपने जबलपुर के आश्रम में थी तो शाम को महाराष्ट्र से एटीएस के एक पुलिस अधिकारी का फोन मेरे पास आया जिन्होंने अपना नाम सावंत बताया. वे मेरी एलएमएल फ्रीडम बाईक के बारे में जानना चाहते थे. मैंने उनसे कहा कि वह बाईक तो मैंने बहुत पहले बेच दी है. अब मेरा उस बाईक से कोई नाता नहीं है. फिर भी उन्होंने मुझे कहा कि अगर मैं सूरत आ जाऊं तो वे मुझसे कुछ पूछताछ करना चाहते हैं. मेरे लिए तुरंत आश्रम छोड़कर सूरत जाना संभव नहीं था इसलिए मैंने उन्हें कहा कि हो सके तो आप ही जबलपुर आश्रम आ जाईये, आपको जो कुछ पूछताछ करनी है कर लीजिए. लेकिन उन्होंने जबलपुर आने से मना कर दिया और कहा कि जितनी जल्दी हो आप सूरत आ जाईये. फिर मैंने ही सूरत जाने का निश्चय किया और ट्रेन से उज्जैन के रास्ते 10-10-2008 को सुबह सूरत पहुंच गयी. रेलवे स्टेशन पर भीमाभाई पसरीचा मुझे लेने आये थे. उनके साथ मैं उनके निवासस्थान एटाप नगर चली गयी. यहीं पर सुबह के कोई 10 बजे मेरी सावंत से मुलाकात हुई जो एलएमएल बाईक की खोज करते हुए पहले से ही सूरत में थे. सावंत से मैंने पूछा कि मेरी बाईक के साथ क्या हुआ और उस बाईक के बारे में आप पडताल क्यों कर रहे हैं? श्रीमान सावंत ने मुझे बताया कि पिछले सप्ताह सितंबर में मालेगांव में जो विस्फोट हुआ है उसमें वही बाईक इस्तेमाल की गयी है. यह मेरे लिए भी बिल्कुल नयी जानकारी थी कि मेरी बाईक का इस्तेमाल मालेगांव धमाकों में किया गया है. यह सुनकर मैं सन्न रह गयी. मैंने सावंत को कहा कि आप जिस एलएमएल फ्रीडम बाईक की बात कर रहे हैं उसका रंग और नंबर वही है जिसे मैंने कुछ साल पहले बेच दिया था. सूरत में सावंत से बातचीत में ही मैंने उन्हें बता दिया था कि वह एलएमएल फ्रीडम बाईक मैंने अक्टूबर 2004 में ही मध्यप्रदेश के श्रीमान जोशी को 24 हजार में बेच दी थी. उसी महीने में मैंने आरटीओ के तहत जरूरी कागजात (टीटी फार्म) पर हस्ताक्षर करके बाईक की लेन-देन पूरी कर दी थी. मैंने साफ तौर पर सावंत को कह दिया था कि अक्टूबर 2004 के बाद से मेरा उस बाईक पर कोई अधिकार नहीं रह गया था. उसका कौन इस्तेमाल कर रहा है इससे भी मेरा कोई मतलब नहीं था. लेकिन सावंत ने कहा कि वे मेरी बात पर विश्वास नहीं कर सकते. इसलिए मुझे उनके साथ मुंबई जाना पड़ेगा ताकि वे और एटीएस के उनके अन्य साथी इस बारे में और पूछताछ कर सकें. पूछताछ के बाद मैं आश्रम आने के लिए आजाद हूं. यहां यह ध्यान देने की बात है कि सीधे तौर पर मुझे 10-10-2008 को गिरफ्तार नहीं किया गया. मुंबई में पूछताछ के लिए ले जाने की बाबत मुझे कोई सम्मन भी नहीं दिया गया. जबकि मैं चाहती तो मैं सावंत को अपने आश्रम ही आकर पूछताछ करने के लिए मजबूर कर सकती थी क्योंकि एक नागरिक के नाते यह मेरा अधिकार है. लेकिन मैंने सावंत पर विश्वास किया और उनके साथ बातचीत के दौरान मैंने कुछ नहीं छिपाया. मैं सावंत के साथ मुंबई जाने के लिए तैयार हो गयी. सावंत ने कहा कि मैं अपने पिता से भी कहूं कि वे मेरे साथ मुंबई चलें. मैंने सावंत से कहा कि उनकी बढ़ती उम्र को देखते हुए उनको साथ लेकर चलना ठीक नहीं होगा. इसकी बजाय मैंने भीमाभाई को साथ लेकर चलने के लिए कहा जिनके घर में एटीएस मुझसे पूछताछ कर रही थी. शाम को 5.15 मिनट पर मैं, सावंत और भीमाभाई सूरत से मुंबई के लिए चल पड़े. 10 अक्टूबर को ही देर रात हम लोग मुंबई पहुंच गये. मुझे सीधे कालाचौकी स्थित एटीएस के आफिस ले जाया गया था. इसके बाद अगले दो दिनों तक एटीएस की टीम मुझसे पूछताछ करती रही. उनके सारे सवाल 29-9-2008 को मालेगांव में हुए विस्फोट के इर्द-गिर्द ही घूम रहे थे. मैं उनके हर सवाल का सही और सीधा जवाब दे रही थी. अक्टूबर को एटीएस ने अपनी पूछताछ का रास्ता बदल दिया. अब उसने उग्र होकर पूछताछ करना शुरू किया. पहले उन्होंने मेरे शिष्य भीमाभाई पसरीचा (जिन्हें मैं सूरत से अपने साथ लाई थी) से कहा कि वह मुझे बेल्ट और डंडे से मेरी हथेलियों, माथे और तलुओं पर प्रहार करे. जब पसरीचा ने ऐसा करने से मना किया तो एटीएस ने पहले उसको मारा-पीटा. आखिरकार वह एटीएस के कहने पर मेरे ऊपर प्रहार करने लगा. कुछ भी हो, वह मेरा शिष्य है और कोई शिष्य अपने गुरू को चोट नहीं पहुंचा सकता. इसलिए प्रहार करते वक्त भी वह इस बात का ध्यान रख रहा था कि मुझे कोई चोट न लग जाए. इसके बाद खानविलकर ने उसको किनारे धकेल दिया और बेल्ट से खुद मेरे हाथों, हथेलियों, पैरों, तलुओं पर प्रहार करने लगा. मेरे शरीर के हिस्सों में अभी भी सूजन मौजूद है. 13 तारीख तक मेरे साथ सुबह, दोपहर और रात में भी मारपीट की गयी. दो बार ऐसा हुआ कि भोर में चार बजे मुझे जगाकर मालेगांव विस्फोट के बारे में मुझसे पूछताछ की गयी. भोर में पूछताछ के दौरान एक मूछवाले आदमी ने मेरे साथ मारपीट की जिसे मैं अभी भी पहचान सकती हूं. इस दौरान एटीएस के लोगों ने मेरे साथ बातचीत में बहुत भद्दी भाषा का इस्तेमाल करना शुरू कर दिया. मेरे गुरू का अपमान किया गया और मेरी पवित्रता पर सवाल किये गये. मुझे इतना परेशान किया गया कि मुझे लगा कि मेरे सामने आत्महत्या करने के अलावा अब कोई रास्ता नहीं बचा है. 14 अक्टूबर को सुबह मुझे कुछ जांच के लिए एटीएस कार्यालय से काफी दूर ले जाया गया जहां से दोपहर में मेरी वापसी हुई. उस दिन मेरी पसरीचा से कोई मुलाकात नहीं हुई. मुझे यह भी पता नहीं था कि वे (पसरीचा) कहां है. 15 अक्टूबर को दोपहर बाद मुझे और पसरीचा को एटीएस के वाहनों में नागपाड़ा स्थित राजदूत होटल ले जाया गया जहां कमरा नंबर 315 और 314 में हमे क्रमशः बंद कर दिया गया. यहां होटल में हमने कोई पैसा जमा नहीं कराया और न ही यहां ठहरने के लिए कोई खानापूर्ति की. सारा काम एटीएस के लोगों ने ही किया. मुझे होटल में रखने के बाद एटीएस के लोगों ने मुझे एक मोबाईल फोन दिया. एटीएस ने मुझे इसी फोन से अपने कुछ रिश्तेदारों और शिष्यों (जिसमें मेरी एक महिला शिष्य भी शामिल थी) को फोन करने के लिए कहा और कहा कि मैं फोन करके लोगों को बताऊं कि मैं एक होटल में रूकी हूं और सकुशल हूं. मैंने उनसे पहली बार यह पूछा कि आप मुझसे यह सब क्यों कहलाना चाह रहे हैं. समय आनेपर मैं उस महिला शिष्य का नाम भी सार्वजनिक कर दूंगी. एटीएस की इस प्रताड़ना के बाद मेरे पेट और किडनी में दर्द शुरू हो गया. मुझे भूख लगनी बंद हो गयी. मेरी हालत बिगड़ रही थी. होटल राजदूत में लाने के कुछ ही घण्टे बाद मुझे एक अस्पताल में भर्ती करा दिया गया जिसका नाम सुश्रुसा हास्पिटल था. मुझे आईसीयू में रखा गया. इसके आधे घण्टे के अंदर ही भीमाभाई पसरीचा भी अस्पताल में लाये गये और मेरे लिए जो कुछ जरूरी कागजी कार्यवाही थी वह एटीएस ने भीमाभाई से पूरी करवाई. जैसा कि भीमाभाई ने मुझे बताया कि श्रीमान खानविलकर ने हास्पिटल में पैसे जमा करवाये. इसके बाद पसरीचा को एटीएस वहां से लेकर चली गयी जिसके बाद से मेरा उनसे किसी प्रकार का कोई संपर्क नहीं हो पाया है. इस अस्पताल में कोई 3-4 दिन मेरा इलाज किया गया. यहां मेरी स्थिति में कोई सुधार नहीं हो रहा था तो मुझे यहां से एक अन्य अस्पताल में ले जाया गया जिसका नाम मुझे याद नहीं है. यह एक ऊंची ईमारत वाला अस्पताल था जहां दो-तीन दिन मेरा ईलाज किया गया. इस दौरान मेरे साथ कोई महिला पुलिसकर्मी नहीं रखी गयी. न ही होटल राजदूत में और न ही इन दोनो अस्पतालों में. होटल राजदूत और दोनों अस्पताल में मुझे स्ट्रेचर पर लाया गया, इस दौरान मेरे चेहरे को एक काले कपड़े से ढंककर रखा गया. दूसरे अस्पताल से छुट्टी मिलने के बाद मुझे फिर एटीएस के आफिस कालाचौकी लाया गया. इसके बाद 23-10-2008 को मुझे गिरफ्तार किया गया. गिरफ्तारी के अगले दिन 24-10-2008 को मुझे मुख्य न्यायिक मजिस्ट्रेट, नासिक की कोर्ट में प्रस्तुत किया गया जहां मुझे 3-11-2008 तक पुलिस कस्टडी में रखने का आदेश हुआ. 24 तारीख तक मुझे वकील तो छोड़िये अपने परिवारवालों से भी मिलने की इजाजत नहीं दी गयी. मुझे बिना कानूनी रूप से गिरफ्तार किये ही 23-10-2008 के पहले ही पालीग्रैफिक टेस्ट किया गया. इसके बाद 1-11-2008 को दूसरा पालिग्राफिक टेस्ट किया गया. इसी के साथ मेरा नार्को टेस्ट भी किया गया. मैं कहना चाहती हूं कि मेरा लाई डिटेक्टर टेस्ट और नार्को एनेल्सिस टेस्ट बिना मेरी अनुमति के किये गये. सभी परीक्षणों के बाद भी मालेगांव विस्फोट में मेरे शामिल होने का कोई सबूत नहीं मिल रहा था. आखिरकार 2 नवंबर को मुझे मेरी बहन प्रतिभा भगवान झा से मिलने की इजाजत दी गयी. मेरी बहन अपने साथ वकालतनामा लेकर आयी थी जो उसने और उसके पति ने वकील गणेश सोवानी से तैयार करवाया था. हम लोग कोई निजी बातचीत नहीं कर पाये क्योंकि एटीएस को लोग मेरी बातचीत सुन रहे थे. आखिरकार 3 नवंबर को ही सम्माननीय अदालत के कोर्ट रूम में मैं चार-पांच मिनट के लिए अपने वकील गणेश सोवानी से मिल पायी. 10 अक्टूबर के बाद से लगातार मेरे साथ जो कुछ किया गया उसे अपने वकील को मैं चार-पांच मिनट में ही कैसे बता पाती? इसलिए हाथ से लिखकर माननीय अदालत को मेरा जो बयान दिया था उसमें विस्तार से पूरी बात नहीं आ सकी. इसके बाद 11 नवंबर को भायखला जेल में एक महिला कांस्टेबल की मौजूदगी में मुझे अपने वकील गणेश सोवानी से एक बार फिर 4-5 मिनट के लिए मिलने का मौका दिया गया. इसके अगले दिन 13 नवंबर को मुझे फिर से 8-10 मिनट के लिए वकील से मिलने की इजाजत दी गयी. इसके बाद शुक्रवार 14 नवंबर को शाम 4.30 मिनट पर मुझे मेरे वकील से बात करने के लिए 20 मिनट का वक्त दिया गया जिसमें मैंने अपने साथ हुई सारी घटनाएं सिलसिलेवार उन्हें बताई, जिसे यहां प्रस्तुत किया गया है. (मालेगांव बमकांड के संदेह में गिरफ्तार साध्वी प्रज्ञा सिंह ठाकुर द्वारा नासिक कोर्ट में दिये गये शपथपत्र पर आधारित.) कृपया इसे व्यापक स्तर पर शेयर करें और लोगों तक पंहुचाएं जिससे की साध्वी प्रज्ञा के लिए न्याय की आशा अत्यधिक बलवती हो ....जय श्री राम फेसबुक पर सदस्य बने लिँक पर कलीक करेँ Like this page www.facebook.com/merauttarpradesh thankx
2012-07-18 19:51:22
श्री राम जी के वजूद के प्रमाण , शेयर करना न भूलें आज हम कहते हैं की राम जी थे ...पर आत्मा में कहीं ये न सोच ले की नहीं थे .....विश्वास को पुष्ट रखना मेरे मित्रों दुश्मन ki शक्तियां हमारी आस्था की सच्चाई को न डिगाने पाए हम करें राष्ट्र आराधन ....तन से,मन से,जीवन से ....""" भगवान रामचन्द्र जी के १४ वर्षों के वनवास यात्रा का विवरण >>>> पुराने उपलब्ध प्रमाणों और राम अवतार जी के शोध और अनुशंधानों के अनुसार कुल १९५ स्थानों पर राम और सीता जी के पुख्ता प्रमाण मिले हैं जिन्हें ५ भागों में वर्णित कर रहा हूँ १.>>>वनवास का प्रथम चरण गंगा का अंचल >>> सबसे पहले राम जी अयोध्या से चलकर तमसा नदी (गौराघाट,फैजाबाद,उत्तर प्रदेश) को पार किया जो अयोध्या से २० किमी की दूरी पर है | आगे बढ़ते हुए राम जी ने गोमती नदी को पर किया और श्रिंगवेरपुर (वर्त्तमान सिंगरोर,जिला इलाहाबाद )पहुंचे ...आगे 2 किलोमीटर पर गंगा जी थीं और यहाँ से सुमंत को राम जी ने वापस कर दिया | बस यही जगह केवट प्रसंग के लिए प्रसिद्ध है | इसके बाद यमुना नदी को संगम के निकट पार कर के राम जी चित्रकूट में प्रवेश करते हैं| वाल्मीकि आश्रम,मंडव्य आश्रम,भारत कूप आज भी इन प्रसंगों की गाथा का गान कर रहे हैं | भारत मिलाप के बाद राम जी का चित्रकूट से प्रस्थान ,भारत चरण पादुका लेकर अयोध्या जी वापस | अगला पड़ाव श्री अत्रि मुनि का आश्रम २.बनवास का द्वितीय चरण दंडक वन(दंडकारन्य)>>> घने जंगलों और बरसात वाले जीवन को जीते हुए राम जी सीता और लक्षमण सहित सरभंग और सुतीक्षण मुनि के आश्रमों में पहुचते हैं | नर्मदा और महानदी के अंचल में उन्होंने अपना ज्यादा जीवन बिताया ,पन्ना ,रायपुर,बस्तर और जगदलपुर में तमाम जंगलों ,झीलों पहाड़ों और नदियों को पारकर राम जी अगस्त्य मुनि के आश्रम नाशिक पहुँचते हैं | जहाँ उन्हें अगस्त्य मुनि, अग्निशाला में बनाये हुए अपने अशत्र शस्त्र प्रदान करते हैं | ३.वनवास का तृतीय चरण गोदावरी अंचल >>> अगस्त्य मुनि से मिलन के पश्चात राम जी पंचवटी (पांच वट वृक्षों से घिरा क्षेत्र ) जो आज भी नाशिक में गोदावरी के तट पर है यहाँ अपना निवास स्थान बनाये |यहीं आपने तड़का ,खर और दूषण का वध किया | यही वो "जनस्थान" है जो वाल्मीकि रामायण में कहा गया है ...आज भी स्थित है नाशिक में जहाँ मारीच का वध हुआ वह स्थान मृग व्यघेश्वर और बानेश्वर नाम से आज भी मौजूद है नाशिक में | इसके बाद ही सीता हरण हुआ ....जटायु की मृत्यु सर्वतीर्थ नाम के स्थान पार हुई जो इगतपुरी तालुका नाशिक के ताकीद गाँव में मौजूद है |दूरी ५६ किमी नाशिक से | >>>>>>> >>>>>>> इस स्थान को सर्वतीर्थ इसलिए कहा गया क्यों की यहीं पर मरणसन्न जटायु ने बताया था की सम्राट दशरथ की मृत्यु हो गई है ...और राम जी ने यहाँ जटायु का अंतिम संस्कार कर के पिता और जटायु का श्राद्ध तर्पण किया था | यद्यपि भारत ने भी अयोध्या में किया था श्राद्ध ,मानस में प्रसंग है "भरत किन्ही दस्गात्र विधाना " >>>>>>> >>>>>>> ४.वनवास का चतुर्थ चरण तुंगभद्रा और कावेरी के अंचल में >>>> सीता की तलाश में राम लक्षमण जटायु मिलन और कबंध बाहुछेद कर के ऋष्यमूक पर्वत की ओर बढे ....| रास्ते में पंपा सरोवर के पास शबरी से मुलाकात हुई और नवधा भक्ति से शबरी को मुक्ति मिली |जो आज कल बेलगाँव का सुरेवन का इलाका है और आज भी ये बेर के कटीले वृक्षों के लिए ही प्रसिद्ध है | चन्दन के जंगलों को पार कर राम जी ऋष्यमूक की ओर बढ़ते हुए हनुमान और सुग्रीव से मिले ,सीता के आभूषण प्राप्त हुए और बाली का वध हुआ ....ये स्थान आज भी कर्णाटक के बेल्लारी के हम्पी में स्थित है | ५.बनवास का पंचम चरण समुद्र का अंचल >>>> कावेरी नदी के किनारे चलते ,चन्दन के वनों को पार करते कोड्डीकराई पहुचे पर पुनः पुल के निर्माण हेतु रामेश्वर आये जिसके हर प्रमाण छेदुकराई में उपलब्ध है |सागर तट के तीन दिनों तक अन्वेषण और शोध के बाद राम जी ने कोड्डीकराई और छेदुकराई को छोड़ सागर पर पुल निर्माण की सबसे उत्तम स्थिति रामेश्वरम की पाई ....और चौथे दिन इंजिनियर नल और नील ने पुल बंधन का कार्य प्रारम्भ किया |
2012-07-18 19:51:17
सांप सबसे पहले उसे ही डंसता है जो उसे दूध पिलाने जाता है....यह बात हमारे देश के सेक्युलर कुत्तों को एक दिन समझ में तो आएगी, मगर बहुत देर से! प्रो. ब्रिजनारायण लाहौर के रहने वाले प्रख्यात विद्वान थे, जिनकी लिखी अर्थशास्त्र की पुस्तकें अविभाजित भारत में विश्वविद्यालयों में पढाई जाती थीं. वे जिन्ना की आधुनिक जीवन शैली से बहुत प्रभावित थे, और स्वयं भी घोर धर्मनिरपेक्ष और उदारवादी थे. उन्होंने पाकिस्तान की आर्थिक आत्मनिर्भरता और समृद्धि के पक्ष में बहुत जोरदार तर्क दिए, और पाकिस्तान के निर्माण का समर्थन किया. जब विभाजन हो गया और पूरा लाहौर जल रहा था, तब भी उन्हें विश्वास था की उनके जैसे पाकिस्तान समर्थक हिन्दू पाकिस्तान में दूसरी कौमों की तरह अधिकार से रह सकते हैं. तभी दंगाइयों की भीड़ उनके दरवाजे पर पहुंची और उन्हें बाहर निकाल कर बेरहमी से क़त्ल कर डाला, उनकी यह दलील कुछ काम नहीं आई की उन्होंने तो पकिस्तान का समर्थन किया था. क्या आप ने सुना है की कोई धर्म दोगली निति पर टिका हो या दो मुहे साँप की तरह अपना वर्चस्व बना कर लोगो को मुर्ख बना रहा हो.....जी हा “इस्लाम” ! अब जैसा धर्म होगा वैसे ही उसके अनुयायी होंगे....कहने का मतलब एक मुह से दूध पीना और दूसरे मुह से पिलाने वाले को ही डसना..............मुसलमानों का छल-कपट ,विश्वासघात ,मक्कारी और धोखे की नीति दुनिया भर में कुख्यात है .ऐसे कई उदाहरण मिल जायेंगे कि जिसने भी मुसलमानों की कसमों या उनकी बातों पर विशवास किया उसे जरूर किसी संकट का सामना करना पडा. तो सूअर सेकुलरों जरा ध्यान से ये पोस्ट पढ़ो और फिर इन मुल्ले मुल्लियो को अपना भाई-भोजाई बनाना..... वैसे मे जानता हू की तुम बिना लात खाए सुधरोगे नहीं...और हां कृपया कर के अपना तर्क अपने पास ही रखना मेरे मुह ना लगना....वैसे तो तुम लोग मुल्लो से भी ज्यादा खतरनाक हो........ ”सुधर जाओ मनहूसो” अक्सर मुसलमान यह बात कहते हैं ,कि हम तो अपने ईमान के पक्के हैं .क्योंकि मुसलमान शब्द का मतलब ही है "मुसल्लम ईमान "यानी पूरा ईमान .लोग गलती से ईमान का तात्पर्य उनकी सत्यवादिता या उनकी आस्था समझ लेते हैं (जो है नहीं) . लेकिन बहुत कम लोग जानते हैं कि ,मुसलमानों के दो गुप्त ईमान policies और भी हैं ,जिनका प्रयोग मुसलमान खुद को बचाने और दूसरों को धोखा देने में करते हैं .मुसलमानों कि इन दो नीतियों Policies या ईमान का नाम है ,तकिय्या और कितमान .इनका विवरण इस प्रकार है - 1 -तकिय्या تقيه Taqiyya इसका अर्थ है छल, ढोंग ,ढकोसला,दिखावा ,सत्य को नकारना ,बहाने बनाना आदि हैं उदाहरण -जब किसी इस्लामी किताब में कोई खराब बात बताई जाती है ,तो मुसलमान कसते है कि ,अनुवाद गलत है ,अमुक शब्द का अर्थ कुछ और है,हम इस फतवे या हदीस को नहीं मानते ,या यह आयत मंसूख (रद्द )हो चुकी है .आदि 2 -कितमान كِتمان Kitaman इसका अर्थ है आड़,झूठ,मिथ्या आरोप लगाना आदि उदाहरण -जब मुसलमानों की गलतियाँ पकड़ी जाती हैं ,तो वह खुद को निर्दोष साबित करने लिए दूरारों में वही गलतियां बताने लगते है ,और लोगों को गुमराह करने के लिए गालीगालोच करने लगते हैं ,दवाब डालने के लिए हंग्गामा करते हैं ,हिंसा करते है .आदि मुसलमानों के विशासघात के उदाहरण 1 -मुहम्मद गौरी ने 17 बार कुरआन की कसम खाई थी कि भारत पर हमला नहीं करेगा ,लेकिन हमला किया ] 2 -अलाउद्दीन खिलजी ने चित्तोड़ के राणा रतन सिंह को दोस्ती के बहाने बुलाया फिर क़त्ल कर दिया 3 -औरंगजेब ने शिवाजी को दोस्ती के बहाने आगरा बुलाया फिर धोखे से कैद कर लिया . 4 -औरंगजेब ने कुरआन की कसम खाकर श्री गोविन्द सिघ को आनद पुर से सुरक्षित जाने देने का वादा किया था .फिर हमला किया था 5 -अफजल खान ने दोस्ती के बहाने शिवाजी की ह्त्या का प्रयत्न किया था . ६-मित्रता की बातें कहकर पाकिस्तान ने कारगिल पर हमला किया था . अगर हम इतिहास से सबक नहीं लेकर मुसलमानों की शांति और दोस्ती की बातों मे आते रहे तो हमेशा नुकसान उठाते रहेंगे. ..................................... जय महाकाल !!!''''''''''''''''
2012-07-18 19:50:18
काका राजा जैसी जिंदगी जिए और राजा जैसे ही अलविदा किया ! एक उनके साथ के व्यक्ति का प्रकरण बताना चाहुगा... काका एक बार विदेश से लौटे थे कई लोग उनकी आवाभागत में लगे थे ,काका सिगरेट काफी पिया करते थे ,काका ने सिगरेट निकली जैसे ही मुह में लगायी कई लोग लाईटर जला दिए सिगरेट सुलगाने के लिये ....जिन जनाब के लाईटर से उन्होंने सिगरेट सुलगाई ,उसका लाईटर कुछ अलग था ,काका को पसंद आ गया ..काका नी तारीफ की लाईटर की ,जिनका था उन्होंने बोला ,काका आप ही का दिया है आप रख ले ,काका बोले यार तुम इस लाईटर के बदले में कुछ ले लो ,पर जनाब ने माना किया ,काका लाईटर लौटने लगे ,तो लाईटर के मिलिक ने कहा काका आप की ये चमचमती विदेशी कार मुझे बहुत अच्छी लगती है ,काका लाईटर रख ,कार की चाभी उनको देते हुए ,टैक्सी कर अपने घर चले गए .. और भी कई लोग काका को खुश कर कई फ्लैट ,पैसा ,रुतबा पाने में सफल रहे थे ,काका अपनी जिंदगी में बहुत लोगों को बहुत कुछ निस्वार्थ दिया .......ये अजीब बात है की एक राजा की जिंदगी का आखरी समय एकांत वास में बिता... एक सच्ची मोहब्बत से भरी ,जिंदगी से ज्यादा जिंदगी जीने वाला शक्स राजेश खन्ना आज हमारे बीच में नहीं है पर दिल नहीं मानता ......लगता है कही से आवाज आयगी ए बाबु मोशाय ..................... @[392531164140078:274:Phata Poster Nikla HERO]
2012-07-18 19:49:44
hmmm.....
পাওয়া না-পাওয়ার হিসেবটা ভাগ্যের হাতে ছেড়ে দিয়ে ভালবাসার মানুষটাকে এমন ভাবে ভালবাসুন, যেন কখনও নিজের কারণে তাকে ফিরিয়ে দিতে না হয়। "ভালবাসি" শব্দটাকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মিথ্যে কোথায় পরিণত না করে, ভালবাসাকে সম্মান করার চেষ্টা করুন। নইলে ভালবাসার কোনও দরকার নেই আপনার, যদি ভালবাসার মর্যাদা না রাখতে পারেন। প্রতিটা ভালবাসায় এমন কিছু মুহূর্ত আসে যখন নিজেকে ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে আর তখন যে ভালবাসাকে বুকে ধরে রাখে, সেই একমাত্র ভালবাসার অধিকার রাখে। বাকিরা সারাজীবন ভালবাসা ভালবাসা করে হাহাকার করে মরে আর তাদের কারণে কিছু হৃদয় ভালবাসাকে ঘৃণা করতে শুরু করে। শুভকামনা রইল সেইসব ভালবাসাকে, যে ভালবাসা বেঁচে থাকে হৃদয় থেকে হৃদয়ে চিরসবুজ;যে ভালবাসা মানুষকে কাছে তানে;যে ভালবাসা কখনও দূরে হারিয়ে না যেয়ে পাশে থাকার প্রতিজ্ঞা করে সারাজীবন।
2012-07-18 19:49:39 1 votes
প্রথমেই বলে নিচ্ছিঃ ছবিটি শেয়ার করে হয়তো আপনিও কারো জীবন বাঁচাতে পারবেন। (খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি পোষ্ট, প্রয়োজনে খুঁজে নিতে নিজেকে/ বন্ধুদের ট্যাগ করে নিতে পারেন।) - STROKE স্ট্রোকঃ মনে রাখুন শব্দটির প্রথম ৩টি অক্ষরঃ S, T এবং R আমরা সবাই-ই যদি এই ছোট্ট সাধারণ সণাক্তকরণ উপায়টা শিখে ফেলি, তবে হয়তো আমরা স্ট্রোকের ভয়ংকর অভিজ্ঞতা থেকে আমাদের প্রিয়জনদের রক্ষা করতে পারবো। একটি সত্যি গল্পঃ একটা অনুষ্ঠানে গিয়ে একজন ভদ্রমহিলা হঠাৎ হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলেন। উঠে দাঁড়িয়ে তিনি বললেন, সবকিছু ঠিক আছে, মেঝের টাইলসে তার নতুন জুতোর হীল বেঁধে যাওয়ায় তিনি পড়ে গিয়েছিলেন। কেউ একজন এম্বুলেন্স ডাকার কথা বললেও তিনি তাতে রাজি হলেন না। সবকিছু ঠিকঠাক করে, পরিস্কার করে তিনি নতুন করে প্লেটে খাবার নিলেন। যদিও মনে হচ্ছিলো যেন তিনি একটু কেঁপে কেঁপে উঠছেন। অনুষ্ঠানের সম্পূর্ণ সময় জুড়েই তিনি উপস্থিত থাকলেন। পরদিন দুপুরে ভদ্রমহিলার স্বামী ফোন করে জানালেন, তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সন্ধ্যা ছয়টার সময় তিনি মারা গেলেন। মূল যে ঘটনা ঘটেছিল, তা হলো, তিনি অনুষ্ঠান চলাকালীন সময় স্ট্রোক করেছিলেন। সেখানে যদি কেউ জানতেন, কিভাবে স্ট্রোক সনাক্ত করা সম্ভব, তাহলে হয়তো ভদ্রমহিলা আজও বেঁচে থাকতেন। সবাই যে মৃত্যুবরণ করে, তা নয়। অনেকের ঠাঁই হয় বিছানায়, সাহায্যহীন, ভরসাহীন মূমুর্ষূ অবস্থায়। মাত্র তিনটা মিনিট সময় নিয়ে এটা পড়ে ফেলুন। একজন মস্তিষ্কবিশেষজ্ঞ বলেছেন, যদি একজন স্ট্রোকের শিকার রোগীকে স্ট্রোক হবার তিন ঘন্টার মধ্যে হাসপাতালে নেয়া যায়, তবে তাকে সম্পূর্ণভাবে সুস্থ অবস্থায় ফেরত পাওয়া সম্ভব। শুধু আমাদের জানতে হবে কিভাবে স্ট্রোক চেনা যায়, এবং কিভাবে রোগীকে উল্লেখ্য সময়ের মধ্যে মেডিকেল কেয়ারে নেয়া যায়। স্ট্রোককে চিনুন... সহজ তিনটি ধাপঃ- S T ও R...পড়ুন এবং জানুন! মাঝে মাঝে স্ট্রোকের উপসর্গ সনাক্ত করা অনেক কঠিন হয়ে পড়ে। আমাদের অজ্ঞতার কারণেই নেমে আসে যাবতীয় দুর্যোগ। স্ট্রোকের শিকার রোগীর মস্তিষ্কে যখন ভয়ানক রকম ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে, পাশে দাঁড়ানো প্রিয়জনটিই হয়তো বুঝতে পারছে না, কি অপেক্ষা করছে তাদের কাছের মানুষের জীবনে। সহজ উপায়ে স্ট্রোক সনাক্ত করার উপায়, সহজ তিনটি প্রশ্ন জিজ্ঞেস করুনঃ S – Smile রোগীকে হাসতে বলুন। T – Talk রোগীকে আপনার সাথে সাথে একটি বাক্য বলতে বলুন। উদাহরণঃ আজকের দিনটা অনেক সুন্দর। R – Raise hands. রোগীকে একসাথে দুইহাত উপরে তুলতে বলুন। এর কোনো একটিতে যদি রোগীর সমস্যা বা কষ্ট হয়, তৎক্ষণাৎ দেরি না করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। এবং চিকিৎসককে সমস্যাটি খুলে বলুন। (রোগী বলতে স্ট্রোকের শিকার সন্দেহ করা ব্যক্তি বোঝানো হয়েছে) সনাক্তকরণের আরেকটি উপায় হচ্ছে, রোগীকে বলুন তার জিহবা বের করতে। যদি তা ভাঁজ হয়ে থাকে, বা অথবা যদি তা বেঁকে যেকোনো একদিকে চলে যায়, সেটাও স্ট্রোকের লক্ষণ। তৎক্ষণাৎ তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। একজন খ্যাতনামা হৃদবিশেষজ্ঞ বলেছেন, যদি আমরা সবাই-ই এই সহজ ব্যাপারগুলো জেনে রাখি, তবে আমরা একজনের হলেও জীবন বাঁচাতে পারবো। সুতরাং, আপনি শিখলেন, আপনার বন্ধু ও প্রিয়জনদেরও শেখান!!! - মূল ইংরেজী পোষ্টঃ http://goo.gl/J5cPO বাংলায় অনুবাদ করেছেনঃ স্যাম জাহান [SJ] - - বিঃদ্রঃ এই অনুবাদিত আর্টিকেলের সত্ত্বাধিকার স্বাস্থ্যকথন (Health Tips) পেইজের। অনেকেই বিভিন্ন স্থানে নাম উল্লেখ ব্যতীত লেখাটি পাবলিশ করছেন। যা দুঃখজনক। জ্ঞানের আলো অবশ্যই ছড়িয়ে দিন, অনুগ্রহ করে মৌলিকতা নষ্ট করবেন না। - ধন্যবাদ @[254015981321666:274:স্বাস্থ্য কথন (Health Tips)]
2012-07-18 19:49:21
দারাও আমি বাইক চালিয়ে আসতেছি নাসৃতা করতে:-P:-P:-P
2012-07-18 19:49:08
Some people make their lives so complicated when really it does not have to be as complicated as you may think! If you try to SOLVE more than ONE issue at a time most will find this too much so I suggest take on each issue one at a time not all at once. If you plan to quit smoking lets say as well as caffeine work on ONE then the other after unless this is a medical ER. I think you will find in a short few months how much you have accomplished rather than letting it overwhelm you. Life is an obstacle that can be either a fun and exciting ride or a bumby uncomfortable one if you allow it. Just my advice to those that have too much on their plates to handle take it one at a time =] It works well for me and I still have what I call Sanity others may disagree lol. DO not take on more than you can afford, the cost of FOOD has rises roughly 30-40% from just 5 months ago its crazy! Buy non brand name when you can often they are made from the SAME manufacturer your paying extra just for a name! Make a shopping list that works for you and your family based on what you will have each month divided by the number or weeks that month and stay within your limit get only what you need and spend using coupons when able. Use an advantage card if you have one to fill up 1-2x a month with a discount as Gas is still outrageous. Our utility bills are higher we have more expenses than in the past such as the internet and cell phones. Use a internet speed that is fast enough for your needs not their fastest just because you can. If you use your cell phone most of the time than reduce your house phone to the bare basics or just local coverage and cut your bill down to the same cost as if you were to only have just Internet with out a phone.. funny how they love to make you bundle! Vonage is only slightly less expensive because with out a major phone line it cost about the same as with a house phone with local use only on it. Unless you do not use a cell phone often Vonage is good for some but not all in savings. Always buy sale items when you can afford too and store up things such as food and water and enough things to last you up to FEMA's recommended 60 days gear if stranded. Another similar IRENE could hit us or a Katrina in the South or worst as we have sen over in Asia. BE PREPARED not for ZOMBIES or the end of the WOLRD but just for mother nature and allow the time for your local government if intact (LOL just a little umor) will be able to reach you. DO not let your children starve because you did not prepare. It takes time to do this and i am not saying become a prepper just have enough to meet FEMAs guide line. ALSO do not forget your PETS they too need to eat and rink and have sanitary conditions for 60 days =] Thats my advice for now with the economy and weather as it has been. Save when ever possible do not overs spend their are jobs if you look hard enough! I teach part time at the local Schools and I love this job hours may be early but its a real great job teaching others and has made me teach Karate again. One CAN turn the coin back upside again if you take on one issue at a time. I hope this helps a few of you even if the rest think I am ranting lol =] I am he he.
2012-07-18 19:49:08
वृन्दावन के एक संत की कथा है. वे श्री कृष्ण की आराधना करते थे. उन्होंने संसार को भूलने की एक युक्ति की. मन को सतत श्री कृष्ण का स्मरण रहे, उसके लिए महात्मा ने प्रभु के साथ ऐसा सम्बन्ध जोड़ा की मै नन्द हु, बाल कृष्ण लाल मेरे बालक है, वे लाला को लाड लड़ते, यमुना जी स्नान करने जाते तो लाला को साथ लेकर जाते. भोजन करने बैठते तो लाला को साथ लेकर बैठते. ऍसी भावना करते की कन्हैया मेरी गोद में बैठा है. कन्हैया मेरे दाढ़ी खींच रहा है. श्री कृष्ण को पुत्र मानकर आनद करते. श्री कृष्ण के उपर इनका वात्सल्य भाव था. महात्मा श्री कृष्ण की मानसिक सेवा करते थे. सम्पूर्ण दिवस मन को श्री कृष्ण लीला में तन्मय रखते, जिससे मन को संसार का चिंतन करने का अवसर ही ना मिले. निष्क्रय ब्रह्म का सतत ध्यान करना कठिन है, परन्तु लीला विशिष्ट ब्रह्म का सतत ध्यान हो सकता है, महात्मा परमात्मा के साथ पुत्र का सम्बन्ध जोड़ कर संसार को भूल गये, परमात्मा के साथ तन्मय हो गये, श्री कृष्ण को पुत्र मानकर लाड लड़ाने लगे. महात्मा ऍसी भावना करते की कन्हैया मुझसे केला मांग रहा है, बाबा! मुझे केला दो, ऐसा कह रहा है. महत्मा मन से ही कन्हैया को केला देते. महात्मा समस्त दिवस लाला की मानसिक सेवा करते और मन से भगवान को सभी वस्तुए देते. कन्हैया तो बहुत भोलेहै. मन से दो तो भी प्रसन्न हो जाते है. महत्मा कभी कभी शिष्यों से कहते की इस शरीर से गंगा स्नान कभी हुआ नहीं, वह मुझे एक बार कराना है. शिष्य कहते की काशी पधारो. महात्मा काशी जाने की तैयारी करते परन्तु वात्सल्य भाव से मानसिक सेवा में तन्मय हुए की कन्हैया कहते - बाबा मै तुम्हारा बालक हु छोटा सा हु. मुझे छोड़कर काशी नहीं जाना. इस प्रकार महात्मा सेवा में तन्मय होते, उस समय उनको ऐसा आभास होता था की मेरा लाला जाने की मनाही कर रहा है. मेरा कान्हा अभी बालक है. मै कन्हैया को छोड़कर यात्रा करने कैसे जाऊ? मुझे लाला को छोड़कर जाना नहीं. महात्मा अति व्रद्ध हो गये. महात्मा का शरीर तो व्रद्ध हुआ परन्तु उनका कन्हैया तो छोटा ही रहा. वह बड़ा हुआ ही नहीं! उनका प्रभु में बाल - भाव ही स्थिर रहा और एक दिन लाला का चिन्तन करते- करते वे मृत्यु को प्राप्त हो गये. शिष्य कीर्तन करते- करते महात्मा को श्मशान ले गये. अग्नि - संस्कार की तैयारी हुए. इतने ही में एक सात वर्ष का अति सुंदर बालक कंधे पर गंगाजल का घड़ा लेकर वहां आया. उसने शिष्यों से कहा - ये मेरे पिता है, मै इनका मानस - पुत्र हु. पुत्र के तौर पर अग्नि - संस्कार करने का अधिकार मेरा है. मै इनका अग्नि-संस्कार करूँगा. पिता की अंतिम इच्छा पूर्ण करना पुत्र का धर्म है, मेरे पिता की गंगा-स्नान करने की इच्छा थी परन्तु मेरे कारण ये गंगा-स्नान करने नहीं जा सकते थे. इसलिए मै यह गंगाजल लाया हु. पुत्र जिस प्रकार पिता की सेवा करता है, इस प्रकार बालक ने महात्मा के शव को गंगा-स्नान कराया. संत के माथे पर तिलक किया, पुष्प की माला पहनाई और अंतिम वंदन करके अग्नि-संस्कार किया, सब देखते ही रह गये, अनेक साध- महात्मा थे परन्तु किसी की बोलने की हिम्मत ही ना हुई. अग्नि- संस्कार करके बालक एकदम अंतर्ध्यान हो गया. उसके बाद लोगो को ख्याल आया की महात्मा के तो पुत्र था ही नहीं बालकृष्णलाल ही तो महात्मा के पुत्र रूप में आये थे. महात्मा की भावना थी की श्री कृष्ण मेरा पुत्र है, परमात्मा ने उनकी भावना पूरी की, परमात्मा के साथ जीव जैसा सम्बन्ध बांधता है, वैसा ही सम्बन्ध से परमात्मा उसको मिलते है....
2012-07-18 19:48:50
एक अनुयायी ने डॉ स्वामी से पुछा की लोग जब आपसे व्यर्थ प्रश्न पूछते हैं तो आप अपना क्रोध कैसे नियंत्रित करते हैं .. तो डॉ स्वामी ने कहा की किसी के उकसाने पे अपना आपा खो देने का मतलब है की आपका स्वयं पे नियंत्रण नहीं, दुसरे आपको नियंत्रित करते हैं | हाल में ही भारत संवाद समारोह में अपने वक्तव्य में उन्होंने कहा की सोशल मीडिया पे संयमित भाषा का प्रयोग करना चाहिए अन्यथा आपकी बात सत्य होने पर भी निरर्थक हो जाती है | भाषा शशक्त होनी चाहिए, विकृत नहीं !
2012-07-18 19:48:40
विशाल .. एक होनहार छात्र .. संघ और एबीवीपी से जुड़ा हुआ ... कल जेहादी काउन्सिल ऑफ केरला के चालीस जुनूनी मुस्लिम गुंडों ने इसकी हत्या कर दी .. किसी भी चैनेल ने नही दिखाया .. क्योकि विशाल हिंदू था .. साले सेकुलर सेकुलर चिल्लाने वाले हिन्ज्डो जिस दिन तुम्हारा अपना मरेगा उस दिन तुम्हे अहसास होगा, हम जब भी बात करते है नरेन्द्र मोदी को देश का प्रधानमन्त्री बनाने की तो तुम लोगो के पेट मे मरोडे उठ जाते है. क्या कसूर था ईस मेरे भाई का यह भी किसी मा-बाप की आस होगा उनकी आन्खो का दुलारा होगा............................. कहा मर गये सारे सेकुलरता क गाना गाने वाले कुत्ते हिन्दू भाईयों यदि अपना अस्तित्व बचाना है तो व्यक्तिवादी न बनकर हिन्दूवादी बनों और दुष्टों का प्रतिकार करना शुरू कर दों , अन्यथा तुम्हें तुम्हारे देश में ही भयंकर यातनाऐ भोगनी पडेगी और तुम्हारी बहन - बेटियां जेहादी मुल्लों की रखैल बनकर रहेगी । यदि विष्णु भगवान् स्वयम पृथ्वी पर आ जाएँ तो भी 25000 हिन्दू इकठ्ठा नही होगा.... lollllssss अब तो सब घर पर बैठ कर विदेशी पैसों पर बिके हुए मीडिया से ही सारी जानकारी ले लेते हैं .. सड़क पर जाने का क्या लाभ ?? यदि सड़क पर ही आकर परिवर्तन होता .. तो 5 जून से बेहतर शुभ मुहूर्त कोई नही था... आत्माएं मर चुकी हैं सबकी ... बस ढो रहे हैं सब अपने अपने बेतालों को .... Kerala: Rss-Abvp leader vishal brutally killed by students wing of jihadi terrorist organization. Chengannur: students wing of jihadi terrorist organization campus front unleashed terror in chengannur chistian college nd attacked, vishal abvp nagar pramukh yesterday . He succmbed to death today early morning. Campus front terrorists well equipped with arms nd swords were threatening new comers nd passing obscene comments at girls. A third year physics students of the college vishnu prasad an abvp member question this to everyones surprise they stabbed him with swords. Vishal kumar ,abvp nagar pramukh and ambili another abvp worker who came to help vishnu prasad, were also attacked nd stabbed by these terrorists in the college. Hospital authorities said that the stab damaged his vertebrae nd injured his duodenum nd pancreas. According to sources, when vishal was admitted ,he was stated to have very low blood pressure. Even though the was rushed to the post operative icu nd put on life support system,ne couldnot be revived. Friends Pls Dont like this Share 2all
2012-07-18 19:48:34
एक दिन स्वामी विवेकानन्द दुर्गाबाड़ी से माँ दुर्गा के दर्शन करके जब लौट रहे थे, तो बन्दरों का एक दल उनके पीछे लग गया। यह देखकर स्वामी जी ने कुछ भय से लम्बे-लम्बे डग भरने आरंभ कर दिए। बन्दरों ने भी उसी तेज गति से उनका पीछा जारी रखा। यह देखकर स्वामी जी और भी शंकित हो उठे और बन्दरों से छुटकारा पाने के लिए दौड़ने लगे। बन्दरों ने भी उनके पीछे दौड़ना आरंभ कर दिया। यह देखकर स्वामी जी और भी घबरा उठे और उन्हें अधिक तेज दौड़ने के सिवा बन्दारे से बच निकले का कोई दूसरा उपाय नहीं सूझ रहा था। दौड़ते-दौड़ते सांस फूलने लगा, परन्तु बन्दर थे कि पीछा छोड़ने का नाम ही नहीं ले रहे थे। संयोग की बात हैं कि सामने से एक वृद्ध साधु आ रहा था। उसने संन्यासी विवेकानन्द की घबराहट की यह दशा देखकर उन्हें सम्बोधित करते हुए आवाज दी, ‘‘नौजवान रूक जाओ, भागो नहीं, बन्दरों की ओर मुँह करके खड़े हो जाओ।’’ वे बन्दरों की ओर मुँह करके खड़े हो गये। फिर क्या था, बन्दर ठिठक गए और कुछ ही क्षणों में बन्दर तितर-बितर हो गए। इस घटना से एक बहुत बड़ी शिक्षा मिलती हैं, जो स्वामी जी ने ग्रहण की। वह यह हैं कि जीवन में विपत्तियों से छुटकारा पाने के लिए विपत्तियों का साहस पूर्वक सामना करना चाहिए। उन्होंने अमरीका के न्यूयार्क नगर में भाषण देते हुए इस घटना का वर्णन किया था और कहा, ‘‘इस प्रकार प्रकृति के विरूद्ध मुँह करके खड़े हो जाओ, अज्ञान के विरूद्ध, माया के विरूद्ध मुँह करके खड़े हो जाओ और भागो नहीं।’’ संसार में सफल जीवन बिताने का यही रहस्य हैं।
2012-07-18 19:48:26
বর্তমানে গোপন ক্যামেরা এবং আয়না একটি আতংকের নাম। বিশেষত মেয়েদের কাছে এ যেন জলজ্যান্ত আতঙ্ক। শপিংমলের টয়লেট, ড্রেসিং/ট্রায়াল রুমে এমনকি লেডিস টয়লেটে গোপন ক্যামেরা লাগানো হচ্ছে সবার অজান্তে। নিজের অজান্তে আপনি বা আপনার বোন ধরা পড়ে যাচ্ছে ক্যামেরাতে। কখনো নগ্ন বা অর্ধ নগ্নভাবে। খুব অল্প কিছু টাকার বিনিময়ে এসব ভিডিও চলে যাচ্ছে ব্লাক মার্কেটে। কখনো বা ছড়িয়ে পড়ছে ইন্টারনেটে। কিন্তু একটু সতর্ক হলেই এ থেকে রক্ষা পেতে পারেন। তাই বোনদের অনুরোধ করবো, নিজের বাড়ি ছাড়া অন্য কোথাও টয়লেট বা বাথরুম ব্যাবহার করতে হলেই অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন করবেন। পারতপক্ষে চেষ্টা করবেন, অভিজাত হোটেল বা রেস্টুরেন্ট গুলোর টয়লেট ব্যাবহার না করতে। মনে রাখবেন, আপনাদের মুহূর্তের অসতর্কতা হয়তো আপনার জীবনটাকে নষ্ট করে দিতে পারে!! ⇓ ⇓ আপনি হয়তো জিনিসটা আগে জানতেন কিন্তু আপনার কোন প্রিয়জন জানতো না। তার জন্য লেখাটি আপনার ওয়ালে শেয়ার করেন। এমন ঘটনা যেন কারো জীবনে না ঘটে তাই সচেতনতা বাড়াতে লেখাটি শেয়ার করার অনুরোধ রইলো।
2012-07-18 19:48:17
अहंकार को संतुष्टि नहीं.. " अहंकार बड़े आश्वासन देता है, पूरे कभी नहीं करता, कर सकता नहीं। अहंकार बिल्कुल नपुसंक है मैंने एक कहानी सुनी है.... एक आदमी को शिव की पूजा करते-करते और रोज शिव का सिर खाते-खाते.... क्योंकि पूजा और क्या है, सिवाय सिर खाने के। एक ही धुन, एक ही रट कि हे प्रभू , कुछ ऐसी चीज दे दो कि जिंदगी में मजा आ जाए। एक ही बार मांगता हूं। मगर देना कुछ ऐसा कि फिर मांगने को कुछ रह न जाए। परेशानी में, हैरान होकर, क्योंकि सुबह देंखे न सांझ यह आदमी, न देखे रात, जब उठे तभी, आधी रात शिव के पीछे पड़ जाए। आखिर इसे वरदान में शंख शिव ने उठा कर दे दिया, जो उन्हीं के पूजा-स्थल में इसने रख छोड़ा था। और इससे कहा कि इस शंख की आज से यह खूबी है कि तुम इससे जो मांगोगे, तुम्हें देगा। अब तुम्हें कुछ आकर परेशान होने की जरूरत नहीं और पूजा प्रार्थना की जरूरत नहीं। अब मुझे छुट्टी दो। जो तुम्हें चाहिए, अब इससे ही मांग लेना। यह तुम्हें तत्क्षण देगा। तुमने मांगा और मौजूद हुआ। उसने मांग कर देखा, जो मांगा, कि बन जाए एक महल, बन गया एक महल, कि बरस जाएं सोने के रुपये, और सोने के रुपये बरस गए। धन्यभाग हो गया। शिव न भी कहते तो भी भूल जाता। भूल-भाल गया, शिव कहां गए, क्या हुआ, उन बेचारों पर क्या गुजरी, इस सब की कोई फिकर भी न रही। फिर न कोई पूजा थी, न कोई पाठ। फिर तो यह शंख था और जो चाहिए। लेकिन एक मुसीबत हो गई। एक महात्मा इसके महल में मेहमान हुए। महात्मा के पास भी एक शंख था। इसके पास जो शंख था बिल्कुल वैसा, लेकिन दो गुना बड़ा। और महात्मा उसे बड़े सम्हाल कर रखते थे। उनके पास कुछ और न था। उनकी झोली में बस एक बड़ा शंख था। इसने पूछा कि आप इस शंख को इतना सम्हाल कर क्यों रखते है ? उन्होंने कहाः यह कोई साधारण शंख नहीं, महाशंख है। मांगो एक, देता है दो। कहो, बना दो एक महल! दो महल बनाता है। एक की तो बात ही नहीं। हमेशा! उस आदमी को लालच उठा। उसने कहाः यह तो बड़े गजब की बात है। उसने कहाः एक शंख तो मेरे पास भी है, मगर छोटा-मोटा। आपने नाहक मुझे दीन-दुखी बना दिया। मैं गरीब आदमी हो गया। जरा देखूं चमत्कार आपके शंख के ! उन्होंने कहाः इसका चमत्कार देखना बड़ा मुश्किल है। रात के सन्नाटे में जब सब सो जाते हैं, तब निश्चित मुर्हुत में, अर्धरात्रि के सन्नाटे में इससे कुछ मांगने का नियम है। तुम जागते रहना और सुन लेना। महात्मा ने शंख से ठीक अर्धरात्रि में कहाः दे दे कोहिनूर। उसने कहाः एक नहीं दूंगा, दो दूंगा। महात्मा ने कहाः भला सही दो दे दे। उसने कहाः दो नहीं, चार। किससे बात कर रहे हो, कुछ होश से बात करो ! महात्मा ने कहाः भई, चार ही दे दे। वह महाशंख बोलाः अब आठ दूंगा। उस आदमी ने सुना, उसने कहाः हद हो गई। हम भी कहां का गरीब शंख लिए बैठे है! महात्मा के पैर पकड़ लिए। आप तो महात्मा हैं, त्यागी-व्रती हैं। इस गरीब का शंख आप ले लो, यह महाशंख मुझे दे दो। महात्मा ने कहाः जैसी तुम्हारी मर्जी। हम तो इससे छुटकारा पाना ही चाहते थे। क्योंकि इस बेईमान ने हमें परेशान कर रखा है। मांगो कुछ, बकवास इतनी होती है, रात-रात गुजर जाती है। फिर भी वह न समझा कि मामला क्या है, कि वह सिर्फ महाशंख था, वह सिर्फ बातचीत ही करता था, देता-वेता कुछ भी नहीं था। हमेशा संख्या दोहरी कर देता था। तुम कहो चार, तो वह कहे आठ, तो वह कहे सोलह। तुम कहो सोलह सही, तो वह कहे बत्तीस। तुम बोले संख्या कि उसने दो का गुणा किया। बस उसको दो गुणा करना याद था। और उसे कुछ नहीं आता था। महात्मा तो सुबह चले गए। जब इसने उस शंख से दूसरी रात्रि ठीक मुहुर्त में कुछ मांगा, तो उसने कहाः अरे नालायक! क्या मांगता है एक? दूंगा दो। उसने कहाः भई, दो दे दो। उसने कहाः दूंगा चार। चार ही दे दो। उसने कहाः दूंगा आठ। सुबह होने लगी। संख्या लंबी होने लगी। मोहल्ले के लोग इकटठे हो गए कि यह क्या हो रहा है ? सारा मोहल्ला जग गया कि मामला क्या है ? संख्या बढ़ती जाती है, लेना देना कुछ भी नहीं। आखिर उस आदमी ने पूछाः भई दोगे भी कुछ कि बस बातचीत ही बातचीत ? उसने कहाः हम तो महाशंख हैं। हम तो गणित जानते हैं। तुम मांग कर देखो। तुम जो भी मांगों, हम दोगना कर देंगे। इसने कहाः मारे गए। वह महात्मा कहां है ? उसने कहाः वह महात्मा हमसे छुटकारा पाना चाहता था बहुत दिन से। मगर वह इस तलाश में था कि कोई असली चीज मिल जाए। वह ले गया असली चीज। अब ढूंढे से न मिलेगा। हम मिला दे सकते हैं। पैर तो नहीं थे शंख के, मगर फिर भी पैरों को पकड़ कर सिर रख कर कहा कि किसी भी तरह महात्मा से मिला दो। कहाः दो से मिलाएंगे। हद हो गई। नालायक से पाला पड़ गया। चार से मिलाएंगे। फिर वही बकवास। दो-चार दिन में उस आदमी को पागल कर दिया। शंख उससे पूछे कि अरे कुछ मांग। वह आदमी इधर-उधर देखे कि कुछ बोले कि यह दुष्ट, फंसाया इसने चक्कर में। बोले कि फंसे। फिर उससे छूटना मुश्किल। फिर पीछा करता है - कि बत्तीस लेगा? चौसठ लेगा? लेना-देना बिलकुल कुछ होता ही नहीं। ध्यान और अहंकार के बीच वही संबंध है। अहंकार महाशंख है। कितना ही मिल जाए, और चाहिए। सख्या बढ़ती जाती है। दौड़ बढ़ती जाती है। और आदमी कभी उस जगह नहीं पहुंचता, जहां वह कह सके-आ गई मंजिल। मंजिल हमेशा मृग-मरीचिका बनी रहती है। दूर की दूर। यात्रा बहुत, पहुँचना कहीं भी नहीं। मगर दौड़-धाप बहुत होती है। और चूंकि सारी दुनिया यह दौड़-धाप कर रही है, इसलिए संघर्ष भी बहुत है। और यह भी मानने का मन नहीं होता कि इतने सारे लोग गलत होंगे। ध्यान के लिए तो कोई कभी बैठता है। " ओशो
2012-07-18 19:48:12
একটি ঝোরে পরা ফুল "স্যার ২টা টাকা দিবেন? দুপুরে কিছু খাইনি, দেন না স্যার" কিছুটা আসামি ধরার মতো করে ধরে বসলো ছেলেটা আমাকে। দুই টাকা আমার কাছ থেকে নিতেই হবে ওর। শার্টটা ধরে টানছে অনবরত। ছিপছিপে কালো, চুল গুলোতে ময়লা, নোংরা একটা প্যান্ট পরা ও বলতে ভুলে গেছি মুখের সামনে দাত ও নাই ২টা। খুব অদ্ভুত দেখতে ছেলেটা। ওলেটটা বের করে টাকা দিতে গিয়ে দেখলাম, খুচরা কোন টাকাই নাই আমার কাছে। অনেক বুঝিয়ে পরে না পেরে ধমকে ছেলেটাকে বিদায় করলাম। ছেলেটা চলে যাবার পর থেকে একটু খারাপই লাগছিল। কত আর বয়স হবে, ১১কি ১২ বছর। আর এই বয়সেই জীবন যুদ্ধে নেমে পরেছে। ক্ষুধা আর দারিদ্রতা কে আলিঙ্গন করেছে। এই সব ৭-৫ ভাবতে ভাবতে আমি ভুলেই গেলাম যে আমাকে কুমিল্লা যাওয়ার বাস ধরতে হবে। ঢাকা এসে ছিলাম একটা JOB INTERVEW দিতে। INTERVEW দিয়ে বাস ষ্ট্যান্ডে আসতে অনেকটাই দেরি হয়ে গিয়েছিল। কুমিল্লা যাবার লাষ্ট বাসটা ইতি মধ্যে ছেরে চলেগেছে। কথাটা জানতেই অনেক চিন্তাই হচ্ছিলো। আবার বাস সেই সন্ধ্যায়। এতটা সময় কি করবো, কোথায় যাব ভাবতে ভাবতেই খুব ক্ষুধা লেগে গেল। খাবার হোটেলের সন্ধান করতে গেলাম। কিছুটা সময় খোজার একটা হোটেল পেয়ে গেলাম সাথে খুজে পেলাম ঐ ছেলেটাকেও। দারিয়েছিল হোটেল টার সামনেই। কোন কিছুই না ভেবেই ডাক দিলাম ছেলেটাকে। ছেলেটা সামনে আসার পর একটু ভাল ভাবে তাকালাম ওর দিকে। দেখে মনে হচ্ছিলো খুব ক্ষুধার্থ ছেলেটা। হাতটা ধরে আমার সাথেই ভিতরে নিয়ে গেলাম। ২জনার খাবারের অর্ডার দিলাম। খেতে খেতে ওর নামটা জেনে নিলাম সাথে ওর সম্পর্কেও কিছুটা। আসলাম নাম ওর। বাবা বেঁচে নেই, মা পরের বাড়িতে কাজ করে। ওর বড় বোন আর ও ভিক্ষা করে। ওর মুখের দিকে তাকিয়ে খুব মায়া লাগছিলো আমার। এই বয়সে যার খাকার কথা মায়ের কোলে, ক্ষুধার যাতনায় সে এখন পথে পথে ভিক্ষা করে। হঠ্যাং কর মাথায় একটা IDEA আসলো, সারাটা বিকাল আমি যদি ওকে আমার সাথে রাখি, গল্প করি, কোথাও ঘুরতে নিয়ে যাই তা হলে কেমন হয়? খুব একটা মন্দ হয়না। খাওয়া শেষ হবার পর আসলামকে সাথে নিয়ে পাশের একটা পার্কে গিয়ে বসলাম। অনেক গল্প করলাম ওর সাথে। কখন যে সন্ধ্যা হয়ে গেল টের ও পেলামনা। আসলামকে নিয়ে আবার ফিরে আসলাম বাস ষ্ট্যান্ডে। ওকে রেখে আসার সময় ১০০ টাকা দিলাম আর বোললাম তুমি আর তোমার বোন রাতে কিছু খেয়ে নিও এই টাকা দিয়ে। বাসের হর্ন বাজচ্ছে, বাস ছেড়ে দেবে এখনই। বাসে ওঠার আগে ছোট্ট করে একটা চুমু দিলাম ওর কপালে। এতটা শান্তি পেলাম যা আমি ভাষায় বুঝাতে পারব না। বাস চলতে শুরু করেছে। খুব কেলান্ত লাগছে। কিন্তু আসলামের চেহারাটা বারবার আমার চোখের সামনে ভেসে উঠছে। কিছুতেই এড়িয়ে যেতে পারছিলাম না এই ঝড়ে যাওয়া ফুলটার কথা। ভাবতে ভাবতে কখন যে ঘুমেয়ে পরেছিলাম তা বুজতেও পারিনি . . . . (সংগ্রহিত) পোষ্টটি ভাল লাগলে শেয়ার এবং ট্যগ করুন আপনাদের বন্ধুদের কে ভাল থাকুন আর ভাল রাখুন আপনার ভালো লাগার মানুষটি কে
2012-07-18 19:48:08
मुंबई हमलों के दौरान आतंकवादियों से मोर्चा लेने वालों में एटीएस चीफ हेमंत करकरे, अशोक कामटे और विजय सालस्कर के साथ पुलिस कॉन्स्टेबल अरुण जाधव भी शामिल थे। उन्होंने हमले के दौरान अपने सीनियर्स को आतंकवादियों के हाथों गोली खाते देखा। आतंकवादियों से मोर्चा लेते हुए खुद भी गोली खाई, इसके बावजूद वह उसी एटीएस टीम का हिस्सा बनना चाहते हैं। 26/11 हमले के दौरान जाधव को दाएं हाथ में गोली लगी थी। इसके बाद जाधव की ड्यूटी बदलकर विधानसभा में लगा दी गई थी। वह इससे बिल्कुल खुश नहीं थे। लेकिन अब उन्हें उनकी बहादुरी का इनाम दिया जा रहा है। मंगलवार को महाराष्ट्र के गृह मंत्री आर. आर. पाटिल ने जाधव को अपनी मर्जी से पुलिस का कोई भी डिपार्टमेंट चुनने की आजादी दे दी। 41 वर्षीय जाधव ने दोबारा ऐंटि-टेररिज़म स्क्वॉड यानी एटीएस जॉइन करने की इच्छा जताई है। जाधव फिलहाल लोकल आर्म्स यूनिट में काम कर रहे हैं और जल्द ही उन्हें उनकी नई पोस्टिंग का ऑर्डर मिल जाएगा। जाधव को वापस एटीएस में जाने के लिए उनकी मदद की एनसीपी के किरण पवास्कर ने। पवास्कर ने जाधव को पिछले हफ्ते विधानसभा भवन के गेट के बाहर ड्यूटी करते देखा। उन्होंने इसका विरोध किया और सदन में यह बात रखी। उन्होंने गृहमंत्री पाटिल से सवाल किया कि क्या 26/11 के एक हीरो के साथ इस तरह का व्यवहार सही है? सदन में रखे जाने के बाद ही जाधव की ड्यूटी में बदली संभव हुई।
2012-07-18 19:47:51
like
ছবির এই সাপটি রাখা আছে ইউক্রেনের জাতীয় চিড়িয়াখানায়।। আলবিনো ক্যালিফোর্নিয়া কিং স্নেক নামে পরিচিত এই সাপটির মাঝে এমন প্রজাতি বা উদাহরণ আগে কখনো পাওয়া যায় নি।। ছবির সাপটির দুটো মাথা রয়েছে যা দুইরকম চিন্তা করতে সক্ষম।। এমনকি তারা খাবারের জন্যও মারামারি করে থাকে।। তাই তাদের খাবার দেয়ার সময় মাঝে এমনভাবে একটা ব্যারিকেড দিয়ে দেয়া হয় যেন তারা পরস্পরের খাবার না দেখতে পারে।। প্রতিদিন উইক্রেনের লক্ষ লক্ষ মানুষ চিড়িয়াখানায় যাচ্ছে এই অদ্ভুত সাপটি দেখতে।।
2012-07-18 19:47:48
বিশ্বের শীর্ষ ধনী ব্যক্তিদের মধ্যে একজন হলেন ওয়ারেন বাফেট। তিনি এখনও থাকেন ওমাহা অঙ্গরাজ্যের ৩-কামরার এক বাসায় যা তিনি ৫০ বছর আগে ক্রয় করেছিলেন ঠিক তার বিয়ের পর পর। তার যুক্তি, এর চেয়ে বেশি তার আর প্রয়োজন নেই। তার এই বাড়িতে নেই কোন বিশেষ নিরাপত্তা দেয়াল কিংবা সীমানা নির্ধারনী গেট। তিনি নিজেই নিজের গাড়ি চালান। সঙ্গে থাকেনা কোন গাড়িচালক কিংবা দেহরক্ষী। ওয়ারেন বাফেটের নেই কোন প্রাইভেট জেট বিমান। কিন্তু তার বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠানই বিশ্বের বৃহত্তম বিমান প্রতিষ্ঠানের মালিক। লোক দেখানো সামাজিকীকতা কিংবা সমাজের বিত্তবান মানুষদের সাথে মেলামেশা করতে তিনি প্রয়োজন বোধ করেন না। অবসর সময়ে দেখেন টিভি, সঙ্গে থাকে পপকর্ন। যুবক ও যুবতীদের প্রতি তার উপদেশঃ ১) টাকা দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হওয়া যায়না। প্রতিষ্ঠিত হয়ে টাকা উপার্জন করা যায়। ২) যত পারো, সাধারণভাবে জীবন যাপন কর। ৩) লোকের কথামতই সব কিছু করতে হবে এমন কোন নিয়ম নেই। সবার বক্তব্যই শোনো ও মতামতের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন কর, কিন্তু কাজ কর নিজের বুদ্ধি-বিবেচনা ও ইচ্ছা অনুযায়ী। - পোস্টটি পড়ে অনুপ্রাণিত হলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করার অনুরোধ রইল
2012-07-18 19:47:38 2 votes
याद है तुम्‍हें वे ढाक के पेड़ जहां ऐसे ही सावन में हम-तुम भींगे थे..... और....कितना रोया था मैं कि पहली छुअन की सिहरन को पचा नहीं पाया ... उस विशाल मैंदान की मांग..... जब मेरे साइकिल पर तुम बैठी थी और उसकी हैंडल मुड़ गई थी क्‍योंकि मेरा ध्‍यान तो..... अक्‍सर वहां जाता हूं तुम्‍हें ढूंढने और लौटकर फिर सारी रात आंसुओं को गटकता रहता मेरा एक अपराध..... किस तरह तड़पी होगी तुम्‍हारी वो बेबश रात जब मेरे इनकार को सुनकर थम नहीं पाया तुम्‍हारे हृदय का लहू और हाहाकार करता निकल पड़ा जख्‍म का बहाना करके.... अब भी वे कटी कलाइयां घेर लेती हैं मुझे ये कहते हुए कि मेरे कंगन देखो...... बस एक इनकार यह मेरा अपराध हो सके तो कभी माफ कर देना क्‍योंकि मैं तब भी गलत नहीं था आज भी नहीं तुम्‍हें ना कहना तुम्‍हारे ही वैभव ने मुझे सिखाया तुम्‍हारी खूबसूरती मेरा खिलौना नहीं थी लेकिन यह भी मानता हूं कि तुम्‍हारे जाने के बाद ना बरसात हुई ना मेघ आए मेरी वो बेधड़क हंसी जिससे तुम विवश थीं वो चटक गई मैंनें कभी स्‍वीकार नहीं किया कि मैं तुम्‍हें ................... लेकिन किसी और को अपना नहीं सका शादी, बच्‍चे... मन को छलावा....... सोचा शायद रम सकूं पर... तुम्‍हारी मुहर का रंग..... निकलता ही नहीं यह जरूर मानता हूं रूप की तारीफ़ आज भी कर देता हूं किंतु्...... पीने की कोशिश करते ही लगता है अम्‍ल हलक में दौड़ गया तुम्‍हारी गुलाबी बातें मेरे अंधेरे में बेलौस आती बातें आज ही क्‍यूं ? क्‍योंकि आज ही के दिन 22 साल पहले.... मेरे नाम पर तुमने..... अपनी जान दे दी मैं 'हमेशा तुम्‍हारा' तो नहीं लिख सकता लेकिन 'तुमसे हारा' लिख ही सकता हूं and that too on public forum. As, "Much I have travelled........." तुमसे हारा ....... राजेश
2012-07-18 19:47:33
back from errands, think im ready for a nap lol, then tonight son has karate class
2012-07-18 19:47:28
Aaj kuch Tufani karate hai.......
2012-07-18 19:47:19
একজন মানুষ ৪৫ ইউনিট ব্যাথা একবারে সহ্য করতে পারে একজন মা যখন একটি শিশুকে জন্ম দেন , তখন তিনি ৫৭+ ইউনিট ব্যাথা সহ্য করেন !! এই ব্যাথা একসাথে ২০ টি হাড্ডি ভেঙ্গে যাওয়ার ব্যাথা থেকেও বেশি !! তুমি কি এখন বুঝতে পারছ , তোমার মা কত টা কষ্ট করে তোমাকে জন্ম দিয়েছেন !!! অভিমানী <3
2012-07-18 19:47:13
Pick the month you were born: January——-I kicked February——I loved March———-I karate chopped April————I licked May————I jumped on June———–I smelled July————I did the Macarena With August——–I had lunch with September—-I danced with October——-I sang to November—–I yelled at December—–I ran over Pick the day (number) you were born on: 1——-a birdbath 2——-a monster 3——-a phone 4——-a fork 5——-a snowman 6——-a gangster 7——-my mobile phone 8——-my dog 9——-my best friends` boyfriend 10——-my neighbour 11——-my science teacher 12——-a banana 13——-a fireman 14——-a stuffed animal 15——-a goat 16——-a pickle 17——-your mom 18——-a spoon 19——- a smurf 20——-a baseball bat 21——-a ninja 22——-Chuck Norris 23——-a noodle 24——-a squirrel 25——-a football player 26——-my sister 27——-my brother 28——-an iPod 29——-a surfer 30——-a homeless guy 31——-a llama What is the last number of the year you were born: 1——— In my car 2 ——— On your car 3 ——— In a hole 4 ——— Under your bed 5 ——— Riding a Motorcycle 6 ——— sliding down a hill 7 ——— in an elevator 8———- at the dinner table 9 ——– In line at the bank 0 ——– in your bathroom Pick the color of shirt you are wearing: White———because I`m cool like that Black———because that`s how I roll. Pink———–because I`m NOT crazy. Red———–because the voices told me to. Blue———–because I`m sexy and I do what I want Green———because I think I need some serious help. Purple———because I`m AWESOME! Gray———-because Big Bird said to and he`s my leader. Yellow———because someone offered me 1,000,000 dollars Orange——–because my family thinks I`m stupid anyway. Brown———because I can. Other———-because I`m a Ninja! None———-because I can`t control myself!
2012-07-18 19:46:56
कुण्डलिनी जागरण हम सब जानते है की हमारे शरीर में " इडा " जो चन्द्र का प्रतीक माना जाता है " पिंगला " जो सूर्य का प्रतीक माना जाता है और " सुषुम्ना " जो चन्द्र और सूर्य में समभाव करती है , ऐसा माना जाता है । जो क्रम अनुसार दक्षिण शक्ति , वाम शक्ति और मध्य शक्ति के रूप में ऐसा योगी जन जानते हैं । और इन शक्तियों का त्रिकोण रूप में जो आधार विन्दु है वह शिव है पर ये विन्दु सिर्फ खोल देने से शिव रूप नहीं ले लेता इसके लिये तीनो त्रिकोणिय शक्तियों को जागृत होना पड़ता है अर्थात् शिव तभी अपने चरम रूप में जाग्रत होते हैं जब तीनों शक्तियाँ जो आदिशक्ति माँ काली , माँ तारा और माँ राजराजेश्वरी के रूप में है जो जागती है क्योंकि शक्ति के बिना शिव अधुरे हैं , माँ काली की जाग्रत अवस्था में शिव या विंदु के शिवमय होने की प्रथम स्थिति है । पर इस वक्त शिव शव अर्थात् क्रिया हीन रहते हैं , माँ तारा के जाग जाने से शिव अपने श्वत्व में चरम रूप में होते हैं और राजराजेश्वरी माँ के जागने से शिव का श्वत्व तो भंग हो जाता है पर वो निद्रा में चले जाते हैं पर एक साधक के लिये ये पूरी प्रक्रिया कुण्डलिनी जागरण ही होती है क्योंकि इसमें भी नाभि कुण्ड में स्थापित कमलासन खुलता है पर राजराजेश्वरी माँ भगवती उसमें विराजमान नहीं होती वो विराजमान होती है गुरुकृपा से और जब गुरु की कृपा दीक्षा या शक्तिपात से प्राप्त हो जाती है तो स्थिति बनती है आनन्द की , विज्ञान की और फिर सत्य की , जिसे योगी अपनी भाषा में * खण्ड , *अखण्ड और * महाखण्ड की अवस्थिति में वर्णित करते हैं । जहाँ हममें हमारे देह में कोई भेद नहीं होता वो मैं और मैं वो बन जाता है ।
2012-07-18 19:46:56
কলাপাড়া (পটুয়াখালী)।গতকাল সকাল সাড়ে ১১টায় মহিপুর এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কলাপাড়া উপজেলা মাধ্যমিক একাডেমির সুপারভাইজার মনিরুজ্জামান খান মহিপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে যাওয়ার পথে পায়ে শিকল ও ঘাড়ে গাছের খুঁটি বাঁধা এক শিশুকে পুকুরে গোসল করতে দেখেন। এরপর তিনি মহিপুুর তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশকে জানান। খবর পেয়ে মহিপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এএসআই ওসমানের নেতৃত্বে পুলিশ মহিপুর নুরানী হাফিজিয়া মাদরাসা থেকে পায়ে শিকল ও ঘাড়ে ১৫-২০ কেজি ওজনের একটি গাছের খুঁটি বাঁধা অবস্থায় আউয়ালকে উদ্ধার করে।মাদরাসায় নিয়মিত না আসার অপরাধে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে এ শিশু শিক্ষার্থীর ওপর নির্মম নিষ্ঠুরতা চালায় মাদরাসা কর্তৃপক্ষ। পায়ে শিকল ও গাছের খুঁটি কাঁধে নিয়ে সব কাজ করতে হয় তাকে।
2012-07-18 19:46:02
अगर आप इस गयासुद्दीन गाज़ी के महा अय्याश वंशज की आज भी इज्ज़त करते हैं और इसे पंडित जीकहकर संबोधित करते हैं तो इस महा अय्याश द्वारा किये गए गर्म बिस्तरों की कसम "आप कांग्रेसी चूतीये है" ...!!!
2012-07-18 19:45:50
[ লেখাটি সবাই পড়ুন] আসছে রমযান মাসে আমরা কিভাবে আরেকটু বেশি নেকী অর্জন করতে পারি? আমরা শুরু করেছি বোখারি শরীফ ডিজিটালাইজেশন এর কাজ। সম্পূর্ণ বোখারি শরীফ বাংলায় টাইপ করা হচ্ছে। টাইপের এর কাজ শেষ হলে হাদিস সার্চ , মোবাইল পড়া ও সফটওয়্যার সহ আরও বহু কাজে এটি ব্যবহার করা হবে বিনামূল্যে। অর্থাৎ কোটি কোটি মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে হাদিসের বাণী ! কাজটির গুরুত্ব একবার উপলব্ধি করুন ! মাত্র ১০টি করে হাদিস লিখে আপনিও এই কাজে অংশ নিন। "সবাই ১০টি করে হাদিস" এই কথার উপর সবাই মিলে কাজ করব, অবশ্য আপনি চাইলে বেশি কাজও করতে পারবেন, সেই সুযোগও খোলা থাকছে। সবাই যেন আমরা এই কাজে অংশ নিতে পারি সেজন্য ১০টি করে দেয়া হচ্ছে প্রথমে। নিচে আমাদের গ্রুপের লিঙ্ক পাবেন, গ্রুপে জয়েন করে ৪টি টীমের যেকোনো ১টি তে জয়েন করে কাজ চেয়ে নিন। আমাদের গ্রুপঃ http://www.facebook.com/groups/Hadis.Project/
2012-07-18 19:45:35
সিঙ্গেল সেক্স শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ঈর্ষণীয় সাফল্যঃ ৮ বোর্ডে সেরা আটে মধ্যে সহশিক্ষা প্রতিষ্ঠান মাত্র ১টি চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষায় ৮ বোর্ডে সেরা আটে মধ্যে সহশিক্ষা প্রতিষ্ঠান মাত্র ১টি বাকি ৭টিই সিঙ্গেল সেক্স তথা ছেলে-মেয়েদের পৃথক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের আওতায় যে সব প্রথিষ্ঠান সেরা নির্বাচিত হয়েছে তাদের মধ্যে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের আওতায় এবারও রয়েছে রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ। এছাড়া অন্যান্য শিক্ষাবোর্ডের মধ্যে সেরা নির্বাচিত হয়েছে- রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডে পাবনা ক্যাডেট কলেজ, কুমিল্লা বোর্ডে ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজ, যশোর শিক্ষাবোর্ডে ঝিলাইদহ ক্যাডেট কলেজ, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, বরিশাল শিক্ষাবোর্ডে বরিশাল ক্যাডেট কলেজ, দিনাজপুর বোর্ডে রংপুর ক্যাডেট কলেজ এবং সিলেট শিক্ষাবোর্ডে সিলেট ক্যাডেট কলেজ। এছাড়া ৮টি বোর্ডের সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রায় ৮০ শতাংশই সিঙ্গেল সেক্স তথা ছেলে-মেয়েদের পৃথক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ছেলে ও মেয়ে আলাদা­ এমন স্কুলগুলো সহশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চেয়ে ঈর্ষনীয় ভালো ফল করছে। সর্বশেষ এসএসসি পরীক্ষার ফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, সারাদেশে সেরা ২০০টি স্কুলের মধ্যে মাত্র ৩৯টি স্কুলে সহশিক্ষাব্যবস্থা আছে। বাকি ১৬১টি স্কুল হয় বালক বা বালিকা বিদ্যালয় অথবা ছেলে ও মেয়েদের পৃথক শিফট রয়েছে। দেশের আট শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে গতবারেও সেরা আটে সহশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছিল মাত্র ২ টি এছাড়া গতবারের ফলাফলে ঢাকা বোর্ডের মধ্যে সেরা দশে সহশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছিল মাত্র ২ টি। ৯৭ দশমিক ১৯ পয়েন্ট নিয়ে ঢাকার রাজউক উত্তরা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রথম স্থান দখল করেছে। গতবারও ৯৫ দশমিক ৬৬ পয়েন্ট নিয়ে দেশসেরা ছিল এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। দ্বিতীয় স্থানে ৯৫ দশমিক ৪২ পয়েন্ট পেয়ে ডেমরার শামসুল হক খান হাইস্কুল। মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ৯৫ দশমিক ২৩ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে। গতবারও একই অবস্থানে ছিল স্কুলটি। ভিকারুননিসা নূন স্কুল ও কলেজ ৯৩ দশমিক ২৮ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে, ৯১ দশমিক ৭৬ পয়েন্ট নিয়ে কুমিল্লা জিলা স্কুল পঞ্চম, বগুড়া সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় ৯১ দশমিক ৪৭ পয়েন্ট নিয়ে ষষ্ঠ, দিনাজপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ ৯১ দশমিক ২৩ পয়েন্ট পেয়ে সপ্তম, ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ পয়েন্ট ৯১ দশমিক ১২ পেয়ে অষ্টম স্থানে রয়েছে। ৯১ পয়েন্ট নিয়ে নবম স্থানে আছে ঢাকা বোর্ডের মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজের সঙ্গী হয়েছে ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজ, পাবনা ক্যাডেট কলেজ ও রংপুর ক্যাডেট কলেজ এবং কারিগরি বোর্ডের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান এ কে খান ইউসেপ স্কুল। আর ৯০ দশমিক ৯৮ পয়েন্ট পেয়ে দশম স্থানে রয়েছে ঢাকা বোর্ডের মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়। ঢাকা বোর্ডে সেরা ১০টির মধ্যে ৮টিই সিঙ্গেল সেক্স শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আর সহশিক্ষা প্রতিষ্ঠান মাত্র ২ টি। প্রথম স্থানে রয়েছে রাজউক উত্তরা মডেল স্কুল এন্ড কলেজ। দ্বিতীয় অবস্থানে ডেমরার শামসুল হক খান হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ। তৃতীয় অবস্থানে মতিঝিল আইডিয়েল স্কুল অ্যান্ড কলেজ। এরপর পর্যায়ক্রমে রয়েছে ভিকারুন নিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ, মতিঝিল গভ: বয়েজ স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মনিপুর হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ, ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ ও ময়মনসিংহ জেলা স্কুল। এবারও পাঁচটি মানদণ্ডে শীর্ষ প্রতিষ্ঠান বাছাই করা হয়েছে। এগুলো হলো নিবন্ধিত প্রার্থীদের মধ্যে নিয়মিত পরীক্ষার্থীর শতকরা হার, শতকরা পাসের হার, মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির হার, পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ও প্রতিষ্ঠানের গড় জিপিএ। সবগুলো বোর্ডে ফলাফলে সেরা প্রতিষ্ঠানগলোর ৮০% এর উপরে পৃথক শিক্ষা পদ্ধতি। সহশিক্ষাঃ পশ্চিমা বিশ্ব ও বাংলাদেশ প্রেক্ষাপট- একটি গবেষণা প্রতিবেদন সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপ ও আমেরিকাতে শিক্ষা ক্ষেত্রে ব্যাপক পরিবর্তন ঘটেছে। অনেকটা অবাধ স্বাধীনতা ও নানাবিধ কারণে পশ্চিমা বিশ্বের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহে শিক্ষার্থীদের ফলাফল দিনদিন খারাপের দিকে যাচ্ছিল। বিশেষ করে প্রচলিত সহশিক্ষার ফলে ছেলে মেয়েদের সহাবস্থান ও অবাধ মিশ্রনের সুবাদে একদিকে যেমন নারী নির্যাতন, অপ্রাপ্ত বয়সে গর্ভধারণ, লিভটুগেদার, যৌনব্যাধির সংখ্যা প্রভৃতি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছিল, অন্যদিকে তাদের একাডেমিক ফলাফলও অনেক নিম্নগামী হচ্ছিল। এই প্রেক্ষাপটে পশ্চিমা নীতিনির্ধারক ও অভিভাবকেরা ছেলেমেয়ের পড়াশুনার জন্য পৃথক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দিকে ঝুঁকতে থাকে। বর্তমানে অধিকাংশ অভিভাবক সন্তানদেরকে পৃথক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির ক্ষেত্রে অনেকটাই প্রতিযোগিতা করে থাকেন। Percentage of students scoring proficient on the FCAT boys in coed classes: 37% scored proficient girls in coed classes: 59% scored proficient girls in single-sex classes: 75% scored proficient boys in single-sex classes: 86% scored proficient. Remember, these students were all learning the same curriculum in the same school. And, this school "mainstreams" students who are learning-disabled, or who have ADHD etc. Many of those boys who scored proficient in the all-boys classes had previously been labeled "ADHD" or "ESE" in coed classes. Source: http://www.singlesexschools.org/research-singlesexvscoed.htm U.S. Department of Education এর তথ্য - কারণ এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ফলাফলসহ বিভিন্ন দিক থেকে ছেলেমেয়েদের সম্মিলিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তুলনায় অনেক এগিয়ে। সম্প্রতি ২০০৮ ইং সালে মে মাসে এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পরিচালিত জার্নাল অফ ইন্টারন্যাশনাল উইমেন্স স্টাডিস দু’ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সফলতার ক্ষেত্রে এক চমকপ্রদ পরিসংখ্যান পেয়েছেন। পরিচালিত জরীপ থেকে দেখা যায় বালিকা বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরতদের ৮৫ শতাংশ বালিকা এবং বালক বিদ্যালয়গুলো থেকে ৯৩ শতাংশ বালক কলেজে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পায়। পক্ষান্তরে সম্মিলিত স্কুল থেকে মাত্র ৭৩ শতাংশ বালিকা এবং ৮৪ শতাংশ বালক কলেজে ভর্তি হতে পারে। তাছাড়া পৃথক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত ৭৮ শতাংশ বালিকা এবং ৮৩ শতাংশ বালক উচ্চ শিক্ষা অর্জনের সুযোগ পায়। পক্ষান্তরে সহশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাত্র ৫৭ শতাংশ বালিকা এবং ৬১ শতাংশ বালক উচ্চ শিক্ষা গ্রহনের সুযোগ পায়। উপরন্তু পৃথক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৭৮ শতাংশ বালিকা এবং ৮১ শতাংশ বালক ভাল প্রতিষ্ঠানে চাকরির জন্য নির্বাচিত হয়। পক্ষান্তরে সহশিক্ষা প্রতিষ্টানের মাত্র ৩৩ শতাংশ বালিকা এবং ৬০ শতাংশ বালক ভালো প্রতিষ্ঠানে চাকরির সুযোগ পায়। এছাড়া পৃথক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৩৭ শতাংশ বালিকা এবং ৬৪ শতাংশ বালক ইঞ্জিনিয়ারিংএ পড়ার যোগ্যতা অর্জন করে। পক্ষান্তরে সহ শিক্ষা থেকে মাত্র ১৬ শতাংশ বালিকা ও ৪৫ শতাংশ বালক এ যোগ্যতা অর্জন করতে পারে। নার্সিং ও শিক্ষকতায় মেয়েদের অংগ্রহণ যথাক্রমে ৬০ শতাংশ ও ৪৮ শতাংশ এবং ছেলেদের অংশগ্রহণ ৩ শতাংশ ও ১৩ শতাংশ। সূত্র: জার্নাল অফ ইন্টারন্যাশনাল উইমেন্স স্টাডিজ, যুক্তরাষ্ট্র- মে’২০০৮ ইং পৃথক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের তুলনা সহশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অনেক পিছিয়ে পড়ার পেছনে ইন্টারন্যাশনাল উইমেন্স স্টাডিজের জার্নালের গবেষনায় অনেকগুলো কারণ বেরিয়ে এসেছে। এতে দেখা যায় সহশিক্ষার ক্ষেত্রে মেয়েরা ছেলে বন্ধু কিংবা শিক্ষকদের দ্বারা অনেকভাবে নির্যাতিত হওয়ার পাশাপাশি ছেলে মেয়েরা একে অপরের দ্বারা আকৃষ্ট হয় কিংবা হওয়ার পিছনে অনেক চিন্তা, সময় ও অর্থ ব্যয় করে ফলে তাদের একাডেমিক কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অন্যদিকে পৃথক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা তাদের পড়াশুনা ও অন্যান্য ব্যাপারে অধিক মনোযোগী হতে পারে। প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ বাংলাদেশে ভালো ফলাফল করার দিক থেকে সিঙ্গেল সেক্স বা পৃথক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ অনেকটাই অপ্রতিদ্বন্দী। বিগত কয়েক বছরের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক সহ সকল পর্যায়ের ফলাফল বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় প্রায় ৮০ শতাংশের উপরে ভালো ফলাফল অর্জন করা প্রতিষ্ঠান সমূহেই ছেলেমেয়েদেরকে পৃথকভাবে পাঠদান করা হয়। দেশের ভালো ফলাফলধারী তথা নামকরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো যেমন- দেশের জেলা শহরের সবগুলো জিলা স্কুল অর্থাৎ জেলা বালক ও বালিকা বিদ্যালয়, সবগুলো ক্যাডেট কলেজ, ঢাকা কলেজ, নটরডেম কলেজ, ভিকারুন্নেছা স্কুল এন্ড কলেজ, হলিক্রস স্কুল এন্ড কলেজ, আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ, গভর্মেন্ট ল্যাব. স্কুল এন্ড কলেজ, ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল এন্ড কলেজ প্রভৃতি। বলতে গেলে বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া দেশের ভালো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের একটা সাধারন বৈশিষ্ট্য হলো ছেলেমেয়েদের পৃথক শিক্ষা পদ্ধতি। পশ্চিমা বিশ্ব একটু দেরিতে হলেও তাদের শিক্ষার্থীদের বিপর্যয়ের কারণ চিন্হিত করতে পেরেছে। ফলে তারা তাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে পৃথক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করে তার দিকে ঝুঁকছে। বাংলাদেশ এদিক থেকে তুলনামুলক স্কুল ও কলেজ শিক্ষার ক্ষেত্রে ভাল অবস্থানে থাকলেও উচ্চ শিক্ষার মান নিয়ে রয়েছে বিস্তর প্রশ্ন। এ ব্যাপারে কারণ অনুসন্ধান করা দরকার। অনেক মেধাবী শিক্ষার্থীই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পরে বলে থাকেন পড়াশুনা যা শেখার স্কুল কলেজেই সুযোগ পেয়েছি। বিশ্ব বিদ্যালয়ে এসে পারছি কই? অথচ এখান থেকেই দেশের আগামী দিনের কারিগর তথা নেতৃত্ব আসার কথা। বিশেষ করে বর্তমান সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা, গবেষণা এবং ছাত্র রাজনীতি অনেকটাই প্রশ্নবিদ্ধ। একদিকে পাশ্চাত্য সাংস্কৃতির আগ্রাসন অন্যদিকে তরুণ তরুণীদের অবাধ মিশ্রনের সুযোগ তাদের শিক্ষা গবেষণায় মনোযোগহীনতা সৃষ্টি করছে। বর্তমানে উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মধ্যেও তরুণ- তারুণীদের অবাধ মেলামেশার পেছনে অধিক সময় দেয়া, বিভিন্ন মরণ নেশায় আসক্ত হওয়া (ট্যাবলেটিং, ফেনসিডাইলিং, মোবাইলিং, কম্পিউটারিং), বড় আপু-ভাইয়াদের নোট মুখস্ত করে পরীক্ষা দেয়া এবং সর্বোপরি রাজনৈতিক দলের লেজুড়বিত্তি তথা টেন্ডারবাজি-চাঁদাবাজি অনেকটাই সাধারন রূপ লাভ করেছে। দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে ছাত্রদের ভূমিকা দেখে জনৈক ব্যক্তি সেদিন আক্ষেপ করে বলছিলেন- দেশটা বিক্রি হয়ে গেলেও সম্ভবত আমাদের ছাত্রদের ঘুম ভাঙ্গবে না এবং তিনিই বলছিলেন, ঘুম ভাঙ্গবে কি করে, তাদেরকেতো ঘুম পাড়িয়ে রাখা হয়েছে। আমাদের উচ্চক্ষিার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক একাডেমিক মান অর্জনের জন্য নতুন করে ভাবতে হবে। নির্মম হলেও সত্য বিশ্বের কয়েকশত বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা করা হলেও সেখানে আমাদের কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম খুঁজে পাওয়া যায় না। ২০০৮ সালের ফলাফলে দেশের শীর্ষ ৩ স্কুলের (জিপিএ’র ভিত্তিতে) শিক্ষাদান পদ্ধতি নং নাম জিপিএ -৫ প্রাপ্ত শিক্ষা পদ্ধতি ১. মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ ৭৬৭ পৃথক শিক্ষা ২. ভিকারুন্নেছা নুন স্কুল এন্ড কলেজ ৬৭৮ পৃথক শিক্ষা ৩. মণিপুর হাইস্কুল ৬৫২ পৃথক শিক্ষা ২০০৮ সালের ফলাফলে বিভিন্ন বোর্ডের শীর্ষ ১০ স্কুলের (জিপিএ’র ভিত্তিতে) শিক্ষাদান পদ্ধতি নং বোর্ড ১. ঢাকা - পৃথক শিক্ষা - ৭ সহ-শিক্ষা - ৩ ২. চট্টগ্রাম - পৃথক শিক্ষা - ৬ সহ-শিক্ষা ৪ ৩ . কুমিল্লা - পৃথক শিক্ষা - ৮ সহ-শিক্ষা ২ ৪. রাজশাহী - পৃথক শিক্ষা - ৭ সহ-শিক্ষা ৩ ৫. যশোর - পৃথক শিক্ষা - ৭ সহ-শিক্ষা ৩ ৬ . বরিশাল - পৃথক শিক্ষা - ৮ সহ-শিক্ষা ২ ৭ . সিলেট - পৃথক শিক্ষা - ৬ সহ-শিক্ষা ৪ সর্বমোট- ৭০ ৪৯ সহ-শিক্ষা ২১ ২০০৮ সালের ফলাফলে সারাদেশের শীর্ষ ২০০ স্কুলের (জিপিএ’র ভিত্তিতে) শিক্ষাদান পদ্ধতি মোট স্কুল - ২০০ - পৃথক শিক্ষা - ১৬১(৮০.৫%) সহ-শিক্ষা-৩৯(১৯.৫%) ২০০৮ সালের ফলাফলে দেশের শীর্ষ ৩ কলেজের (জিপিএ’র ভিত্তিতে) শিক্ষাদান পদ্ধতি নং নাম জিপিএ -৫ প্রাপ্ত শিক্ষা পদ্ধতি ১. নটর ডেম কলেজ ১১৮৯ পৃথক শিক্ষা ২. ঢাকা সিটি কলেজ ৯৮৭ পৃথক শিক্ষা ৩. ভিকারুন নিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ৬৬৩ পৃথক শিক্ষা ২০০৭ সালের ফলাফলে দেশের শীর্ষ ৫ কলেজের (জিপিএ’র ভিত্তিতে) শিক্ষাদান পদ্ধতি নং নাম জিপিএ -৫ প্রাপ্ত শিক্ষা পদ্ধতি ১. নটর ডেম কলেজ ৮২৫ পৃথক শিক্ষা ২.ভিকারুন নিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ৪৯৩ পৃথক শিক্ষা ৩. ঢাকা সিটি কলেজ ৩৪৮ পৃথক শিক্ষা ৪. মতিঝিলের আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ ২৭৬ পৃথক শিক্ষা ৫. হলিক্রস কলেজ ২৩৯ পৃথক শিক্ষা ২০০৭ ঢাকা বোর্ডে সেরা ৫ কলেজের মধ্যে ৫ টিই ছেলে-মেয়ে পৃথক শিক্ষাপদ্ধতি চালু রয়েছে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ হাজার ২৫৪ জন পরীক্ষার্থী।ঢাকা বোর্ডে শীর্ষ স্থান অধিকার করেছে নটরডেম কলেজ। এ কলেজে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২ হাজার ১৬৫ জন। এর মধ্যে পাস করেছে ২ হাজার১৩৫ জন। পাসের শতকরা হার ৯৮.৬১ ভাগ। এ কলেজ থেকে এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮২৫ জন। দ্বিতীয় স্থানে ভিকারুননিসা নূন কলেজ। ভিকারুননিসায় এবার মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১ হাজার ১৩৪ জন। এর মধ্যে পাস করেছে ১ হাজার ১২১ জন। পাসের হার ৯৮.৮৫ ভাগ। এ কলেজ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৯৩ পরীক্ষার্থী। তৃতীয় স্থানে রয়েছে ঢাকা সিটি কলেজ। এ প্রতিষ্ঠান থেতে এবার পরীা দিয়েছে ২ হাজার ৯ পরীক্ষার্থী। এর মধ্যে পাস করেছে ১ হাজার ৯৮৪ জন। পাসের হার ৯৮.৭৬ ভাগ। সিটি কলেজ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে৩৪৮ পরীক্ষার্থী।চতুর্থ স্থান অধিকার করেছে মতিঝিলের আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ। এ প্রতিষ্ঠানের মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৯৪০ জন। এর মধ্যে পাস করেছে ৯৩৩ জন। পাসের শতকরা হার ৯৯.২৬ ভাগ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৭৬ পরীক্ষার্থী। ৫ম স্থানে রয়েছে হলিক্রস কলেজ। এ প্রতিষ্ঠান থেকে এবার পরীক্ষা দিয়েছিল ৭৩০ পরীক্ষার্থী। এর মধ্যে পাস করেছে ৭২৭ জন। পাসের হার ৯৯.৫৯ ভাগ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৩৯ জন। দেশে শিক্ষার ক্ষেত্রে আলাদা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ব্যাপারে স্বঘোষিত কিছু সুশিল ও নারীবাদীরা খোঁড়া আপত্তি জানালেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ছেলে-মেয়েদের পৃথক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সমূহ ঈর্ষণীয় সফলতা অর্জন করছে। তাই পৃথক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে কিছু মুখস্ত কথা ও হীনমন্যতা বোধ না করে আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মকে যোগ্য করে গড়ে তোলে দেশকে বিশ্ব দরবারে টিকে থাকতে হলে বাস্তবতা উপলব্ধি করে নিজেদের আর্থ সামাজিক ও নিজস্ব মূল্যবোধের আলোকে শিক্ষা পদ্ধতিকে ঢেলে সাজাতে হবে। কারণ যে পশ্চিমাদের অনুসরনে আমরা চলতে চাই তারা নিজেরাই দিক পরিবর্তন করতে বাধ্য হচ্ছে খবর রাখেন কি? ৮ শিক্ষা বোর্ডের সেরা ১০ স্কুল (২০০৯) ২০০৯ সালের ফলাফলে বিভিন্ন বোর্ডের শীর্ষ ১০ স্কুলের (জিপিএ’র ভিত্তিতে) শিক্ষাদান পদ্ধতি নং বোর্ড ১. ঢাকা - পৃথক শিক্ষা - ৯ সহ-শিক্ষা - ১ ২. চট্টগ্রাম - পৃথক শিক্ষা - ৭ সহ-শিক্ষা ৩ ৩ . কুমিল্লা - পৃথক শিক্ষা - ৯ সহ-শিক্ষা ১ ৪. রাজশাহী - পৃথক শিক্ষা - ৬ সহ-শিক্ষা ৪ ৫. যশোর - পৃথক শিক্ষা - ৮ সহ-শিক্ষা ২ ৬ . বরিশাল - পৃথক শিক্ষা - ৯ সহ-শিক্ষা ০ ৭ . সিলেট - পৃথক শিক্ষা - ৭ সহ-শিক্ষা ৩ ৮. দিনাজপুর বোর্ড- পৃথক শিক্ষা - ৬ সহ-শিক্ষা ৪ সর্বমোট- ৮০ - পৃথক শিক্ষা - ৬২ সহ-শিক্ষা ১৮ ঢাকা বোর্ড নাম জিপিএ পৃথক পাঠদান সহশিক্ষা ১. ভিকারুননিসা নূন স্কুল ৮৮৭ পৃথক পাঠদান ২. আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ ৭৫৪ পৃথক পাঠদান ৩. মনিপুর হাই স্কুল ৫৫৬ পৃথক পাঠদান ৪. মতিঝিল মডেল হাই স্কুল ৪৫০ পৃথক পাঠদান ৫. উত্তরা মাইলস্টোন কলেজ ৩৩০ পৃথক পাঠদান ৬. ডেমরা এ কে হাই স্কুল ৩২৭ পৃথক পাঠদান ৭. রাজউক উত্তরা মডেল স্কুল এন্ড কলে ৩২৬ বালক/বালিকা ৮. উত্তরা হাই স্কুল ৩১২ পৃথক পাঠদান ৯. মতিঝিল গভর্নমেন্ট বয়েজ হাই স্কুল ২৯১ পৃথক পাঠদান ১০. মোহাম্মদপুরের ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ ২৬৮ পৃথক পাঠদান রাজশাহী বোর্ড নাম জিপিএ পৃথক পাঠদান সহশিক্ষা ১. বগুড়া ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ ১৭৪ বালক/বালিকা ২. বগুড়া গভর্নমেন্ট গার্লস হাই স্কুল ১৪৩ পৃথক পাঠদান ৩. বগুড়া জেলা স্কুল ১৪০ পৃথক পাঠদান ৪. পাবনা জেলা স্কুল ৯৭ পৃথক পাঠদান ৫. বগুড়া আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন পাবলিক হাই স্কুল ৯৩ বালক/বালিকা ৬. রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুল ৮৭ পৃথক পাঠদান ৭. রাজশাহী গভর্নমেন্ট পি. এন. গার্লস হাই স্কুল ৭৮ পৃথক পাঠদান ৮. বগুড়া পুলিশ লাইন হাই স্কুল ৭৪ বালক/বালিকা ৯. রাজশাহী গভর্নমেন্ট গার্লস হাই স্কুল ৬৯ পৃথক পাঠদান ১০. নবাবগঞ্জের হরিমোহন গভর্নমেন্ট হাই স্কুল ৬৪ বালক/বালিকা কুমিল্লা বোর্ড নাম জিপিএ পৃথক পাঠদান সহশিক্ষা ১. কুমিল্লা জেলা স্কুল ২৬৪ বালক ২. কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুল ২১৪ বালক ৩. কুমিল্লা নওয়াব ফয়জুন্নেসা গভর্ণমেন্ট গার্লস হাই স্কুল ১৬৯বালিকা ৪. চাঁদপুরের আলআমিন একাডেমী ১১৩ বালক ৫. নোয়াখালী জেলা স্কুল ১০১ বালক ৬. কুমিল্লা ইস্পাহানি পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ ৯৭ বালক/বালিকা ৭. কুমিল্লা ইবনে তাইমা হাই স্কুল ৮৮ বালক ৮. ব্রাহ্মণবাড়িয়া আনন্দ গভর্নমেন্ট হাই স্কুল ৭৫ বালক ৯. নোয়াখালী গভর্নমেন্ট হাই স্কুল ৬৫ বালক ১০. কুমিল্লার আওয়ার লেডি অব ফাতিমা গার্লস হাই স্কুল ৬৪ বালিকা যশোর বোর্ড নাম জিপিএ পৃথক পাঠদান সহশিক্ষা ১. খুলনা জেলা স্কুল ১৯৯ পৃথক পাঠদান ২. গভর্নমেন্ট করোনেশন সেকেন্ডারি গার্লস হাই স্কুল ১৭২ বালিকা ৩. কুষ্টিয়া জেলা স্কুল ১২২ বালক ৪. যশোর জেলা স্কুল ১১৫ বালক ৫. কুষ্টিয়া গভর্নমেন্ট সেকেন্ডারি গার্লস স্কুল ১০৮ বালিকা ৬. যশোর পুলিশ লাইন সেকেন্ডারি স্কুল ৬৮ বালক/বালিকা ৭. যশোর গভর্নমেন্ট গার্লস হাই স্কুল ৬৬ বালিকা ৮. খুলনার গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুল ৬৪ বালক ৯. খুলনা পাবলিক কলেজ ৫৮ বালক ১০. খুলনা নৌ বাহিনী সেকেন্ডারি স্কুল ৫৫ বালক/বালিকা চট্টগ্রাম বোর্ড নাম জিপিএ পৃথক পাঠদান সহশিক্ষা ১. চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল ৩৪৬ বালক ২. ডা. খাস্তগীর গভর্নমেন্ট গার্লস হাই স্কুল ২২৯ বালিকা ৩. গভর্ণমেন্ট মুসলিম হাই স্কুল ১৯৬ বালক ৪. বাংলাদেশ মহিলা সমিতি গার্লস হাই স্কুল এন্ড কলেজ ১৯১বালিকা ৫. নাসিরাবাদ গভর্নমেন্ট হাই স্কুল ১৮৫ বালক/বালিকা ৬. নৌ বাহিনী হাই স্কুল এন্ড কলেজ ১৫৫ বালক/বালিকা ৭. চট্টগ্রাম গভর্নমেন্ট হাই স্কুল ১৩৮ বালক ৮. চট্টগ্রাম পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ ১১২ পৃথক পাঠদান ৯. চট্টগ্রাম গভর্নমেন্ট গার্লস হাই স্কুল ৯৮ বালিকা ১০. ইস্পাহানি পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ৮৭ বালক/বালিকা বরিশাল বোর্ড নাম জিপিএ পৃথক পাঠদান সহশিক্ষা ১. বরিশাল জেলা স্কুল ১২২ বালক ২. বরিশাল গভর্নমেন্ট গার্লস হাই স্কুল ১১৬ বালিকা ৩. বরিশাল ক্যাডেট কলেজ ৪৯ বালক ৪. বরিশাল উদয়ন সেকেন্ডারি স্কুল ৩৬ বালক ৫. পটুয়াখালী গভর্নমেন্ট জুবিলী হাই স্কুল ৩৫ বালক ৬. পিরোজপুর গভর্নমেন্ট গার্লস হাই স্কুল ৩১ বালিকা ৭. ভোলা গভর্নমেন্ট সেকেন্ডারি স্কুল ৩১ বালক ৮. পিরোজপুর গভর্নমেন্ট সেকেন্ডারি স্কুল ২৯ বালক ৯. পিরোজপুরের স্বরূপকাঠি কলেজিয়েট একাডেমী২৮ বালক ১০. পিরোজপুরের কে এম লতিফ ইন্সটিটিউশন ২৬ বালক ১১. ভোলা গভর্নমেন্ট সেকেন্ডারি গার্লস স্কুল ২৬ বালিকা ১২. পটুয়াখালী গভর্নমেন্ট গার্লস হাই স্কুল ২৪ বালিকা সিলেট বোর্ড নাম জিপিএ পৃথক পাঠদান সহশিক্ষা ১. ব্লু বার্ড হাই স্কুল ১৩৮ বালক/বালিকা ২. সিলেট গভর্নমেন্ট পাইলট হাই স্কুল ১৩৩ বালক ৩. সিলেটের গভর্নমেন্ট অগ্রগামী গার্লস হাই স্কুল১০৪ বালিকা ৪. সিলেট শাহজালাল জামিয়া ইসলামিয়া হাই স্কুল৭৭ পৃথক পাঠদান ৫. মৌলভীবাজার গভর্নমেন্ট হাই স্কুল ৫২ বালক ৬. সিলেট ক্যাডেট কলেজ ৪৮ বালক ৭. হবিগঞ্জ গভর্নমেন্ট হাই স্কুল ৪৬ বালক ৮. সিলেট জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ ৪২ বালক/বালিকা ৯. দি বাডস রেসিডেন্সিয়াল মডেল হাই স্কুল, শ্রীমঙ্গল ৪১ বালক/বালিকা ১০. সুনামগঞ্জের গভর্নমেন্ট এস. সি. গার্লস হাই স্কুল৩৯ বালিকা দিনাজপুর বোর্ড নাম জিপিএ পৃথক পাঠদান সহশিক্ষা ১. রংপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ১৯৭ বালক/বালিকা ২. রংপুর জেলা স্কুল ১৯৫ বালক ৩. রংপুর গভর্নমেন্ট গার্লস হাই স্কুল ১৪২ বালিকা ৪. দিনাজপুর জেলা স্কুল ১৩৯ বালক ৫. রংপুর পুলিশ লাইন স্কুল এন্ড কলেজ ১০৭ বালক/বালিকা ৬. ঠাকুরগাঁও গভর্নমেন্ট বয়েজ হাই স্কুল ১০২ বালক ৭. সৈয়দপুর লায়ন্স হাই স্কুল ৯৯ বালক/বালিকা ৮. দিনাজপুর গভর্নমেন্ট গার্লস হাই স্কুল ৯৮ বালিকা ৯. সৈয়দপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ ৯২ বালক/বালিকা ১০. পঞ্চগড় বি. পি. গভর্নমেন্ট হাই স্কুল ৮৫ বালক ২০১০ সালের ফলাফলে বিভিন্ন বোর্ডের শীর্ষ ১০ স্কুলের ও কলেজের (জিপিএ’র ভিত্তিতে) শিক্ষাদান পদ্ধতি শীর্ষ ১০ স্কুল ২০১০ . ঢাকা বোর্ড - পৃথক শিক্ষা - ৯- সহ-শিক্ষা - ১ শীর্ষ ১০ কলেজ ২০১০ .ঢাকা বোর্ড - পৃথক শিক্ষা - ৯ -সহ-শিক্ষা - ১ ২০১১ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সিঙ্গেল সেক্স শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ঈর্ষণীয় সাফল্যঃ ৮ বোর্ডের মাত্র ১টিতে ১ম স্থানে সহশিক্ষা প্রতিষ্ঠান- ঢাকা বোর্ডে সেরা কুড়িতে সহশিক্ষা মাত্র ৩ টিতে- ৮ বোর্ডের মাত্র ১টিতে প্রথম স্থানে সহশিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বাকি ৭টিই পৃথক তথা সিঙ্গেল সেক্স শিক্ষা প্রতিষ্ঠান- ঢাকা বোর্ডে সেরা কুড়িতে ১৭টিই সিঙ্গেল সেক্স শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আর সহশিক্ষা প্রতিষ্ঠান মাত্র ৩ টি। বিভিন্ন বোর্ডে প্রথম স্খান অধিকারকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান: বোর্ড- প্রথম স্খান অধিকারকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান - ধরণ -ঢাকা বোর্ডে - রাজউক উত্তরা মডেল হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ-সহশিক্ষা প্রতিষ্ঠান -কুমিল্লা বোর্ড - কুমিল্লা জিলা স্কুল-সিঙ্গেল সেক্স শিক্ষা প্রতিষ্ঠান -যশোর বোর্ড - ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ-সিঙ্গেল সেক্স শিক্ষা প্রতিষ্ঠান -রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড-পাবনা ক্যাডেট কলেজ-সিঙ্গেল সেক্স শিক্ষা প্রতিষ্ঠান -সিলেট বোর্ড - সিলেট ক্যাডেট কলেজ-সিঙ্গেল সেক্স শিক্ষা প্রতিষ্ঠান -বরিশাল বোর্ড - বরিশাল ক্যাডেট কলেজ-সিঙ্গেল সেক্স শিক্ষা প্রতিষ্ঠান -চট্টগ্রাম বোর্ড - ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ-সিঙ্গেল সেক্স শিক্ষা প্রতিষ্ঠান -দিনাজপুর বোর্ড - রংপুর ক্যাডেট কলেজ -সিঙ্গেল সেক্স শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঢাকা বোর্ডের মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষায় ফলাফলের দিক থেকে এগিয়ে থাকা ২০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৭টিই সিঙ্গেল সেক্স শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এছাড়া ৮ বোর্ডের ফলাফল বিশ্লেষণেও দেখা প্রায় ৮০% শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানই পৃথক তথা সিঙ্গেল সেক্স শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বিভিন্ন বোর্ডের সেরা ২০স্কুল গত বছর ১৮ জুন যুক্তরাষ্ট্রের টাইম ম্যাগাজিনে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গ্লুচেস্টার হাইস্কুলে গ্রীষ্মের বন্ধে ১৭ জন বালিকা গর্ভধারণ করেছে এবং এর আগের বছর স্কুলে মোট ১ হাজার ২০০ বালিকা গর্ভধারণ করে। এ ছাড়া এপি পরিবেশিত এক খবরে বলা হয়, ওহিও রাজ্যে টিমকিন সিনিয়র হাইস্কুলে ১৩ শতাংশ ছাত্রী গর্ভবতী হয়। ২০১১ সালে এইচএসসির ফলাফলে দেশ সেরা দশের নয়টিই সহশিক্ষাবিহীন এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলে ১০ বোর্ডের মধ্যে সেরা ১০ কলেজের নয়টিই সহশিক্ষাবিহীন। ফল পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, শীর্ষ ১০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকায় ঢাকার তিনটির পাশাপাশি সমান সংখ্যক প্রতিষ্ঠান রয়েছে রাজশাহীর। কুমিল্লা, যশোর, চট্টগ্রাম ও দিনাজপুরের রয়েছে একটি করে প্রতিষ্ঠান। দেশ সেরা দশের তালিকা: দেশের আটটি সাধারণ এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের গ্রেড পয়েন্টের ভিত্তিতে ১০ বোর্ডের ২০টি করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ করা হয়। ১. রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ- ৯৪ দশমিক ৬৪ পয়েন্ট ২. রংপুর ক্যাডেট কলেজ- পয়েন্ট ৯১ ৩. পাবনা ক্যাডেট কলেজ ৯০ পয়েন্ট ৪. ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজ- ৮৯ দশমিক ৮০পয়েন্ট ৫. ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ - ৮৯ দশমিক ৩৮ পয়েন্ট ৬. রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ- ৮৯ দশমিক ২৭ পয়েন্ট ৭. ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ- ৮৯ দশমিক ১৮ পয়েন্ট ৮. জয়পুরহাট গার্লস ক্যাডেট কলেজ- ৮৮ দশমিক ৭৪ পয়েন্ট ৯. মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ- ৮৮ দশমিক ৭২ পয়েন্ট এবং ১০. ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ- ৮৮ দশমিক ৬৭ পয়েন্ট উপরিউক্ত ১০টি কলেজের মধ্যে কেবল রাজউক উত্তরা মডেল কলেজে সহশিক্ষা বিদ্যমান। উল্লেখ্য দেশের আটটি সাধারণ এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের গ্রেড পয়েন্টের ভিত্তিতে ১০ বোর্ডের ২০টি করে মোট ২০০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সিংহভাগই সহশিক্ষাবিহীন। BY Hassan
2012-07-18 19:45:35
যাদের এইচ এস সি পরীক্ষার রেজাল্ট নিয়ে বেশি টেনশন হচ্ছে তাদের জন্য এই পোস্ট টা...:) আররে যা হবার হবে , A+ ই সব কিছু না , নিজেকে প্রমান করার জন্য এখন ও অনেক সময় রযেছে ৩ ঘন্টার এক একটা পরীক্ষা কখনই আমাদের সারাজীবনের কষ্ট কে নষ্ট করতে পারে না আশা করি সবাই অনেক ভালো রেজাল্ট করবে , আর কালকে অন্তত একবার আমাকে জানিয়ে যাবে :D মিষ্টি আনলে ভালো , না আনলে আরো ভালো :) *nijhum*
2012-07-18 19:45:34 1 votes
मामला है 2001 का, CGO Complex, Delhi के पास दंगा भड़काने और शान्ति व्यवस्था भंग करने के आरोप में पैशाचिक जामा मस्जिद के कु-शाही इमाम बुखारी के खिलाफ कोर्ट ने वारंट जारी किये l हिन्दू महासभा के दिल्ली प्रदेश के उपाध्यक्ष स्वामी सदाचारी ओम जी महाराज लगातार कोर्ट की प्रत्येक सुनवाई में उपस्थित रहे l कई बार वारंट जारी करने के बाद भी दिल्ली पुलिस में कु-शाही इमाम को गिरफ्तार करने का साहस नहीं आया l कोर्ट ने दिल्ली पुलिस को फटकार लगाते हुए इमाम बुखारी को भगोड़ा घोषित किया, फिर भी यह खुलेआम पूरे विश्व में जिहाद फैलाने हेतु भ्रमण करता रहा और जगह जगह दंगे भड़काता रहा l दिल्ली पुलिस ने फिर भी कोई कदम नहीं उठाया इमाम बुखारी की गिरफ्तारी हेतु l कोर्ट ने फिर राज्य सरकार और दिल्ली पुलिस को कड़ी फटकार लगाते हुए इमाम बुखारी की सम्पत्ति की कुड़की के आदेश दिए l स्वामी ओम जी के अथक प्रयासों के कारण दिल्ली पुलिस ने पहली बार इमाम बुखारी के यहाँ पर दिखावे का छापा मारते हुए जब्ती दिखाई और जब्ती में दिखाया "एक चारपाई और एक लौटा" अगली बार दिल्ली पुलिस ने कहा की इमाम बुखारी नाम का व्यक्ति इस क्षेत्र में कोई नही रहता l अगली सुनवाई में दिल्ली पुलिस ने बयान दिया की यदि कु-शाही इमाम बुखारी को गिरफ्तार किया गया तो साम्प्रदायिक दंगे भडक सकते हैं l कोर्ट ने 17 जुलाई तक कु-शाही इमाम बुखारी को गिरफ्तार करके कोर्ट में पेश करने को कहा l जिसके जवाब में शीला दीक्षित के दबाव में दिल्ली पुलिस के लोधी कालोनी पुलिस स्टेशन के SHO ईश्वर सिंह ने दलील दी कु-शाही इमाम बुखारी का केस बंद कर दिया जाए l जिसके जवाब में मजिस्ट्रेट राजेन्द्र सिंह ने SHO ईश्वर सिंह को कड़ी फटकार लगाते हुए एक और गैर-जमानती वारंट जारी करते हुए कहा की 3 अगस्त से पहले कु-शाही इमाम बुखारी को गिरफ्तार करके साकेत जिला न्यायालय में पेश किया जाए l स्वामी सदाचारी ओम जी को हार्दिक शुभकामनायें l जय हिन्दू राष्ट्र! जय श्री राम कृष्ण परशुराम ॐ
Originally posted on Lovy's wall
2012-07-18 19:45:34
ज्ञात हो की ये वही MLC हैं जिनके इशारे पर मजलूम लोगों का खून बहाया गया था.....अब देखें किया होता है....हम उस employee के रिश्तेदारों के प्रति सहानुभूति प्रकट करते हैं...
timesofindia.indiatimes.com
An irate mob set ablaze the vehicle of BJP MLC Ashok Agrawal and blocked the main road at Shahid Chowk here to protest the killing of one Dhiraj Mahto (35) who worked as an employee of the MLC.
2012-07-18 19:45:02 3 votes
भैया जब मनमोहन की आलोचना के सुर रुक ही नहीं रहे तो हम क्या करे ...मज़बूरी है खबर को पोस्ट करना .... बैसे ही हिन्दुस्तान की आम जनता ( कांग्रेसियों को छोड़ कर ) आठ आठ आंसू रो रही है इनके काले और नाकारा अर्थशास्त्र के कारण..जब ये महोदय देश की इज्जत तार तार करने पर अमादा है तो कुछ फर्ज हमारा भी है की हम इनके नपुंशक नाकारापन को अपने दोस्तों के सामने लाये !!! रूस ने भारत बेचैनी के साथ का अपनी चिंताओं का खुलकर किया इजहार...... पहले अंतर्राष्ट्रीय क्रेडिट रेटिग एजेंसी ..फिर अमेरिका की TIME मैगजीन उसके बाद इंग्लैण्ड की मीडिया ..फिर उसके बाद फिर ओबामा द्वारा आलोचना और सुधार के उपदेश के बाद अब नंबर आया है भारत के पुराने मित्र रूस का ......अब तक .भारत के हर मौसम के साथी रूस को भी अपने निवेश की फिक्र सताने लगी है। भारत दौरे पर आए रूस के उप प्रधानमंत्री दिमित्री रोगोजिन ने प्रधानमंत्री मनमोहन सिंह समेत सरकार के आला नेताओं के साथ मुलाकात में टेलीकॉम कंपनी सिस्टेमा और कुडनकुलम परमाणु संयंत्र सहित रूसी निवेश परियोजनाओं में अड़चनों पर गहरी चिंता जताई है। विदेश मंत्री एसएम कृष्णा के साथ मंगलवार को वार्ता के बाद साझा प्रेस कांफ्रेंस में भी रोगोजिन ने रूस की बेचैनी का खुलकर इजहार किया। उन्होंने कहा, कुछ संवेदनशील मुद्दे हैं जिन्हें सुलझाना जरूरी है। अपने साथ आए दल में सिस्टेमा श्याम के मुखिया व्लादिमीर येतुशेंकोव की ओर इशारा करते हुए उन्होंने कहा, इससे ही स्पष्ट है कि इस मामले में रूस की कितनी गंभीर रुचि है। हमें लंबित समस्याओं का समाधान चाहिए ताकि हमारे उद्योग जगत की परेशानियों को दूर किया जा सके और दोनों देशों के बीच व्यापार बढ़ सके। सूत्रों के अनुसार वार्ता के दौरान सिस्टेमा के निवेश को लेकर रूस की ओर से पूछे गए सवालों पर भारतीय विदेश मंत्री ने इतना ही कहा कि यह विषय अदालत के विचाराधीन है। महत्वपूर्ण है कि 2जी स्पेक्ट्रम आवंटन मामले पर आए सुप्रीम कोर्ट के फैसले में जिन कंपनियों के लाइसेंस नियम विरुद्ध माने गए थे उनमें रूसी कंपनी सिस्टेमा-श्याम टेलीसर्विसेज भी है। इस मामले पर रूसी राजदूत अलेक्जेंडर कदाकिन का कहना था कि अगर भारत सरकार ने शर्तो में संशोधन नहीं किया तो सिस्टेमा को भारतीय बाजार में अपना कारोबार बंद करना पड़ेगा जैसा कि कुछ अन्य विदेशी कंपनियां कर चुकी हैं। इस क्षेत्र में पैदा हुई स्थिति हमें नामंज़ूर है
2012-07-18 19:44:49
আমার বাসায় আমার মেয়ের মামা এসেছিল। মেয়ের আনন্দ দেখে কে। মামাকে নিয়েই ঢুকল টিভি রুমে, শুরু হল কার্টুণ দেখা। সে তার মামাকে বুঝিয়ে দিচ্ছে। মামা তার পাখিকে জিজ্ঞাসা করল তুমি কি সব বুঝতে পারছ? পাখির পাল্টা প্রশ্ন তুমি বুঝতে পারছ না? মামা বলল না, মেয়েতো হেসেয় খুন মামা তুমি বাংলা বুঝতে পারছ না? যদিও কার্টুনের ভাষা ছিল হিন্দি। কিছুক্ষন পর এসে আমাকে বলল বাবা আমাকে শক্তি এস্তেমাল করতে হবে। আমি বললাম কি? বলল তোমাকে দিয়ে হবে না, আমার এখন মা দূর্গার আর্শিবাদ লাগবে। আমিতো হতবাগ, বললাম কি বলছ তুমি? বলল তুমিতো হিরো কার্টুন দেখ না তুমি কি বুঝবা বলেই দুই হাত এক করে চোখ বন্ধ করে বলতে লাগল মা দূর্গা আমাকে আর্শিবাদ কর প্লিজ মা দূর্গা। এটা দেখে আমি ধমক দিলে সে চোখ বড় করে আমাকে বলল তুমি জানোনা হিরো যখন এভাবে প্রে করে মা দূর্গা তখন আর্শিবাদ দেয় আর হিরো অনেক ভাল কাজ করতে পারে। ছোটদের হেল্প করে। এ দুটি ঘটনা আমার যথেষ্ঠ ভাবনার কারণ হয়ে দাড়িয়েছে। আসলে হচ্ছেটা কি? আমাদের বাচ্চারা কি শিখছে? এ ধরনের অনুষ্ঠান কি শুধুই বিনোদন? যদিও অনেক মুক্ত মনের মানুষ বলেন এটি বিনোদনে মাধ্যমে শিক্ষার একটা মাধ্যম। তাহলে বলব আমাদের সন্তানেরা কি শিখছে?
2012-07-18 19:44:31 2 votes
•► নদীর উপর নদীর ব্রিজ◄• !!! এটি জার্মানির Magdeburg Water Bridge একটি নদী আরেকটি নদীকে ক্রস করাতে এই পানির ব্রিজটি তৈরি করা হয়। এটা তৈরিতে খরচ হয়েছে মোট 500মিলিয়ন ইউরো। ১৯৯৭ সালে এর নির্মান কাজ শুরু হয় আর শেষ হয় ২০০৩ সালে। ভালো লাগলে লাইক দিবেন অবশ্যই এবং বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন। Mobile share link: http://is.gd/pLbiS6
2012-07-18 19:43:45
ताजमहल...........एक छुपा हुआ सत्य.......... बी.बी.सी. कहता है...........ताजमहल........... एक छुपा हुआ सत्य...कभी मत कहो कि...यह एक मकबरा है. अब कृपया इसे पढ़ें ......... प्रो.पी. एन. ओक. को छोड़ कर किसी ने कभी भी इस कथन को चुनौती नही दी कि........ "ताजमहल शाहजहाँ ने बनवाया था" प्रो.ओक. अपनी पुस्तक "TAJ MAHAL - THE TRUE STORY" द्वारा इस बात में विश्वास रखते हैं कि,-- सारा विश्व इस धोखे में है कि खूबसूरत इमारत ताजमहल को मुग़ल बादशाह शाहजहाँ ने बनवाया था..... ओक कहते हैं कि...... ताजमहल प्रारम्भ से ही बेगम मुमताज का मकबरा न होकर,एक हिंदू प्राचीन शिव मन्दिर है जिसे तब तेजो महालय कहा जाता था. अपने अनुसंधान के दौरान ओक ने खोजा कि इस शिव मन्दिर को शाहजहाँ ने जयपुर के महाराज जयसिंह से अवैध तरीके से छीन लिया था और इस पर अपना कब्ज़ा कर लिया था,, =>शाहजहाँ के दरबारी लेखक "मुल्ला अब्दुल हमीद लाहौरी "ने अपने "बादशाहनामा" में मुग़ल शासक बादशाह का सम्पूर्ण वृतांत 1000 से ज़्यादा पृष्ठों मे लिखा है,,जिसके खंड एक के पृष्ठ 402 और 403 पर इस बात का उल्लेख है कि, शाहजहाँ की बेगम मुमताज-उल-ज़मानी जिसे मृत्यु के बाद, बुरहानपुर मध्य प्रदेश में अस्थाई तौर पर दफना दिया गया था और इसके ०६ माह बाद,तारीख़ 15 ज़मदी-उल- अउवल दिन शुक्रवार,को अकबराबाद आगरा लाया गया फ़िर उसे महाराजा जयसिंह से लिए गए,आगरा में स्थित एक असाधारण रूप से सुंदर और शानदार भवन (इमारते आलीशान) मे पुनः दफनाया गया,लाहौरी के अनुसार राजा जयसिंह अपने पुरखों कि इस आली मंजिल से बेहद प्यार करते थे ,पर बादशाह के दबाव मे वह इसे देने के लिए तैयार हो गए थे. इस बात कि पुष्टि के लिए यहाँ ये बताना अत्यन्त आवश्यक है कि जयपुर के पूर्व महाराज के गुप्त संग्रह में वे दोनो आदेश अभी तक रक्खे हुए हैं जो शाहजहाँ द्वारा ताज भवन समर्पित करने के लिए राजा जयसिंह को दिए गए थे....... =>यह सभी जानते हैं कि मुस्लिम शासकों के समय प्रायः मृत दरबारियों और राजघरानों के लोगों को दफनाने के लिए, छीनकर कब्जे में लिए गए मंदिरों और भवनों का प्रयोग किया जाता था , उदाहरनार्थ हुमायूँ, अकबर, एतमाउददौला और सफदर जंग ऐसे ही भवनों मे दफनाये गए हैं .... =>प्रो. ओक कि खोज ताजमहल के नाम से प्रारम्भ होती है..... =>"महल" शब्द, अफगानिस्तान से लेकर अल्जीरिया तक किसी भी मुस्लिम देश में भवनों के लिए प्रयोग नही किया जाता... यहाँ यह व्याख्या करना कि महल शब्द मुमताज महल से लिया गया है......वह कम से कम दो प्रकार से तर्कहीन है...... पहला -----शाहजहाँ कि पत्नी का नाम मुमताज महल कभी नही था,,,बल्कि उसका नाम मुमताज-उल-ज़मानी था ... और दूसरा-----किसी भवन का नामकरण किसी महिला के नाम के आधार पर रखने के लिए केवल अन्तिम आधे भाग (ताज)का ही प्रयोग किया जाए और प्रथम अर्ध भाग (मुम) को छोड़ दिया जाए,,,यह समझ से परे है... प्रो.ओक दावा करते हैं कि,ताजमहल नाम तेजो महालय (भगवान शिव का महल) का बिगड़ा हुआ संस्करण है, साथ ही साथ ओक कहते हैं कि---- मुमताज और शाहजहाँ कि प्रेम कहानी,चापलूस इतिहासकारों की भयंकर भूल और लापरवाह पुरातत्वविदों की सफ़ाई से स्वयं गढ़ी गई कोरी अफवाह मात्र है क्योंकि शाहजहाँ के समय का कम से कम एक शासकीय अभिलेख इस प्रेम कहानी की पुष्टि नही करता है..... इसके अतिरिक्त बहुत से प्रमाण ओक के कथन का प्रत्यक्षतः समर्थन कर रहे हैं...... तेजो महालय (ताजमहल) मुग़ल बादशाह के युग से पहले बना था और यह भगवान् शिव को समर्पित था तथा आगरा के राजपूतों द्वारा पूजा जाता था----- ==>न्यूयार्क के पुरातत्वविद प्रो. मर्विन मिलर ने ताज के यमुना की तरफ़ के दरवाजे की लकड़ी की कार्बन डेटिंग के आधार पर 1985 में यह सिद्ध किया कि यह दरवाजा सन् 1359 के आसपास अर्थात् शाहजहाँ के काल से लगभग 300 वर्ष पुराना है... ==>मुमताज कि मृत्यु जिस वर्ष (1631) में हुई थी उसी वर्ष के अंग्रेज भ्रमण कर्ता पीटर मुंडी का लेख भी इसका समर्थन करता है कि ताजमहल मुग़ल बादशाह के पहले का एक अति महत्वपूर्ण भवन था...... ==>यूरोपियन यात्री जॉन अल्बर्ट मैनडेल्स्लो ने सन् 1638 (मुमताज कि मृत्यु के 07 साल बाद) में आगरा भ्रमण किया और इस शहर के सम्पूर्ण जीवन वृत्तांत का वर्णन किया,,परन्तु उसने ताज के बनने का कोई भी सन्दर्भ नही प्रस्तुत किया,जबकि भ्रांतियों मे यह कहा जाता है कि ताज का निर्माण कार्य 1631 से 1651 तक जोर शोर से चल रहा था...... ==>फ्रांसीसी यात्री फविक्स बर्निअर एम.डी. जो औरंगजेब द्वारा गद्दीनशीन होने के समय भारत आया था और लगभग दस साल यहाँ रहा,के लिखित विवरण से पता चलता है कि,औरंगजेब के शासन के समय यह झूठ फैलाया जाना शुरू किया गया कि ताजमहल शाहजहाँ ने बनवाया था....... प्रो. ओक. बहुत सी आकृतियों और शिल्प सम्बन्धी असंगताओं को इंगित करते हैं जो इस विश्वास का समर्थन करते हैं कि,ताजमहल विशाल मकबरा न होकर विशेषतः हिंदू शिव मन्दिर है....... आज भी ताजमहल के बहुत से कमरे शाहजहाँ के काल से बंद पड़े हैं,जो आम जनता की पहुँच से परे हैं प्रो. ओक., जोर देकर कहते हैं कि हिंदू मंदिरों में ही पूजा एवं धार्मिक संस्कारों के लिए भगवान् शिव की मूर्ति,त्रिशूल,कलश और ॐ आदि वस्तुएं प्रयोग की जाती हैं....... ==>ताज महल के सम्बन्ध में यह आम किवदंत्ती प्रचलित है कि ताजमहल के अन्दर मुमताज की कब्र पर सदैव बूँद बूँद कर पानी टपकता रहता है,, यदि यह सत्य है तो पूरे विश्व मे किसी किभी कब्र पर बूँद बूँद कर पानी नही टपकाया जाता,जबकि प्रत्येक हिंदू शिव मन्दिर में ही शिवलिंग पर बूँद बूँद कर पानी टपकाने की व्यवस्था की जाती है,फ़िर ताजमहल (मकबरे) में बूँद बूँद कर पानी टपकाने का क्या मतलब....???? राजनीतिक भर्त्सना के डर से इंदिरा सरकार ने ओक की सभी पुस्तकें स्टोर्स से वापस ले लीं थीं और इन पुस्तकों के प्रथम संस्करण को छापने वाले संपादकों को भयंकर परिणाम भुगत लेने की धमकियां भी दी गईं थीं.... प्रो. पी. एन. ओक के अनुसंधान को ग़लत या सिद्ध करने का केवल एक ही रास्ता है कि वर्तमान केन्द्र सरकार बंद कमरों को संयुक्त राष्ट्र के पर्यवेक्षण में खुलवाए, और अंतर्राष्ट्रीय विशेषज्ञों को छानबीन करने दे .... ज़रा सोचिये....!!!!!! कि यदि ओक का अनुसंधान पूर्णतयः सत्य है तो किसी देशी राजा के बनवाए गए संगमरमरी आकर्षण वाले खूबसूरत,शानदार एवं विश्व के महान आश्चर्यों में से एक भवन, "तेजो महालय" को बनवाने का श्रेय बाहर से आए मुग़ल बादशाह शाहजहाँ को क्यों......????? तथा...... इससे जुड़ी तमाम यादों का सम्बन्ध मुमताज-उल-ज़मानी से क्यों........???? ??? आंसू टपक रहे हैं, हवेली के बाम से...... रूहें लिपट के रोटी हैं हर खासों आम से...... अपनों ने बुना था हमें,कुदरत के काम से..... फ़िर भी यहाँ जिंदा हैं हम गैरों के नाम से......
2012-07-18 19:43:33
ব্যবসায়ী ভাইয়েরা আমাদের অন্তত সুস্থ ভাবে বাঁচতে দিন। অনেকে এটাকে হক্স বলে উড়িয়ে দিচ্ছেন। কিন্তু মায়ানমারের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ও ইন্ডিপেন্ডেন্ট মর্নিং নিউজ এজেন্সি সহ বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক মিডিয়াতে এ বিষয়ে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এতে বলা হয়, ইয়াঙ্গুনসহ দেশটির বিভিন্ন এলাকায় সীমান্তের চোরাপথেচীন থেকে কৃত্রিম ডিম পাচার হয়ে আসছে। যা দেখতে অবিকল হাঁস মুরগির ডিমের মতো। , ‘২০০৪ সাল থেকেই তৈরি হচ্ছে কৃত্রিম ডিম। যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিত বিজ্ঞান সাময়িকী ‘দ্য ইন্টারনেট জার্নাল অফ টক্সোকোলজি’তে কৃত্রিম ডিম সম্পর্কে বিশ্লেষণধর্মী তথ্য প্রকাশ হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কৃত্রিম ডিমে কোনো খাদ্যগুন ও প্রোটিন নেই। বরং তা মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর। কিভাবে তৈরি হয় কৃত্রিম ডিম ইন্টারনেট থেকে প্রাপ্ত প্রস্তুতপ্রনালীতে দেখা যায়, কুসুম ও সাদা অংশের সমন্বয়ে কৃত্রিম ডিম তৈরি করতে প্লাস্টিকের ছাঁচ ব্যবহৃত হয়। তবে তার আগে কুসম তৈরি করা হয় বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে। সরাসরি ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড ও কালারিং ডাই দিয়ে লাল বা গাঢ় হলুদ রংয়ের কুসুম তৈরি করা হয়। তার ওপর অতি পাতলা স্বচ্ছ রাসায়নিকের আবরণ তৈরি করা হয়। যাতে কুসুম ও সাদা অংশ এক না হয়ে যায়। সাদা অংশ তৈরিতে ব্যবহার হয় ক্যালসিয়াম কার্বনেট, স্টার্চ, রিজিন জিলাটিন ও এলাম। প্লাস্টিকের ছঁচ ডিমের সাদা অংশ তৈরি করে তার মাঝখানে ডিমের কুসুম তৈরি করা হয়। শেষ ধাপে ডিমের উপরের শক্ত খোলস তৈরিতে করা হয়। এর জন্য ব্যবহার করা হয় ওয়াক্স এর মিশনখানে ব্যবহার করা হয় প্যারাফিন, বেনজয়িক এসিড, বেকিং পাউডার, ক্যালসিয়াম কার্বাইড। সাদা অংশকে ওয়াক্সের দ্রবণে কিছুক্ষণ নাড়ানো চাড়ানো হয়। বাইরে থেকে স্বল্প তাপ প্রয়োগ করা হয়। এতেই তৈরি হয়ে যায় হুবহু ডিমের মতো দেখতে একটি বস্তু। আসল ডিম থেকে নকল ডিম আলাদা করার উপায়ঃ - কৃত্রিম অনেক বেশি ভঙ্গুর। অল্প চাপে ভেঙ্গে যায়। - এ ডিম সিদ্ধ করলে এর কুসুম বর্ণহীন হয়ে যায়। ভাঙ্গার পর আসল ডিমের মতো কুসুম এক জায়গায় না থেকে চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে। -কৃত্রিম ডিম আকারে আসল ডিমের তুলনায় সামান্য বড় এবং এর খোলস মসৃণ। ইন্টারনেট-এর বিভিন্ন সাইট থেকে আরো জানা যায়, চীনে তৈরী হওয়া এসব কৃত্রিম বা নকল ডিম এক কথায় বিষাক্ত। কৃত্রিম ডিম তৈরিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক উপাদান ক্যালসিয়াম কার্বনেট, স্টার্চ, রেসিন, জিলেটিন মানবদেহের জন্য খুবই ক্ষতিকর। দীর্ঘদিন এ ধরনের ডিম খেলে স্নায়ুতন্ত্র ও কিডনিতে সমস্যা হতে পারে। ক্যালসিয়াম কার্বাইড ফুসফুসের ক্যান্সারসহ জটিল রোগের কারণ। Share this with all.
2012-07-18 19:43:27
I dare you to try this.. Comment your result!!! Pick the month you were born: January-------I kicked February------I loved March---------I karate chopped April---------- -I licked May------------ I jumped on June----------- I smelled July----------- -I did the Macarena With August--------I had lunch with September----I danced with October-------I sang to November----I yelled at December----I ran over Pick the day (number) you were bornon: 1-------a birdbath 2-------a monster 3-------a phone 4-------a fork 5-------a snowman 6-------a gangster 7-------my mobile phone 8-------my dog 9-------my best friends'boyfriend 10-------my neighbour 11-------my science teacher 12-------a banana 13-------a fireman 14-------a stuffed animal 15-------a goat 16-------a pickle 17-------your mom 18-------a spoon 19------- a smurf 20-------a baseball bat 21-------a ninja 22-------Chuck Norris 23-------a noodle 24-------a squirrel 25-------a football player 26-------my sister 27-------my brother 28-------an iPod 29-------a surfer 30-------a homeless guy 31-------a llama What is the last number of the year you were born: 1--------- In my car 2 --------- On your car 3 --------- In a hole 4 --------- Under your bed 5 --------- Riding a Motorcycle 6 --------- sliding down a hill 7 --------- in an elevator 8---------- at the dinner table 9 -------- at school 0 -------- in your bathroom Pick the color of shirt you are wearing: White---------b ecause I'm cool like that Black---------b ecause that's how I roll. Pink----------- because I'm NOT crazy. Red-----------b ecause the voices told me to. Blue----------- because I'm sexy and I do what I want Green---------b ecause I think I need some serious help. Purple--------- because I'm AWESOME! Gray----------b ecause Big Bird said tooand he's my leader. Yellow--------- because someone offered me 1,000,000 dollars Orange--------b ecause my family thinks I'm stupid anyway. Brown---------b ecause I can. Other---------- because I'm a Ninja! Naked---------- because I can't controlmyself!
2012-07-18 19:43:19
লাগলে এসো! ধরতে দেব করতে দেব
2012-07-18 19:43:06
থাইল্যান্ডে উচ্চশিক্ষা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত থাইল্যান্ড একটি উন্নয়নশীল দেশ। দেশটি উচ্চশিক্ষার জন্য অত্যন্ত আকর্ষণীয় এবং শান্তিপ্রিয়। পড়াশোনার ভাষা ইংরেজি। টিউশন ফিসহ অন্যান্য খরচও হাতের নাগালে। স্কলারশিপ পাওয়া যায়। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঠিক থাকলে সহজেই ভিসা পাওয়া যায়। তাই যাঁরা উচ্চশিক্ষার জন্য থাইল্যান্ডে যেতে চান, তাঁদের জন্য দেওয়া হলো বিস্তারিত তথ্য। যেসব ডিগ্রি অর্জন করা যেতে পারেঃ ক) ডিপ্লোমা ডিগ্রি খ) অ্যাসোসিয়েট ডিগ্রি গ) ব্যাচেলর ডিগ্রি ঘ) গ্রাজুয়েট ডিপ্লোমা ডিগ্রি ঙ) মাস্টার ডিগ্রি ও চ) ডক্টরাল ডিগ্রি বা পিএইচডি ডিগ্রি। সেমিস্টারঃ থাইল্যান্ডের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এক বছরে তিনটি সেমিস্টার থাকে। বিশ্ববিদ্যালয়ভেদে সেমিস্টারও ভিন্ন হয়। সেমিস্টারগুলো হচ্ছে জুন থেকে অক্টোবর, নভেম্বর থেকে মার্চ, এপ্রিল থেকে মে অথবা আগস্ট থেকে ডিসেম্বর, জানুয়ারি থেকে মে এবং জুন থেকে জুলাই। ভাষাঃ ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনা হলেও চলাফেরা করতে এবং যদি নিয়মিত পড়তে চান, তাঁদের থাই ভাষা জানতে হবে। থাইল্যান্ডে থাই ভাষা শেখার জন্য যোগাযোগ করা যেতে পারে নিন্মঠিকানায়। English Speaking Students at the Union Language School 197-1 Silom Road, Bangkok, Thiland. ব্যাচেলর ও মাস্টার্স প্রোগ্রামের আওতাধীন বিষয়ঃ অ্যাকাউন্টিং, অ্যাপ্লাইড সায়েন্স, এগ্রিকালচার সায়েন্স, অ্যাপ্লাইড কেমিস্ট্রি, অ্যাপ্লাইড মাইক্রো-বায়োলিজি, এগ্রো-ইন্ডাস্ট্রি, বায়োটেকনোলজি, আর্কিটেকচার, ফুড টেকনোলজি, ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস, অ্যাপ্লাইড থাই মেডিসিন, বায়োডাইভারসিটি, মেডিসিন, হেলথ কেয়ার, পাবলিক হেলথ, মার্কেটিং অ্যান্ড ই-কর্মাস, টুরিজম অ্যান্ড হোটেল ম্যানেজমেন্ট, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং, মেরিন টেকনোলজি, ইকোটুরিজম, স্পোর্ট সায়েন্স, ভেটেরিনারি সায়েন্স, নার্সিং, বিবিএ, এমবিএ, লিবারেল আর্ট, ফাইন অ্যান্ড অ্যাপ্লাইড আর্টস ইত্যাদি। টিউশন ফিঃ চার বছরমেয়াদি ব্যাচেলর প্রোগ্রামের ক্ষেত্রে মোট টিউশন ফি প্রায় তিন হাজার ৮০৪ থেকে ১৩ হাজার ৩৩০ এবং দুই বছরমেয়াদি মাস্টার্স প্রোগ্রামের ক্ষেত্রে মোট টিউশন ফি প্রায় তিন হাজার ৫৮২ থেকে আট হাজার ৯৮৭ মার্কিন ডলার। ভর্তির যোগ্যতাঃ ব্যাচেলর প্রোগ্রামের ক্ষেত্রে ১২ বছরের শিক্ষাজীবন অর্থাৎ এইচএসসি পাস হতে হবে এবং মাস্টার্স প্রোগ্রামের ক্ষেত্রে ১৬ বছরের শিক্ষাজীবন সম্পন্ন হতে হবে। ব্যাচেলর এবং মাস্টার্স উভয় প্রোগ্রামের ক্ষেত্রে IELTS-এ কমপক্ষে ৫ দশমিক ৫ পেতে হবে অথবা TOEFL-এর CBT-তে ১৯৭ পয়েন্ট বা IBT-তে ৭১ পয়েন্ট হতে হবে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদনপত্র সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে। আবেদনপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে শিক্ষাগত সব ডকুমেন্টসহ মার্কশিট, আবেদনপত্রের ফি পরিশোধের রসিদ, IELTS বা TOFEL টেস্টের ফলাফল, পাসপোর্টের ফটোকপি, মেডিকেল রিপোর্ট, স্পন্সরের কাছ থেকে প্রাপ্ত আর্থিক দায়দায়িত্বের চিঠি ও পাসপোর্ট সাইজ ছবি। উল্লেখ্য, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র অব্যশই ইংরেজিতে হতে হবে। জীবনযাত্রার ব্যয়ঃ থাইল্যান্ডে থাকার জন্য প্রতি মাসে ব্যয় হয় প্রায় ৬৭ থেকে ১৯২, খাবারে ৯৬ থেকে ১৯৩ এবং যাতায়াতে ৩২ থেকে ৫২ মার্কিন ডলার। কাজের সুবিধাঃ ক্লাস চলাকালীন শিক্ষার্থীরা সপ্তাহে ২০ ঘণ্টা কাজ করার সুযোগ পাবেন। ছুটির সময় করা যাবে ফুলটাইম। প্রবাসী শিক্ষার্থীরা টিচিং, কম্পিউটার অ্যান্ড আইটি, রাইটিং অ্যান্ড এডিটিং, ইঞ্জিনিয়ারিং, এন্টারটেইনমেন্ট অ্যান্ড মিউজিক, ওয়েটার অথবা কুকিং, হোটেল ও ইউনিভার্সিটির ক্যাফেটেরিয়া ইত্যাদিতে কাজ করতে পারবেন। পার্টটাইম জব করে থাইল্যান্ডে ঘণ্টায় পাঁচ থেকে ১০ ডলার আয় করা যায়। কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ঠিকানাঃ 1. Chulalongkorn University 254 Phyathai Road, Patumwan, Bangkok. Tel: +66 (2) 218 33335, Web: www.chula.ac.th 2. Shinawatra University 16th Floor, Shinawatra Tower 111, 1010 Viphavadi Rangsit Road, Bangkok. Tel: +66 (29) 492 229, Web: www.shinawatra.ac.th 3. Silpakorn University Na Phralan Road, Bangkok. Tel: +66 (2) 880 7374 Web: www.su.ac.th 4. Chiang Mai University 239 Huay Kaew Road, Muang. Tel: +66 (53) 221 699 Web: www.cmu.ac.th 5. Mahanakorn University of Technology 51 Moo 1-Cheum Sampan Road, Bangkok. Tel: +66 (2) 543 1070, Web: www.mut.ac.th 6. Webster University Cha-am/Hua Hin Campus, Bangkok. Tel: +66 (2) 6520 705, Web: www.webster.ac.th 7. University of the Thai Chamber of Commerce 126/1 Vibhvadee Rangsit Road, Bangkok. Tel: +66 (2) 276 1040, Web: www.utcc.ac.th এ ছাড়া যেকোনো বিষয়ে বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করা যেতে পারে দূতাবাসের নিন্মঠিকানায়ঃ Royal Thai Embassy, Dhaka 18 & 20, Madani Avenue, Baridhara, Dhaka-1212 Tel: 8812795-6, 8813260-1, Fax: 8854280 Web: www.thaidac.com, E-mail: thaidac@mfa.go.th
www.chula.ac.th
2012-07-18 19:42:51 1 votes
काका राजा जैसी जिंदगी जिए और राजा जैसे ही अलविदा किया ! एक उनके साथ के व्यक्ति का प्रकरण बताना चाहुगा... काका एक बार विदेश से लौटे थे कई लोग उनकी आवाभागत में लगे थे ,काका सिगरेट काफी पिया करते थे ,काका ने सिगरेट निकली जैसे ही मुह में लगायी कई लोग लाईटर जला दिए सिगरेट सुलगाने के लिये ....जिन जनाब के लाईटर से उन्होंने सिगरेट सुलगाई ,उसका लाईटर कुछ अलग था ,काका को पसंद आ गया ..काका नी तारीफ की लाईटर की ,जिनका था उन्होंने बोला ,काका आप ही का दिया है आप रख ले ,काका बोले यार तुम इस लाईटर के बदले में कुछ ले लो ,पर जनाब ने माना किया ,काका लाईटर लौटने लगे ,तो लाईटर के मिलिक ने कहा काका आप की ये चमचमती विदेशी कार मुझे बहुत अच्छी लगती है ,काका लाईटर रख ,कार की चाभी उनको देते हुए ,टैक्सी कर अपने घर चले गए .. और भी कई लोग काका को खुश कर कई फ्लैट ,पैसा ,रुतबा पाने में सफल रहे थे ,काका अपनी जिंदगी में बहुत लोगों को बहुत कुछ निस्वार्थ दिया .......ये अजीब बात है की एक राजा की जिंदगी का आखरी समय एकांत वास में बिता... एक सच्ची मोहब्बत से भरी ,जिंदगी से ज्यादा जिंदगी जीने वाला शक्स राजेश खन्ना आज हमारे बीच में नहीं है पर दिल नहीं मानता ......लगता है कही से आवाज आयगी ए बाबु मोशाय ..................... @[392531164140078:274:Phata Poster Nikla HERO]
2012-07-18 19:42:44
on what basis,,,,,,, is there any improvement,,,,,,,,kamine neta,,, desh ko becch kar khaa jageynge,,,,,,,
शेयर करे मित्रो ताकि हर हिन्दुस्तानी जान सके ....जय माँ भारती .. ================================== आओ मरे हुए लोगो की लाशो पर क्रिकेट का मलहम लगायें !! ---------------------------------------- सुनील गावस्कर ....यह श्रंखला नहीं होनी चाहिए ...यह गलत हैं | भारतीय जनता पार्टी .........हमे पुरानी घटनाओ को नहीं भूलना चाहिए ..उन्हें ध्यान में रखते हुए हर कदम उठायें | कांग्रेस .........खेल को राजनीती से नहीं जोड़ना चाहिए ...... ------------------------------- यह सब बयान आने से पहले भारत के गृह मंत्री ने कहा था की इस साल भारत में कोई आतंकवादी घटना नहीं हुई है . ---------------------------------- आइये बात करते है भारत पाक के क्रिकेट खेंले पर .....भारत और पाकिस्तान के साथ खेलने में कोई हर्ज़ नहीं है कहीं बहार तीन चार देशों की यह चार पाँच देशों की श्रंखला हो |उसके एक या दो मैच हो कोई बात नहीं पर पकिस्तान की टीम को भारत में बुलाना या भारत की टीम का पकिस्तान में जाकर खेलना बिलकुल भी सही नहीं है|अब ज़रा सोचें की क्यूँ नहीं भारत को वहां जाना चाहिए वहां के हालत जग ज़ाहिर है आये दिन कहीं न कोई न कोई आतंकवादी गतिविधियाँ होती ही रहती है ,श्री लंका की टीम पर भी आतंकी हमला हो चूका हैं ,जो खुद की सुरक्षा करने मे सक्षम न हो वहां दुसरे देश के खिलाडियों के साथ क्या होगा यह हमे सोचने की ज़रूरत नहीं है | अब बात करे की भारत में क्यूँ नहीं आना चाहिए पाकिस्तान की टीम को ,पहली बात पकिस्तान की अर्थ व्यवस्था ख़त्म होती जा रही है ,वह के कई सारे महकमे बंद हो चुके है और कई बंद होने की कगार पर है वहां की रेलवे अपनी अंतिम सांसे ले रही हैं ,क्रिकेट बोर्ड के पास बिल्किल भी पैसा नहीं है कई खिलाडी फिक्सिंग में सजा कट रहे है कई पर प्रतिबंद लग चूकाऔर भारत का क्रिकेट बोर्ड विश्व का सबसे पैसा वाला बोर्ड है यह सब जानते हैं . तो क्यूँ हम पाकिस्तान की टीम को यहाँ बुला कर अपने दर्शक दे उसकी बिगडती हुई स्तिथि को सुधारने से हमको क्या मिलेगा कुछ नहीं उल्टा मैच देखने के बहाने वहां से बड़ी तादाद में लोग यहाँ आयेंगे जिसमे से रेकी करने वाले दहशत गर्द भी होंगे जो यहाँ आके के यहाँ घूम-घूम के यहाँ का माहोल समझ लेते हैं फिर कुछ महीनो बाद हमे देखेने को मिलता है की भारत के किस शहर में बम धमाका हुआ ,पाकिस्तान से आने वालो में कई लोग तो यहाँ से वीजा खत्म होने के बाद भी कई महीने तक वापस नहीं जाते हैं .. और रही बात सम्बन्ध सुधरने की तो जब बटवारे के बाद से नहीं सुधरे इतने सारे मैच खेलने से नहीं सुधरे तो अब क्या होगा कुछ नहीं उल्टा भारत -पाकिस्तान के मैच होने से दोनों देशों में तनाव और बढता है यदि भारत हारता है तो लोगो का परा चढ़ जाता है और यदि पाकिस्तान हारता है तो लोग अपने टीवी फोड़ देते हैं .. यह हालत देखने को मिलते है भारत पाकिस्तान मैच के बाद तो इस तरह हम हालत सुधार रहे हैं या तनाव बढ़ा रहें है कांग्रेस कहती है की खेल को राजनीती से जोड़कर न देखें सही बात दोनों अलग है ..पर यह सच है तो फिर यही कांग्रेस रिश्ते सुधारने के नाम पे मैच क्यूँ करा रही हैं . क्या अब खेल को राजनीती से नहीं जोड़ रही है यह ...इतने समय से भारत -पाक का कोई मैच नहीं हु तो देखिये कितनी शांति है वरना मैच के दिन सड़के सुनसान ,हर तरह सन्नाटा सब लोग कम छोड़ के सिर्फ मैच में लगे रहते हैं ..कुल मिला के हम यही कहेंगे की भारत -पाक मैच से हालत सुधारते नहीं बल्कि दोनों देशों में सिर्फ और सिर्फ तनाव बढता हैं . --------------------------- by page admin Rajesh kumar Aatish
ma bharti ke veero ki amar gaatha aur gaddaro ki haqikat bayan karti tasvire.... ''kaun kehta hi tasvire bola nahi kart' jawab chupe hote hai tasviro ki parchai me .....jai ma bharti
2012-07-18 19:42:28
pata karo yaro sahi kya hai
बलात्कारी राहुल गांधी ने किया बलात्कार, मामले को दबा रही है सरकार मित्रो राहुल गांधी -सुकन्या देवी बलात्कार काण्ड के बारे में लगभग सभीको पता चल चुका है . लेकिन अभिषेक मनू सिंघवी सेक्स कांड की तरह भारत की बिकाऊ मिडिया इस मामले पर भी खामोश है. अब हम सोशल मिडिया से इस खबर को सब के सामने लायेंगे. हर देशभक्त का फर्ज है वह इस को शेयर करे. राहुल गांधी और उनके छह दोस्तों ने 3 दिसंबर 2006 की रात अमेठी के एक गेस्ट हाउस में 24 वर्षीय सुकन्या देवी के साथ बारी बारी से बलात्कार किया था. राहुल गांधी और सोनिया गांधी के इशारे पर सुकन्या सहित उसके माता पिता को "गायब" कर दिया गया है. लेकिन इस बीच एक नोटिस ने राज के ऐसे बहुत सारी पर्तों को उघाड़ देती है जो राहुल गांधी बलात्कार कांड को संदेह के घेरे में ला खड़ा करता है.इस संबंध में 1 मार्च को इलाहाबाद हाईकोर्ट की लखनऊ बेंच ने राहुल गांधी को एक नोटिस जारी करते हुए उनसे पूछा था कि वे इस संबंध में अदालत को अपने पक्ष से अवगत कराएं. राहुल गांधी को अदालत ने दो सप्ताह का वक्त दिया था. लेकिन एक सप्ताह के भीतर ही अदालत में एक डबल बेंच बैठी और उसने न केवल उस याचिका को खारिज कर दिया जिसमें राहुल गांधी द्वारा सुकन्या तथा उसके परिजनों को बंधक बनाकर रख लेने का संदेह जताया गया था बल्कि याचिकाकर्ता किशोर समरीते पर पचास लाख का जुर्माना भी लगा दिया. अब किशोर समरीते क्या कहते हैं?क्या है घटना?3 दिसंबर 2006 की रात नौ बजे अमेठी के गेस्ट हाउस में राहुल गांधी अपने छह विदेशी मित्रों के साथ रुके थे. कांग्रेस के प्रमुख कार्यकर्ता और सोनिया गांधी के भक्त बलराम सिंह उसी गेस्ट हाउस की देखभाल करते थे. ऐसा समझा जाता है कि राहुल गांधी के करीब पहुंचने के लिए बलराम सिंह ने अपनी 24 वर्षीय सुकन्या देवी को किसी बहाने से उनके पास भेजा. वहां सुकन्या देवी को पहले राहुल गांधी और उनके दोस्तों ने शराब पिलाई और बारी बारी से बलात्कार किया. बताते हैं कि सुकन्या देवी चीखती चिल्लाती रही लेकिन किसी ने उसकी नहीं सुनी. बलराम सिंह को भी इस बात का अंदाजा नहीं था कि उनकी बेटी के साथ गैंगरेप हो जाएगा. घटना के बाद बलराम सिंह ने स्थानीय पुलिस मुख्यालय में शिकायत दर्ज कराने की कोशिश की लेकिन बलराम सिंह की शिकायत दर्ज नहीं की गयी, उल्टे उन्हें मुंह बंद रखने का सख्त निर्देश भी दिया गया.उस रात पूरी अमेठी में कांग्रेस के गुंडों ने लोगों को मुंह खोलने पर सबक सिखाने की धमकियां दी और जब इस बारे में सुकन्या की मां सुमित्रा देवी ने प्रेस से बात करने की कोशिश की तो उसे और सुकन्या को जान से मारने की धमकी भी दी गयी. इसके बाद भी सुकन्या और उसकी मां चुप नहीं बैठे और बताया जाता है कि 27 दिसंबर 2006 को बलराम सिंह सहित पूरे परिवार ने सोनिया गांधी से मिलने की कोशिश की. सोनिया गांधी ने मिलने से इंकार कर दिया. इसके बाद भी वह परिवार चुप नहीं बैठा और राष्ट्रीय मानवाधिकार आयोग में शिकायत की. शिकायत हुए तीन साल से ज्यादा बीत गये लेकिन आज तक इस मामले में राहुल गांधी या सोनियो गांधी को कोई नोटिस जारी नहीं हुआ है.इस बीच अफवाहों का दौर जारी रहा. लेकिन मामला उस वक्त एक बार फिर सामने आ गया जब सुकन्या सहित उसके पूरे परिवार के गायब होने की खबर सामने आ गयी. लेकिन विडंबना देखिए कि मीडिया ने नोटिस को खबर नहीं बनाया लेकिन जब नोटिस को खारिज करके याची पर जुर्माना लगाया गया तो समूची मीडिया ने उसे खबर बना दिया और यह साबित करने की कोशिश में जुट गया मानों राहुल गांधी पर कोई सिरफिरा आरोप लगा रहा है. कांग्रेस के लिए यह जीवन मरण का प्रश्न है इसलिए सच्चाई बताने या लिखनेवाले को कभी भी कहीं भी मौत की नींद सुलाया जा सकता है. शायद यही डर है कि मीडिया घराने इस पूरे मामले पर चुप्पी साधे राहुल को पाक साफ घोषित कर रहे हैं लेकिन कोई किशोर समरीते को नहीं सुन रहा है जो चीख चीख कर रहे हैं कि उनकी जान को भी खतरा पैदा हो गया है क्योंकि उन्होंने सच्चाई को सामने लाने की कोशिश की है. सुकन्या और उसका पूरा परिवार कहां है यह आज भी रहस्य बना हुआ।
2012-07-18 19:41:47
karate sikne man vaya yo vidio hernuhola la............
A 2 year old can learn Karate
2012-07-18 19:41:40
Tarapate Hain Na Rote Hain Na Ham Fariyaad Karate Hain Sanam Kii Yaad Main Har Dam Khudaa Ko Yaad Karate Hain Unhiin Ke Ishq Main Ham Naalaa-O-Fariyaad Karate Hain Elaahii Dekhiye Kis Din Hamain Vo Yaad Karate Hain
2012-07-18 19:40:59
জুমার নামাজ আর ছুটির দিন হওয়ায় ভয়াবহ প্রানহানী থেকে রক্ষা পেল চট্টগ্রাম!! পাশের মসজিদে ইমাম সাহেব জুমার খুতবা শেষ করে নামাজের জন্য দাড়িয়ে আল্লাহু আকবর বলে নিয়ত করলেন। আর সাথে সাথে বিকট আর ভয়ংকর এক শব্দ ভেসে আসলো মুসুল্লিদের কানে। অনেক মুসুল্লি ভেবেছিল বোধহয় ভুমিকম্পে কোন বিল্ডিং ধ্বসে পড়েছে। কিন্তু না নামাজ শেষে যখন তারা বাহিরে দ্রুত বের হল কি ঘটেছে দেখতে তাতে তাদের চক্ষু আকাশে উঠলো। চট্টগ্রামের বহদ্দারহাটে শুক্রবার দুপুরে নির্মাণাধীন ফ্লাইওভার থেকে ১৩০ ফুট দীর্ঘ একটি কংক্রিটের বিশাল গার্ডার ভেঙে পড়ার শব্দ ছিল সেটি। আল্লাহর অসীম করুণায় রক্ষা পেল অনেকগুলো তাজা প্রান। কেন্না এই ফ্লাইওভারেরনিচে সাধারণত সারাদিন জ্যাম লেগে থাকে এবং প্রচুর মানুষ যাতায়াত করে থাকে। কিন্তু আজকে সেখান দিয়ে কোন গাড়ি এবং মানুষ যাতায়াতরত ছিলোনা। তবে এক রিকশাচালক গুরতর আহত হন। ভেবে অবাক হয় ফ্লাইওভারে গাড়ি উঠার আগেই যদি এই অবস্থা হয় তাহলে ভবিষ্যতে কি হবে? কোন সভ্য দেশে এই ঘটনা হলে জনগণের জানমাল নিয়ে ছিনিমিনি খেলার অপরাধে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার এবং ইঞ্জিনিয়ার এর ফাসি হয়ে যেত, আফসোস আমাদের দেশে কিছু হবেনা! এত নিম্নমানের কাজ কিভাবে মানুষ করতে পারে?? ***উল্লেখ্য সিডিএর তত্ত্বাবধানে প্রধানমন্ত্রী শেখে হাসিনা ২০০৯ সালের বহদ্দারহাট ফ্লাইওভারসহ পাঁচটি ফ্লাইওভারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। ২০১০ সালের ডিসেম্বরে এই প্রকল্পের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ১ দশমিক ৩৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এ ফ্লাইওভারের ব্যয় ধরা হয়েছে ১০৬ কোটি টাকা। পারিশা এন্টারপ্রাইজ ও মীর আক্তার এন্টারপ্রাইজ নামের দুটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এই নির্মাণ কাজ করছে।
2012-07-18 19:40:46
রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর যুগে এক ব্যক্তি কাবা ঘর তাওয়াফ করছিল। তাঁর কাঁধে তার মা। তাওয়াফ শেষে রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ)-এর খেদমতে সে আরজ করল- হে রাসূল! আমি কি আমার মায়ের হক আদায় করতে পেরেছি? রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বললেন- " না! তোমার মায়ের একটি দীর্ঘশ্বাসের হকও আদায় করতে পারনি?" {মুসনাদে বাযযারঃ ১৭৭৭, তাফসীরে ইবনে কাসীর,সূরা ইসরা-আয়াতঃ ২৩} সাইদ ইবনে বুরাদার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত আছে, এক ইয়ামেনী লোক তার মাকে পিঠে বহন করছিল, তখন সে লোক ইবনে উমর (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করেছিলেন- আমি কি আমার মায়ের হক আদায় করতে পেরেছি, তখন ইবনে উমর (রাঃ) একই উত্তর দিয়েছিলেন। {আদাবুল মুফরাদ,হাদিস,১১} *নিজে জানুন এবং শেয়ার/ট্যাগ করে অপরকেও জানান।
2012-07-18 19:40:08
আবুল সাহেব মৃত্যুর পরে দেখিলেন উনার সামনে দুইটা লাইন, স্বর্গের আর নরকের। উনি বিশাল ভাব লইয়া গটগট কইরা স্বর্গের দরজা দিয়া ঢুকতে নিলেন। স্বর্গের প্রহরী উনাকে গেটে আটকাইয়া ডেটাবেজ চেক কইরা কহিল, তোমার নাম নাই লিস্টে, তোমারে ঢুকতে দেয়া যাইবো না। আবুল সাহেব বত্রিশ পাটি দন্ত বিকশিত করিয়া বললেন, কি যে বলেন না আপনারা, আমার নাম থাকবে না! ভাল করে দেখেন, ... দুই দুইটা মিনিস্ট্রি চালায়া আসলাম ... প্রহরী গম্ভীর গলায় বলিল, তুমি পলিটিশিয়ান? তাইলে তুমি নরকে গিয়া খোঁজ নাও। দেখ নরকের লিস্টে হয়তো তোমার নাম আছে। আবুল সাহেব এইবার পাট নিয়া কহিলেন, আমি নরকে যাব? নেভার! আমি দৌড়ে ফার্স্ট হয়া মিনিস্টার হইছি ... গেলি, হতচ্ছাড়া.... বলিয়া স্বর্গের প্রহরী লাঠি লইয়া আবুলকে নরকের পানে খ্যাদাইয়া লইয়া গেল। জীবনের সকল পাপ কাজের কথা স্মরণ কইরা চুল ছিঁড়িতে ছিঁড়িতে আবুল সাহেব নরকের গেটে আইসা খাড়াইলেন। তেনার নাকে নরকের তীব্র পুঁতিগন্ধ আসিয়া হানিল। নরকের প্রহরী আবুলকে দেখিয়া এটিএম শামসুজ্জামান স্টাইলে হাসিয়া কহিল, আস আবুল মিয়া, তোমারেই খুঁজতেছি ম্যালাদিন ধইরা!!! আইজকা পাইছি, বানামু তোমারে। আবুল সাহেব ক্ষীণ গলায় কহিলেন, লিস্ট চেক করবেন না? প্রহরী কয়, লিস্ট দিয়া কি হইবো? কথা বাড়াইয়ো না, সোজা নরকে ঢুইকা পড়, পরে আইসা লিস্টে সাইন কইরা যাইও। তোমারে আইজকা সাইজ করুম। আবুল সাহেব শেষ চেষ্টা হিসেবে ঘাড়ত্যাড়ামী করিয়া কহিলেন, সাইন না কইরা ঢুকুম না। প্রহরী চোখ লাল কইরা খাতা খুলিয়া কহিল, খাড়া, তোরে সাইন করাইয়া লই একবার। মিনিটখানেক পরে নরকের প্রহরী লিস্ট চেক করিয়া মাথা চুলকায়া কয়, তোমার নাম তো নাই লিস্টে! খাড়াও তো কম্পিউটারে দেখি একটু। আবুল মিয়া বিশাল পাট নিয়া কহিলেন, আপনারা আসলে কোন কাজেরই না, আমাকে দেখেন, দুই দুইটা মিনিস্ট্রি চালায়া আসলাম... প্রহরী বিরক্ত মুখে কহিল, ব্যাটা আবুল, দেখতাছস না ডেটাবেজে চেক করতাছি... মিনিটখানেক পরে প্রহরী বিড়বিড় করিয়া কহিল, ডেটাবেজে গন্ডগোল নাকি? ঢুকতেছে না ক্যান? সাথে সাথে আবুল সাহেবের মুখ দিয়া কথার তুবড়ি ছুটিল। পাইছেন কি আপনেরা? স্বর্গেও ঢুকতে দিবেন না, নরকেও দিবেন না, আমি তাইলে কই থাকুম, ফুটপাতে? না, না, এসব মেনে নেয়া যাবে না। আমি চললাম ঈশ্বরের কাছে। আপনাদের নামে কমপ্লেইন করতে হবে। কমপ্লেইনের কথা শুইনা প্রহরী ভড়কাইয়া গিয়া কহিল, খাড়াও, মনে হইতেছে সফটওয়্যারে প্রবলেম, ডেটাবেজটা চেক কইরা দেখি, অ্যাডমিনিস্ট্রেটর পাসওয়ার্ডটা যেন কি ছিল... প্রহরী পাসওয়ার্ড মনে করার চেষ্টা করিতে লাগিল। অ্যাডমিন শব্দটা কানে পৌঁছিবামাত্র আবুল সাহেব গড় গড় করিয়া বলিতে লাগিলেন, অ্যাডমিনিস্ট্রেশন? অ্যাডমিনিস্ট্রেশন কেমনে করতে হয়, আমার কাছ থেকে শিখেন আপনারা... দুই দুইটা মিনিষ্ট্রি চালাইয়া আসলাম... দৌড়ে ফার্স্ট হইলাম, আর সেই আমার নামই আসে নাই! কমপ্লেইন আমি করুমই। আই এম এ কমপ্লেইন বয়! এইদিকে চেঁচামেচি শুনিয়া উৎসুক জনতা ভিড় জমাইলো তামশা দেখিতে। দুই একটা মিডিয়ার ক্যামেরাও দেখা গেল লাইভ কাভারেজের পাঁয়তারা করিতেছে। এতলোক সমাগম ও মিডিয়ার সাংবাদিক দেখিয়া নরকের প্রহরী নিচু গলায় বলল, শুনো আবুল মিয়া, কমপ্লেইন কইরা কি ফায়দা হইবো... তারচেয়ে আমরা একটা মিটমাটে আসি... আবুল সাহেব ক্যামেরায় পোজ দেওয়ার জন্য চুল ঠিক করিতে করিতে বলিলেন, এতক্ষণে লাইনে আইছো মামা। শুনি কি মিটমাট? প্রহরী গলার স্বর খাদে নামাইয়া বলিল, এক কাম করো, তোমারে আবার দুনিয়াতে ফেরত পাঠাইতেছি, চুপচাপ ভাইগা যাও। আবুল সাহেব চিন্তা করিয়া দেখিলেন, অফার মন্দ নহে। আগের বার পদ্মা সেতু নাহয় মিস হয়া গেছে, কিন্তু এইবার, নতুন অপটিক্যাল ফাইবারের টেন্ডার খালি একটা বাগাইতে পারলে হয় এইবার, আর মিস করা যাইবো না... আবুল সাহেব এমন ভাব দেখাইলেন যেন, নরক উনার অতি প্রিয় স্থান, দেখিতে না পারিয়া উনার হৃদয় ভগ্ন হইয়াছে। উনি মুখ ফিরাইয়া "এইবারের মত ছাইড়া দিলাম" লুক দিয়া কহিলেন, পরের বার কিন্তু আর এইসব চলবে না বলে দিচ্ছি। প্রহরী শুধু বলিল, সেইটা পরে দেখা যাবে। তুমি যাও তো আগে। আবুল সাহবে কহিলেন, কিন্তু আমারে কেমনে দুনিয়াতে ফেরত পাঠাইবেন? প্রহরী মুচকি হাসিয়া কহিল, চোখ বন্ধ কইরা যে কোন একটা গানের প্রথম কয়েক লাইন গাও, তারপরে চোখ খুললেই দেখবা তুমি দুনিয়াতে আছ। বিজয়ীর হাসি দিয়া আবুল সাহেব খুশিমনে চোখ বন্ধ করিয়া উনার অতি প্রিয় সঙ্গীত গাহিয়া উঠিলেন... "সুঁই হয়ে ঘরে ঢুকে ফাল হয়েছে, আআআবুল মামা...." তিন সেকেন্ড পরেই তীব্র কটু গন্ধ উনার নাকে লাগিল। চোখ খুলিয়া তিনি রাগের চোটে চিৎকার করিয়া উঠিলেন। কিন্তু বিধিবাম! উনার গলা দিয়া কক কক ছাড়া আরো কোন শব্দই বাহির হইলো না। অবাক হইয়া উনি খেয়াল করিলেন, সিস্টেমে সমস্যার কারণে উনি এইবার মানুষের বদলে মুরগী হইয়া জন্মাইয়াছেন। তাও আবার ফার্মের মুরগী। তীব্র কটু গন্ধ আর কিছুই নহে, মুরগীর বিষ্ঠার গন্ধ। আবুল সাহেব সাহেব ঘটনা বুইঝা কপাল চাপড়াইবার ব্যর্থ চেষ্টা করিলেন আর ভাবিলেন, ব্যাটা মোরগ বানাইলেও তো পারতি, বানাইলি মুরগী। আর মুরগীই যখন বানাবি, দেশী মুরগী বানাইতি, তা না, এক্কেবারে ফার্মের মুরগী!!! তিনি মনে মনে বারংবার নরকের প্রহরীর গুষ্টির সহিত সঙ্গম করিবার ইচ্ছা পোষণ করিতে লাগিলেন। এমন সময় উনার পাশের মুরগীটা উনারে কক কক করিয়া বলিল, হায় হায়, তুই এখনো ডিম পাড়োস নাই, তাড়াতাড়ি ডিম পার, ফার্মের মালিক অলরেডি ডিম কালেক্ট করা শুরু কইরা দিছে আজকে। আবুল সাহেব রাগের চোটে কহিলেন, ডিম পারুম না, আমার ইচ্ছা! আমার ডিম আমি পারুম, যখন ইচ্ছা তখন পারুম, কার বাপের কি রে! পাশের মুরগীটা তখন মুখ ফিরায়া কহিল, ডিম না পারলে তোরে জবাই কইরা রোস্ট বানায়া খাবে ফার্মের মালিক। রোস্ট হইতে চাইলে পারিস না। কার বাপের কি! আবুল সাহেব ঢোক গিলিয়া কহিলেন, কস্কি মমিন!!! আবুল সাহেব দেখিলেন, ফার্মের মালিক তাহার পাশের খাঁচা অব্দি আসিয়া পড়িয়াছে। জান বাঁচানো ফরজ, তাই আবুল সাহেব তার পাশের মুরগীটাকে হাতে পায়ে ধরিয়া কহিলেন, দোস্ত, ডিম যেন কেমনে পারে? একটু ক তো দোস্ত, ভুইলা গেছি, তাড়াতাড়ি, আমি রোস্ট হইতে চাই না। পাশের মুরগীটা একটু অবাক হইয়া পা ছড়াইয়া বলিল, এইভাবে কোঁৎ দে। আবুল সাহেব কোঁৎ দিয়া বলিলেন, এইভাবে? পাশের মুরগীটা বলিল, আরো জোরে... আরো জোরে... আবুল সাহেব আরো জোরে কোঁৎ দিয়া বলিলেন, ডিম আসে না ক্যান? পাশের মুরগীটা বলিল, ব্যাটা আবুল কোনহানকার, আরো জোরে দে, ডিম আসলো বইলা... ততক্ষণে ফার্মের মালিক আবুল সাহেবের সামনে আইসা পড়ছে। আবুল সাহেব শেষ চেষ্টা হিসাবে, চোখ বন্ধ কইরা দাঁতে দাঁত চাপিয়া সর্বশক্তিতে কোঁৎ দিলেন। হলো না... আবার দিলেন... হলো না... আবার.... আবার... ... : :... এক সময় প্রবল ঝাঁকুনিতে আবুল সাহেবের ঘুমটা ভেঙে গেল। উনার মিসেস বলছেন, অ্যাই তুমি তাড়াতাড়ি উঠ তো, পুরা বিছানা তো হাইগা ভরায়া ফেলছ!! :-P :-P :-P -অনেক কষ্ট করে লেখা, লাইক না দিলে অনেক কষ্ট পামু :-( এম ডি সবুজ
2012-07-18 19:39:39
জীবন সঙ্কটে হুমায়ূন আহমেদ Wed, Jul 18th, 2012 9:58 pm ঢাকা, জুলাই ১৮ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসাধীন জনপ্রিয় লেখক হুমায়ূন আহমেদ সংজ্ঞাহীন অবস্থায় নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) আছেন। তার দেহে একটি ভাইরাস সংক্রমণ ঘটছে, যা সনাক্ত করা যাচ্ছে না বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। হুমায়ুন আহমেদকে দেখে আসার পর জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এম এ মোমেন বুধবার রাতে (বাংলাদেশ সময়) বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “তিনি (হুমায়ূন) সংজ্ঞাহীন অবস্থায় আছেন। তার ফুসফুসে পানি জমেছে। তবে তার মস্তিষ্ক কাজ করছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। “তার শরীরে একটি ভাইরাসের সংক্রমণ হয়েছে। কিন্তু ভাইরাসটি সনাক্ত করতে না পারায় চিকিৎসা করা সম্ভব হচ্ছে না বলে চিকিৎসকরা আমাকে জানিয়েছেন।” নিউ ইয়র্কের ম্যানহাটনের বেলভ্যু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হুমায়ূন জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের উপদেষ্টা। ড. মোমেন মঙ্গলবার হুমায়ূনকে দেখতে হাসপাতালে যান। বন্ধু হুমায়ূন আহমেদকে দেখতে আমেরিকায় অবস্থানরত অভিনেতা ও সাংসদ আসাদুজ্জামান নূর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “সামান্য হলেও উনার স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। তবে উনি যেহেতু আইসিইউতে আছেন...বুঝতেই পারছেন। আমরা উদ্বিগ্নও।” বুধবার রাত সাড়ে ১০টায় বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের সঙ্গে কথা বলার সময় আসাদুজ্জামান নূর হাসপাতালেই ছিলেন। বৃহদান্ত্রে ক্যান্সার ধরা পড়ার পর গত সেপ্টেম্বরে চিকিৎসার জন্য নিউ ইয়র্কে যান হুমায়ূন আহমেদ। সেখানে মেমোরিয়াল স্লোয়ান-কেটরিং ক্যান্সার সেন্টারে চিকিৎসা নিতে শুরু করেন তিনি। এরপর দুই পর্বে মোট ১২টি কেমো থেরাপি নেওয়ার পর গত মাসে বেলভ্যু হাসপাতালের অনকোলজি বিভাগের প্রধান ডা. জেইন এবং ক্যান্সার সার্জন জজ মিলারের নেতৃত্বে হুমায়ূন আহমেদের দেহে অস্ত্রোপচার হয়। বর্তমানে হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন ও তার ছোট ভাই মুহম্মদ জাফর ইকবাল নিউ ইয়র্কে অবস্থান করছেন। ১৯৪৮ সালে জন্ম নেওয়া হুমায়ূন বিশ্ববিদ্যালয় জীবনেই লেখালেখি শুরু করে সমালোচকদের মনোযোগ আকর্ষণ করেন। তারপর ধীরে ধীরে দেশের জনপ্রিয়তম কথা সাহিত্যিকে পরিণত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়নের এই শিক্ষক। লেখালেখিতে ব্যস্ত হয়ে ওঠার পর অধ্যাপনা ছেড়ে দেন তিনি। টিভিতে নাটক লিখে ও নিদের্শনা দেওয়ার পর চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করেন হুমায়ূন। এ জন্য তিনি জাতীয় পুরস্কারও পেয়েছেন।
2012-07-18 19:38:53 1 votes
कुछ तो शर्म करो ये है वनासुक सीयेम और अलका लाबा (टोपी पहने ) राष्ट्रिय महिला आयोग की सदस्य| ये गुवाहाटी में युवती के साथ हुई अभद्रता के मामले में जाँच करने पांच दिन बाद पहुचे है |पर इन्हें एअरपोर्ट पर काफी देर तक खिलखिलाते हुए फोटो खिंचवाना ज्यादा आवश्यक लगता है ये है इस देश का महिला आयोग इतने जिम्मेदार पद पर बैठ करा ये करते है .............. क्या हो गा इस देश का
2012-07-18 19:38:36
Milta hai kya namaz mein, tu sajde me jake dekh. Ye picture bas namaz ki ehmiyat batati hai ki kis qadar namaz ka ishq rakhne wale use karte hai. Aarsa ho gaya karbala ke sajde ko dekhe Aye Bande! Ab tu koi aisa tou sajda kar ki zameen par nishan reh jaye. Hazrat Auragzeb Rahmatullahi alaihi ALLAH ke aise wali aur Hindustan ke badshah reh chuke hai ki unke kisse chalu jang me namaz parhne ke mashhur rahe hai, jab ek jamat aap ki namaz parti tou dusri jang ladti jab woh namaz parh lete tou baki log jho jang me thi woh namaz ada karte. Is tarah Auragzeb Rahamtullahi alaihi khud bhi itne paband badshah the aur apne hurriyat ko bhi isi tarah amal karwaye, yaha tak ki Auragzeb Rehmatullahi alaihi ne apne daur ke aulma e kiram ko jama karke ke hume bahot badi kitab Fatawa e Aalamgiri ki sogaad di hai, jinke fatawa har aaj tak 4 sadi guzrane ke baad bhi latest nazar aate hai. Anjam e wafa kya hai, socha nahi karte Jaanbaz kabhi haalat se soda nahi karte ye hosla sikhaya hai deen e islam ne sar sajde me ho tou talwaro ki bhi parwah nahi karte. ALLAH HUME PANJGANA NAMAZ PABANDI KI TAUFIQ DE. pls ise share karna na bhule अन्जामे वफा क्या है... सोचा नहि करते, बहादुर कभी हालात से सौदा नही करते, ये हौसला सीखाया है दिन-ए-ईस्लाम ने, सर सजदे मे हो तो तलवारो कि भी परवाह नहि करते....!!!
2012-07-18 19:38:29
विचार माला का मनका - 93- ....................................................................................................... आपको कौन मिलता है यह समय तय करता है.., आप उनमें से किसका साथ चाहते हैं यह आप तय करते हैं.., और उनमें से कौन आपके साथ रहता है यह आपका व्यव्हार तय करता है. ....................................................................................................... (मित्रों, यदि आपको यह विचार पसन्द आ रहे हैं, तो कृपया पेज को भी अवश्य LIKE करें ताकि आगे भी आपको यह विचार मिलते रहें, और SHARE भी करें ताकि आपके मित्रों को भी यह पढ़ने को मिलें. धन्यवाद )
2012-07-18 19:38:25
বিশ্বের শীর্ষ ধনী ব্যক্তিদের মধ্যে একজন হলেন ওয়ারেন বাফেট। তিনি এখনও থাকেন ওমাহা অঙ্গরাজ্যের ৩-কামরার এক বাসায় যা তিনি ৫০ বছর আগে ক্রয় করেছিলেন ঠিক তার বিয়ের পর পর। তার যুক্তি, এর চেয়ে বেশি তার আর প্রয়োজন নেই। তার এই বাড়িতে নেই কোন বিশেষ নিরাপত্তা দেয়াল কিংবা সীমানা নির্ধারনী গেট। তিনি নিজেই নিজের গাড়ি চালান। সঙ্গে থাকেনা কোন গাড়িচালক কিংবা দেহরক্ষী। ওয়ারেন বাফেটের নেই কোন প্রাইভেট জেট বিমান। কিন্তু তার বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠানই বিশ্বের বৃহত্তম বিমান প্রতিষ্ঠানের মালিক। লোক দেখানো সামাজিকীকতা কিংবা সমাজের বিত্তবান মানুষদের সাথে মেলামেশা করতে তিনি প্রয়োজন বোধ করেন না। অবসর সময়ে দেখেন টিভি, সঙ্গে থাকে পপকর্ন। যুবক ও যুবতীদের প্রতি তার উপদেশঃ ১) টাকা দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হওয়া যায়না। প্রতিষ্ঠিত হয়ে টাকা উপার্জন করা যায়। ২) যত পারো, সাধারণভাবে জীবন যাপন কর। ৩) লোকের কথামতই সব কিছু করতে হবে এমন কোন নিয়ম নেই। সবার বক্তব্যই শোনো ও মতামতের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন কর, কিন্তু কাজ কর নিজের বুদ্ধি-বিবেচনা ও ইচ্ছা অনুযায়ী। - পোস্টটি পড়ে অনুপ্রাণিত হলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করার অনুরোধ রইল। বিশেষ কোন সফল ব্যক্তির সম্পর্কে কৌতূহল থাকলে আমাদের তা জানান। - আপনার সার্বিক সাফল্য কামনায় @[242444979181863:274:সাকসেস স্টোরীস (Success Stories)] www.facebook.com/BanglaSuccessStories
চরম প্রতিযোগিতাময় আধুনিক এ সমাজব্যাবস্থায় সবকিছুর মাপকাঠি হল সফলতা। সাফল্য বা সাকসেস নামক এই সোনার হরিণ সবার কাম্য হলেও সবার হাতে তা ধরা দেয় না। জীবনে সফল হতে হলে চাই পরিশ্রম, অধ্যবসায় ও একই সাথে চাই উৎসাহ-অনুপ্রেরণা। সাকসেস স্টোরীস আপনার জন্য নিয়ে এল একগুচ্ছ গল্প - সাফল্যের গল্প, সফল ব্যাক্তিদের জীবনী, তাদের অমূল্য বাণী - এ যেন জীবন চলার পথে অনুপ্রেরণার উৎস। In this modern, competitive, dog-eat-dog world of ours, being sucessful is all that counts and being so is more difficult than ever. Such intense competition and the overwhelming expectation from your family, your peers and your overall surroundings can easily get you down. Success Stories wants to be your ultimate source for all kinds of motivation and inspiration on your pursuit of sucess. We want to share stories of sucessful people - stories that make sense, stories that can change lives and above all, stories that inspire you. - পড়ে অনুপ্রাণিত হলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করার অনুরোধ রইল। বিশেষ কোন সফল ব্যক্তির সম্পর্কে কৌতূহল থাকলে আমাদের তা জানান। - আপনার সার্বিক সাফল্য কামনায় সাকসেস স্টোরীস (Succes Stories) www.facebook.com/BanglaSuccessStories
2012-07-18 19:38:21
Wednesday, July 18, 2012 शाही ईमाम बुखारी भगोड़ा घोषित, कोर्ट ने नया गैर जमानती वारंट जारी किया मुस्लिम वोट बैंक के आगे घुटने टेकी दिल्ली सरकार नई दिल्ली। विदित हो कि जामा मस्जिद के शाही ईमाम अहमद बुखारी पर सन 2001 से गैर जमानती वारंट जारी है और वह अदालत से फरार घोषित अपराधी है। दिल्ली पुलिस ने उसके घर के कुर्की व जब्‍ती में एक चारपायी और लोटा बरामद किया था। इसके बाद बड़ी सफाई से एक रिपोर्ट और दिल्ली पुलिस ने बनायी कि इस नाम का व्यक्ति इस क्षेत्र में रहता ही नही है। और, दूसरी रिपोर्ट में दिल्ली पुलिस ने यह कहा कि यदि ईमाम बुखारी को गिरफ्तार किया गया तो हिन्दू मुस्लिम दंगे हो जायेंगे। ज्ञात रहे कि यह मामला राज्य सरकार व ईमाम बुखारी के बीच का है, कानून बनाने का दायित्व राज्य सरकार को है। यदि हिन्दू मुस्लिम दंगे न भी हों तो दिल्ली पुलिस बुखारी को आगे करके अवश्य हिन्‍दू-मुस्लिम दंगे करा देगी। 2001 के इस मामले में हिन्दू महासभा के नेता स्वामी सदाचारी ओम जी महाराज न्यायालय में इस शाही ईमाम के विरूद्ध इस अभियोजन पक्ष में याचिकाकर्ता हैं और स्वामी सदाचारी ओम जी महाराज वर्तमान में दिल्ली प्रदेश हिन्दू महासभा के उपाध्यक्ष पद पर कार्यरत हैं। ओम जी के अथक प्रयासों और प्रत्यक्ष प्रमाणों के आधार पर ही पिछले 11 वर्षों से शाही ईमाम के विरूद्ध निरंतर गिरफ्तारी वारंट जारी होते रहे हैं। उसके बाद ओम जी ने अपना कड़ा पक्ष रखते हुये ईमाम को भगोड़ा घोषित करवाया और न्यायालय की कल हुयी सुनवायी में दिल्ली पुलिस को कड़ी फटकार लगाते हुये शाही ईमाम के विरूद्ध पुन: गैर जमानती वारंट जारी करवायी। स्वामी ओम जी ने हिन्दू महासभा की ओर से यह अपील की है कि जो भी भारतीय नागरिक भारतीय संविधान व भारत की न्यायपालिका में विश्वास रखते हैं वो मेरा व हिन्दू महासभा का सहयोग व समर्थन करें जिससे सरकार को मजबूर किया जा सके कि वो संविधान प्रदत्त मर्यादाओं का पालन करते हुये न्यायालय के आदेशानुसार (समय-समय पर पाकिस्तान और आतंकवाद का समर्थन करने वाले) सैयद अहमद बुखारी को यथाशीघ्र अगले तारीख 3 अगस्त से पूर्व गिरफ्तार करके उसे न्यायालय में प्रस्तुत करे। सरकार न्यायालय द्वारा भगोड़ा घोषित अपराधी के साथ नरमी क्यों बरत रही है? यह भगोड़ा घोषित अपराधी खुलेआम उ0प्र0 के चुनाव में मुलायम सिंह का समर्थन करता रहा है, सरकार चुप रहती है। इस मसले पर अखिल भारत हिन्दू महासभा ने यह निश्चय किया है कि चाहे कुछ भी हो जाये इसे एक भगोड़े अपराधी के रूप में कोर्ट में प्रस्तुत करवाकर ही वह दम लेगी। जय हिन्दू राष्ट्र! जय श्री राम कृष्ण परशुराम ॐ
2012-07-18 19:38:01
I just watched Ron Jeremy give hardcore dancing lessons to some old people in a karate outfit...Yea
2012-07-18 19:38:00 2 votes
My two kids David is the brown belt, and Abigail has the blue belt (now purple)
Tameside Karate is a martial arts school offering self defence and fitness training for adults and children of all ages. Our little dragons group is speciall...
2012-07-18 19:38:00
All Indian Girls Should be taught lesson of karate, marshal art, Kung-fu, Lathi & Tae-kaun-do.
2012-07-18 19:37:51
अगर आप इस गयासुद्दीन गाज़ी के महा अय्याश वंशज की आज भी इज्ज़त करते हैं और इसे पंडित जीकहकर संबोधित करते हैं तो इस महा अय्याश द्वारा किये गए गर्म बिस्तरों की कसम "आप कांग्रेसी चूतीये है" ...!!!
2012-07-18 19:37:42
PLEASE SHARE IT WITH ALL SAI DEVOTEES, YOUR FRIENDS & FAMILY साई तेरे चरणों मे... अपने होंठो पर सजाना चाहता हूँ, आ साई तुझे मै गुन-गुनाना चाहता हूँ , कोई आंसू तेरे दामन पर गिराकर, बूंद को मोती बनाना चाहता हूँ, थक गया मै करते करते याद तुझको (साई), अब तुझे मै याद आना चाहता हूँ, छा रहा है सारी बस्ती मे अँधेरा, रोशनी के लिए घर जलाना चाहता हूँ, आखरी हिचकी तेरी (शिरडी) पे आए, मौत भी मै शायराना चाहता हूँ....., गुरु पूर्णिमा पर्व की आप सभी को हार्दिक शुभकामनाएँ..., "बाबा मालिक" "ॐ साईं राम"
2012-07-18 19:37:37
बन्दर नामा - हिमांशु कुमार (इस रचना के सभी पात्र वास्तविक हैं ) एक जंगल था ! उसमे अनेकों वृक्ष थे उनमे से एक वृक्ष काफी पुराना था ! इस वृक्ष की ऊंची और फलदार शाखाओं पर कई ऊँची जाति के बंदरों का कब्ज़ा था ! और ये बन्दर अपने इस कब्ज़े को जायज़ बताने के लिए धर्म परम्परा और इतिहास का हवाला देते थे ! दूसरी कुछ ऊंची फलदार शाखों पर कुछ दुसरे बंदरों का कब्ज़ा था ! और उनका दावा था की क्योंकि उन्होंने किसी ख़ास भाषा की कुछ किताबे पढ ली है इसलिये उन्हे फलदार शाखो पर कब्जे का संविधानिक अधिकार है ! इस तरह थोडे से बंदरो ने इस पेड की सारी उंची और फलदार शाखो पर कब्जा कर लिया था और बाकी के सारे बंदर पेड के नीचे ही बैठे रहते थे ! नीचे के बंदर कई पीढ़ियों से नीचे भूखे बैठे बैठे कमज़ोर और बेआवाज़ हो गए थे ! नीचे के बंदरों का काम था पेड़ की जड़ों में पानी डालना और सफाई करना ! ऊपर के बन्दर ताज़े फल खा जाते थे और खूब मोटे हो गए थे ! ऊपर के बन्दर स्वयं को सभ्य और नीचे के बंदरों को नीच ज़ात और कम बुद्धि मानते थे ! पेड़ के ऊपर रहने वाले बन्दर नीचे ज़मीन वाले बंदरों को धार्मिक उपदेश भी देते थे ! वे उन्हें बताते थे कि तुम इसलिए नीचे हो क्योंकि पिछले जन्म में तुमने पाप किये थे ! और अगर इस जन्म में तुम इस पेड़ के ऊपर रहने वालों की और इस पेड़ की सेवा करोगे तो अगले जनम में तुम्हे भी फलदार डाल पर बैठने और और भरपेट फल खाने का मौका मिलेगा ! ऊपर के बंदरों ने नीचे के बंदरों को पेड़ के ऊपर चढ़ने से रोकने के लिए ज़मीन के ही कुछ बंदरों को लालच दिया की अगर वे नीचे के बंदरों को पेड़ पर चढ़ने से रोकेंगे तो उन्हें भी कुछ फल खाने के लिए दिए जायेंगे और तुम्हे सेना और पुलिस के सम्मानजनक नाम से पुकारा जायेगा ! भूखे बंदरों में से कुछ बंदरों ने फटाफट प्रस्ताव को स्वीकार कर लिया और वे मोटे मोटे डंडे लेकर पेड़ की जड़ों के चारों तरफ पहरा देने लगे ! गाँधी नामक एक बन्दर ऊपर से नीचे उतर कर आया और उसने कहा कि अगर हम संगठित होकर इस पेड़ की जड़ में पानी डालने से असहयोग कर दे तो ये मोटे बन्दर भी ऊपर के फल हमसे बांटने को मजबूर हो जायेंगे ! इसके अलावा हम नीचे ही मिल कर इतने फल पैदा करने लगे की हमें ऊपर के फलों की ज़रुरत ही ना रहे! और ऊपर के बन्दर अपने को नीचे के बंदरो का ट्रस्टी समझें ! पर किसी ऊपरी बन्दर ने खुद को नीचे के बन्दर का ट्रस्टी नहीं समझा और इसी बीच एक बड़ी जात के बन्दर गाँधी बन्दर को मार दिया ! एक दूसरा बन्दर जिसका नाम नेहरु था उसने कहा कि ऐसा करते हैं हम ऊपर के बन्दर नीचे के बंदरों का भी ख्याल रखेंगे ! हम कुछ फल ऊपर से नीचे गिरा देंगे और इसे हम ट्रिकल डाउन विकास कहेंगे ! परन्तु किसी भी बन्दर ने अपने फल नीचे नहीं गिराए! एक बार एक बन्दर के दिमाग में आया कि सभी बंदरों को तो प्रकृति ने सामान पैदा किया है फिर हम सबको पेड़ के फल बराबर क्यों नहीं मिलते ? उसने कमज़ोर बंदरों को जमा किया और कहा कि तुम लोग मिलकर इस पेड़ की जड़ खोद दो ! हम इस पेड़ को गिरा देंगे ! इसके बाद हम एक नया पेड़ लगायेंगे ! उस नए पेड़ पर कमजोरों का राज होगा और उसमे सब को बराबर फल खाने को मिलेंगे ! उनकी ये बातें सुनकर ऊपर की डालियों पर बैठे बंदरों में खलबली मच गयी और वो चिल्लाने लगे की ये नीचे के बन्दर कमुनिस्ट हो गए हैं , देखो ये नक्सलवादी बन गए हैं ये पेड़ विरोधी हैं, ये फलों के विकास में बाधक हैं ! इधर नीचे के बंदरों में असंतोष बढ़ता जा रहा था ! नीचे के बंदरों ने पेड़ की जड़ के चारों ओर पहरा देने वाले सिपाही बंदरों को मारना शुरू कर दिया ! इसी बीच ऊपर के कुछ बन्दर सामान बंदराधिकार की बातें करने लगे ! ऊपर के सारे मोटे बन्दर इस सामान बंदराधिकार की बातों से घबरा गए और उन्होंने इन बन्दाराधिकर्वादियों को नीचे के नक्सली बंदरो का एजेंट घोषित कर दिया और उन्हें पेड़ से नीचे गिरा दिया! कुछ बंदरों ने अपने एन जी ओ बना लिए और उन्होंने ऊपर के बंदरों को समझाया की अगर आप नीचे के बंदरो के लिए हमें कुछ फल अनुदान के रूप में दे दें तो हम इन फलों को नीचे के बंदरों में बाँट देते हैं ! इससे नीचे के बंदरों में आपके प्रति क्रोध कम होगा और वो जो बन्दर मिल कर पेड़ की जड़ खोद रहे है उन्हें हम उधर से हटा देते हैं और पेड़ के प्रति पेड़ भक्ति पैदा कर देंगे ! ऊपर के कुछ बन्दर सबको खबरे देने का काम करने लगे और वो खुद को मीडिया कहते थे पर अक्सर वे पेड़ के ऊपर रहने वाले बंदरों के मतलब की ही ख़बरें देते थे ! नीचे के बंदरों की या तो ये मीडिया बन्दर अवहेलना करते थे या उनके विरुद्ध खबरें फैलाते थे ! ऊपर के बंदरों ने जब देखा कि नीचे के बहुत से बन्दर ऊपर के खिलाफ हो गए हैं तो उन्होंने नीचे के बंदरों को शांत करने के लिए विशेष आर्थिक पॅकेज की घोषणा की ! परन्तु वो आर्थिक पॅकेज फल नीचे लेकर जाने का काम पेड़ की जड़ की रक्षा करने का काम करने वाले पुलिस बंदरों को ही दे दिया ! ये पुलिस बन्दर तो पहले से ही नीचे के बंदरों से चिढ़े बैठे थे इसलिए उन्होंने गरीब बंदरों को शांत करने के लिए भेजे गए सारे फल खुद ही मिल कर खा लिए ! इसी बीच एक बन्दर कहने लगा की हम पेड़ के ऊपर रहने वाले बन्दर पेड़ के सारे फलों को इमानदारी से बाँट कर खायेंगे और हम पेड़ के ऊपर रहने वाले बन्दर फलों के बंटवारे में कोई भ्रष्टाचार ना करें इसके लिए हम एक लोकपाल बनायेंगे ! इस पर नीचे से कुछ बन्दर चिल्लाने लगे कि ये बन्दर नीचे के बंदरों के बारे में तो कोई बात ही नहीं कर रहा है इसलिए ये तो बस ऊपर के बंदरों का आन्दोलन है ! अब ऊपर के बंदरों को समझ ही नहीं आ रहा था की वे अपने पेड़ के ऊपर बने रहने और सारे फल खाने के विशेषधिकार को कैसे बनाये रखें ! उधर जंगल के मिस्र नामक पेड़ व उस जैसे कुछ अन्य पेड़ों से खबरे आने लगी की वहां नीचे के बंदरों ने पूरे पेड़ पर कब्ज़ा कर लिया है ,,,,,,,,,क्रमश ......
dantewadavani.blogspot.com
बहुत पहले आपका भाषण सुना था ....तहलका सेमिनार में शायद .............ये वही बन्दर हैं.......आपने पूरी कथा कह दी .धन्यवाद ,लिखते रहिये
2012-07-18 19:37:22 6 votes
এবার যারা H.S.C পরীক্ষায় পাশ করেছে তাদের জন্য শুভেচ্ছা, তোমাদের জন্য এতটুকুই আমার পক্ষ থেকে। কারণ তোমরা বিজয়ী... আর যারা প্রত্যাশা পূরণ করতে পার নি কিংবা একেবারেই পরাজিত হয়েছ তাদের জন্য বলব, ব্যর্থতায় সফলতার সিঁড়ি। একবার ব্যর্থ হয়েছ বলে থেমে গেলে চলবে না, বরং এ থেকে শিক্ষা নাও, ব্যর্থতার কারণ খোঁজ, সেই সাথে সমাধানের পথ, সামনে তোমাদের জন্য অপেক্ষা করছে অনন্ত সম্ভাবনা। তোমাদের বিজয়ী হতে হবে এটাই শেষ কথা।
2012-07-18 19:37:12 1 votes
Taylor In My Walk...Karate In My Talk. 2 Fly 2 Land
2012-07-18 19:36:54
<3 প্রেম তরীর কূল <3 ঘড়ির কাঁটা এক দিনে দু'বার বারোর ঘরকে ছুঁয়ে যায়। অলোকের ঘরের ঘড়িটা বারোকে ছোঁয় মাত্র একবার। রোজ রাতে শোবার আগে ঘড়ির ব্যাটারী খুলে রেখে ঘুমানো অলোকের অভ্যাস। রাত সাড়ে এগারোটায় ঘুমায় বলে রাতে অন্তত ঘড়িতে বারোটা বাজে না ওর। আজও শোবার পর আবার ঘুম ভেঙ্গে গেলো অলোকের। ফোন সাইলেন্ট করতে ভুলে গেছে। বালিশের নীচে থেকে মোবাইল বের করে দেখে অতসী কল করেছে। অতসী অলোকের এক্স গার্লফ্রেন্ড। অবশ্যইতিমধ্যে চারবার এক্স হয়ে আবার গার্লফ্রেন্ড উপাধী পেয়েছিলো। শেষবার ওদের ব্রেক আপ হয়েছে দু'মাস আগে। আর সব মিলিয়ে সম্পর্ক তিন বছরের। প্রথম বার যখন অতসী অলোককে ছেড়ে গেলো তখন ওদের প্রেমের বয়স সবেমাত্র তিন মাস হয়েছে। সেবার একমাস যোগাযোগ বন্ধ ছিলো। তারপরএকদিন অলোকের এক বন্ধুকে দিয়ে অতসী ওকে ডেকে পাঠালো। মাফ চেয়ে মন গলালো অলোকের। তারপর প্রেমের নতুন অধ্যায়। প্রথমবার ব্রেক আপ হবার পরে অলোক লুকিয়ে কাঁদতো। দ্বিতীয়বার শুধু মন খারাপ করে থাকতো। তৃতীয়বার মনের অবস্থা একটু কম খারাপ ছিলো। চতুর্থবারবেশ ভালোভাবে পার করে দিলো সময়টা। আর এবার তো কিছুই মনে হয়নি। এমনকি অতসীর কথা মনেই পড়েছে বার কয়েক। বরং রাগ জমেছে অতসীর ওপর। 'হ্যালো অলোক? স্যরি তোমার ঘুম ভাঙ্গালাম।' 'না ঠিক আছে। বলো কি বলবে।' ঘুম জড়ানো কন্ঠে বললো অলোক। 'অলোক আমি তোমাকে ছাড়া থাকতে পারবোনা। আমাকে মাফ করে দাও প্লিজ?' অতসীর কথায় কান্নার ছাপ। সত্যি কি অতসী কাঁদছে? নাকি মেকি কান্না? অলোক ভাবে সময় নিয়ে। আগে অতসী কাঁদলে ওর ভেতরটা ছটফট করতো। এখন কেনও জেনো কিছু মনেই হয়না। বরং সবকিছু ঢং লাগে। 'দেখো অতসী কাঁদবেনা। মাফ করা বা না করার কিছু নেই। তোমার কাছে ভালোবাসা-প্রেম হয়তো মৌসুমী ফলের মতো। এক মৌসুমে ঝড়ে যায় তো, পরের মৌসুমে আবার ধরে। এভাবে তো ভালোবাসা হয়না। তুমি বরং তোমার মতোই থাকো। যেমনটা থাকতে চেয়ে বাই বলেছিলে!' 'অলোক দেখো তুমি তো আমাকে চেনোই! আমার রাগ বেশী। প্লিজ এমন করে না সোনা! মাফ করে দাও। এবারই শেষ, আর কখনো এমন করে চলে যাবোনা।' 'সত্যি যাবেনা?' অতসী একটু থেমে বললো, 'হ্যাঁ, যাবোনা।' অলোক ভেবে পায় না কি করবে। ও তো ভেবে রেখেছিলো যে আর কখনো অতসীকে নিজের জীবনে জড়াবেনা। কিন্তু মন দুই দিকেই টানছে ওকে। অতসী যে শুধু ওকে ভালোবাসে সেই বিশ্বাস উবে গেছে ওর। অতসীর সাথে ব্রেক আপ হবার পর সে কারো না কারো সাথে ঘুরেছে। অলোক কখনো দেখেনি বটে তবে বন্ধুদের মুখে শুনেছে। আগে খুব খারাপ লাগতো, এ বা গায়ে লাগায়নি। আজ এর কাল ওরএমন কিছুই হয়ে গেছে অতসী এখন। এক সময় এমন ছিলো না। কি কারনে যে ও অমন হলো উত্তর খুঁজে পায়না অলোক। হয়তো এখনো অলকই ওকে বেশী টানে বলে বারবার অলোকের কাছে ফিরে আসে। অথবা হয়তো অলোকের ভালোবাসার দুর্বলতার সুযোগ নেয়। অলোক এখন জানে যে অতসী যতবারই বলুক ওকে ছেড়েযাবেনা, সে যাবেই। রাতের ঘুম অলোককে কাছে টানে। যে ভালোবাসা আজ আছে কাল নেই। ঝরে যাবার জন্য যে ফুল ধরে তাকে তার ডালেই মানায়। অথবা যোগ্য প্রেমিকের হাতে তার মূল্য অসীম। কিন্তু একবার ঝরে গেলে তা মূল্যহীন। অতসী যা ছিলো তা আর নেই। ঝরে গিয়ে অযোগ্যের হাতে পরে নিজের উজাড় করেছে সে। আর যোগ্যতা হারিয়ে আবার হাত বাড়িয়েছে গাছের ডালে। বাস্তবের ফুল নিজের ডালে ফিরে যেতে না পারলেও নিজের পৃথিবীর ফুলকে অলোক বারবার জায়গা দিয়েছে নিজের গায়ে। পচে যাওয়া জায়গা তার আশে পাশেও পচন ছড়ায়। অতসী এই সমাজের পচে যাওয়া একটি মেয়ে। অলোকের কাছে নিজের অধঃপতনের কথাকখনো স্বীকার করেনি সে। কারণ তো বলেইনি। কিন্তু অলোক জেনেছে আজ সে আর চায়না অতসীকে পাশে নিয়ে নিজেও নষ্ট হতে। ঘড়ির কাঁটা থমকে আছে অলোকের ঘরে, অতসীর ঘরে চলমান। রাত তিনটায় অদ্ভূত শব্দে একটা ঘন্টা বাজে অতসীদের বাসার ডাইনিং রুকের ঘড়িতে। কোনো কারণে এই ত্রুটি সারানো সম্ভব হয়নি। তবে মধ্যরাতে বাজলেও শেই শব্দ সয়ে গেছে সবার। কিন্তু আজ যখন তিনটে বাজলো সেই ঘড়িতে অতসী চমকে উঠলো। অদ্ভূত সেই শব্দের জন্য নয়। অলোক তখন কল কেটে দিয়েছে। রাতের অন্ধকার তখন অতসীর কানে ফিসফিসিয়ে বলছে, 'তুমি পচে গেছো অতসী। জীবন নামের ফলটা তোমার পচে গেছে। মহাকালের বৃক্ষ থেকে ঝরে পরা তাই কেবল সময়ের অপেক্ষা তোমার জন্য।' সাইড টেবিলের লাইট জ্বালায় অতসী। অন্ধকারের ফিসফিসানি বন্ধ হয় তাতে। কিন্তু আলোও যে মুক্তি দেয়না অতসী। সেই রাতেই মাঝ রাতের একদম শেষ প্রান্তে আলো-আঁধার আর নিজের সব ভুলগুলোকে মুক্তি দিলো অতসী। ভালোবাসার শেষ ঠাঁই ওকে ঠেলে দিলো সেই পথে। ভালোবাসা কি অধিকার দেয় ভুল করেও বারবার জায়গা ফিরে পাওয়ার? না কি ভালোবাসা প্রমাণ হয় সব মাফ করে বারবার বুকে ফিরিয়ে নেয়ায়? লিখেছেন- Nishat Arefeen পোষ্টটি ভাল লাগলে শেয়ার এবং ট্যাগ করুন আপনাদের বন্ধুদের কে ভাল থাকুন আর ভাল রাখুন আপনার ভালো লাগার মানুষটি কে
2012-07-18 19:36:52
‘হ্যাঁলো, কে জুঁই? হ্যাঁ। জুই, তুমি “এ” গ্রেড পেয়েছো। কী? সত্যি! ও মা, মা... আমি “এ” গ্রেড পাইছি। হোর রে রে। ভাইয়া আপনাকে যে কী বলব, বুঝাতে পারছি না। আপনি আমাদের বাসায় আসেন। পরে কথা বলব।’ বলেই মুঠোফোনটি রেখে দিলেন স্বামীর অমতে লেখাপড়া করার অপরাধে আঙুল কেটে নেওয়ার শিকার হাওয়া আক্তার ওরফে জুঁই। আজ বুধবার দুপুরে এই প্রতিবেদক মুঠোফোনে জুঁইয়ের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল জানাতেই এমন সব কথা অপর পাশ থেকে ভেসে এল। নরসিংদী সরকারি কলেজ থেকে মানবিক বিভাগ থেকে এবারের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশ নেন জুঁই। কিন্তু আঙুলবিহীন হাতে লেখার গতি কম হওয়ায় সাহায্যকারী শ্রুতি লেখক খালাতো বোন সানিয়া সুলতানা পরীক্ষা দিয়েছে। স্বামীর অমতে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার অপরাধে হাতের আঙুল কেটে দিয়েছিলেন তাঁর স্বামী। কিন্তু এতে দমে যাননি জুঁই, সব বাধা বিপত্তি পেরিয়ে উচ্চমাধ্যমিকে ‘এ’ গ্রেড (জিপিএ-৪.৩০) পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন। হাওয়া আক্তার ওরফে জুঁই প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, ‘রেজাল্ট নিয়ে অনেক ভীতি ছিল। কারণ, আমি নিজে লিখে পরীক্ষা দিতে পারি নাই। তবে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি যে তিনি আমাকে ভালোভাবে পরীক্ষায় পাস করিয়েছেন। তবে মনে হচ্ছে, আমি নিজের হাতে লিখতে পারলে হয়তো জিপিএ-৫ পাইতাম। আমি সারা জীবনের জন্য কৃতজ্ঞ থাকব আমার খালাতো বোন সানিয়ার কাছে। কারণ, তার সহযোগিতায় আমি পরীক্ষা দিতে পেরেছি।’ জুঁই আরও বলেন, ‘আমার আঙুল কেটে ফেলার পর মনে হয়েছিল যে আমি পরীক্ষাই দিতে পারব না। পরে কলেজের স্যার ও মা-বাবার উত্সাহে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে “এ” গ্রেড নিয়ে পাস করেছি। তবে এখন আমি একটা কথা বলতে পারি, কোনো কাজের আগে ইচ্ছাশক্তিটা হচ্ছে সবচেয়ে বড় জিনিস। এর বড় প্রমাণ আমি নিজে। আমার দৃঢ় আত্মবিশ্বাসের কারণে আজকে আমি আমার স্বপ্ন পূরণ করতে সক্ষম হয়েছি। ইচ্ছাশক্তি ও দৃঢ় আত্মবিশ্বাস থাকলে আমার মতোন জুঁইদের জয় হবেই হবে। পরীক্ষার পর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য কোচিং করছি। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।’ সানিয়া সুলতানা বলে, ‘জুঁই আপুর পরীক্ষা আমার হাত দিয়ে লিখেছি। আপুর যুদ্ধের সহযোদ্ধা আমি নিজেও।’ নরসিংদী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, ‘হাওয়ার পরীক্ষা দেওয়া, ভালো রেজাল্ট করা, সব কিছুই ছিল স্বপ্নের মতো। কারণ হাওয়া যে পরিস্থিতিতে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে তা প্রশংসনীয়।’ ২০০৮ সালের ৩০ জানুয়ারি নরসিংদী সদর উপজেলার ভেলানগর এলাকার হাওয়ার সঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার নুরজাহানপুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের বিয়ে হয়। ওই বছরের শেষ দিকে রফিক হাওয়াকে তাঁর বাবার বাড়িতে রেখে দুবাই চলে যান। লেখাপড়ার প্রতি হাওয়ার প্রবল আগ্রহ থাকলেও রফিক চাননি তাঁর স্ত্রী পড়াশোনা করুক। রফিক দুবাই চলে যাওয়ার পর তাঁকে না জানিয়েই পড়াশোনা চালিয়ে যান জুই। লেখাপড়ার প্রতি মেয়ের প্রবল আগ্রহ দেখে বাবা ইউসুফ মিয়া স্বামীকে না জানিয়েই নরসিংদী সরকারি কলেজে একাদশ শ্রেণীর মানবিক বিভাগে জুঁইকে ভর্তি করিয়ে দেন। কলেজে ভর্তির খবর শুনেই ক্ষিপ্ত হন রফিক। গত বছরের ৪ ডিসেম্বর রফিক দেশে ফেরেন। তাঁর অমতে লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়ায় ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট এলাকার জিয়া কলোনিতে বোনের বাসায় চাপাতি দিয়ে জুঁইয়ের আঙুল কেটে নেন রফিক। পরে পুলিশ রফিককে গ্রেপ্তার করেছে। এই ঘটনায় জুঁইয়ের বাবা ইউনুছ মিয়া বাদী হয়ে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি বর্তমানে ঢাকা জেলা ও দায়রা জজের আদালতে বিচারাধীন। রফিক ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।
2012-07-18 19:36:05
আজ বুধবার দুপুরে এই প্রতিবেদক মুঠোফোনে জুঁইয়ের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল জানাতেই এমন সব কথা অপর পাশ থেকে ভেসে এল। নরসিংদী সরকারি কলেজ থেকে মানবিক বিভাগ থেকে এবারের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশ নেন জুঁই। কিন্তু আঙুলবিহীন হাতে লেখার গতি কম হওয়ায় সাহায্যকারী শ্রুতি লেখক খালাতো বোন সানিয়া সুলতানা পরীক্ষা দিয়েছে। স্বামীর অমতে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার অপরাধে হাতের আঙুল কেটে দিয়েছিলেন তাঁর স্বামী। কিন্তু এতে দমে যাননি জুঁই, সব বাধা বিপত্তি পেরিয়ে উচ্চমাধ্যমিকে ‘এ’ গ্রেড (জিপিএ-৪.৩০) পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন। হাওয়া আক্তার ওরফে জুঁই প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, ‘রেজাল্ট নিয়ে অনেক ভীতি ছিল। কারণ, আমি নিজে লিখে পরীক্ষা দিতে পারি নাই। তবে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি যে তিনি আমাকে ভালোভাবে পরীক্ষায় পাস করিয়েছেন। তবে মনে হচ্ছে, আমি নিজের হাতে লিখতে পারলে হয়তো জিপিএ-৫ পাইতাম। আমি সারা জীবনের জন্য কৃতজ্ঞ থাকব আমার খালাতো বোন সানিয়ার কাছে। কারণ, তার সহযোগিতায় আমি পরীক্ষা দিতে পেরেছি।’ জুঁই আরও বলেন, ‘আমার আঙুল কেটে ফেলার পর মনে হয়েছিল যে আমি পরীক্ষাই দিতে পারব না। পরে কলেজের স্যার ও মা-বাবার উত্সাহে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে “এ” গ্রেড নিয়ে পাস করেছি। তবে এখন আমি একটা কথা বলতে পারি, কোনো কাজের আগে ইচ্ছাশক্তিটা হচ্ছে সবচেয়ে বড় জিনিস। এর বড় প্রমাণ আমি নিজে। আমার দৃঢ় আত্মবিশ্বাসের কারণে আজকে আমি আমার স্বপ্ন পূরণ করতে সক্ষম হয়েছি। ইচ্ছাশক্তি ও দৃঢ় আত্মবিশ্বাস থাকলে আমার মতোন জুঁইদের জয় হবেই হবে। পরীক্ষার পর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য কোচিং করছি। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।’ সানিয়া সুলতানা বলে, ‘জুঁই আপুর পরীক্ষা আমার হাত দিয়ে লিখেছি। আপুর যুদ্ধের সহযোদ্ধা আমি নিজেও।’ নরসিংদী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, ‘হাওয়ার পরীক্ষা দেওয়া, ভালো রেজাল্ট করা, সব কিছুই ছিল স্বপ্নের মতো। কারণ হাওয়া যে পরিস্থিতিতে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে তা প্রশংসনীয়।’ ২০০৮ সালের ৩০ জানুয়ারি নরসিংদী সদর উপজেলার ভেলানগর এলাকার হাওয়ার সঙ্গে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার নুরজাহানপুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের বিয়ে হয়। ওই বছরের শেষ দিকে রফিক হাওয়াকে তাঁর বাবার বাড়িতে রেখে দুবাই চলে যান। লেখাপড়ার প্রতি হাওয়ার প্রবল আগ্রহ থাকলেও রফিক চাননি তাঁর স্ত্রী পড়াশোনা করুক। রফিক দুবাই চলে যাওয়ার পর তাঁকে না জানিয়েই পড়াশোনা চালিয়ে যান জুই। লেখাপড়ার প্রতি মেয়ের প্রবল আগ্রহ দেখে বাবা ইউসুফ মিয়া স্বামীকে না জানিয়েই নরসিংদী সরকারি কলেজে একাদশ শ্রেণীর মানবিক বিভাগে জুঁইকে ভর্তি করিয়ে দেন। কলেজে ভর্তির খবর শুনেই ক্ষিপ্ত হন রফিক। গত বছরের ৪ ডিসেম্বর রফিক দেশে ফেরেন। তাঁর অমতে লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়ায় ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট এলাকার জিয়া কলোনিতে বোনের বাসায় চাপাতি দিয়ে জুঁইয়ের আঙুল কেটে নেন রফিক। পরে পুলিশ রফিককে গ্রেপ্তার করেছে। এই ঘটনায় জুঁইয়ের বাবা ইউনুছ মিয়া বাদী হয়ে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি বর্তমানে ঢাকা জেলা ও দায়রা জজের আদালতে বিচারাধীন। রফিক ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন। - এখনও বিশ্বাস করতে কষ্ট হয় যে এমটা হয় আমাদের সমাজে! :( - সূত্রঃ প্রথম আলো ধন্যবাদ, @[242444979181863:274:সাকসেস স্টোরীস (Success Stories)] www.facebook.com/BanglaSuccessStories
চরম প্রতিযোগিতাময় আধুনিক এ সমাজব্যাবস্থায় সবকিছুর মাপকাঠি হল সফলতা। সাফল্য বা সাকসেস নামক এই সোনার হরিণ সবার কাম্য হলেও সবার হাতে তা ধরা দেয় না। জীবনে সফল হতে হলে চাই পরিশ্রম, অধ্যবসায় ও একই সাথে চাই উৎসাহ-অনুপ্রেরণা। সাকসেস স্টোরীস আপনার জন্য নিয়ে এল একগুচ্ছ গল্প - সাফল্যের গল্প, সফল ব্যাক্তিদের জীবনী, তাদের অমূল্য বাণী - এ যেন জীবন চলার পথে অনুপ্রেরণার উৎস। In this modern, competitive, dog-eat-dog world of ours, being sucessful is all that counts and being so is more difficult than ever. Such intense competition and the overwhelming expectation from your family, your peers and your overall surroundings can easily get you down. Success Stories wants to be your ultimate source for all kinds of motivation and inspiration on your pursuit of sucess. We want to share stories of sucessful people - stories that make sense, stories that can change lives and above all, stories that inspire you. - পড়ে অনুপ্রাণিত হলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করার অনুরোধ রইল। বিশেষ কোন সফল ব্যক্তির সম্পর্কে কৌতূহল থাকলে আমাদের তা জানান। - আপনার সার্বিক সাফল্য কামনায় সাকসেস স্টোরীস (Succes Stories) www.facebook.com/BanglaSuccessStories
2012-07-18 19:35:33
Post your comment:

Name:

E-mail:

Comment:


Link:


Type verification image:
verification image, type it in the box

I agree to the Terms of Service

Popular Images Today

2013-02-25 20:47:22 10
Author: Guillaume Beaufils Stifler
2013-02-25 20:47:22 10
Author: Guillaume Beaufils Stifler
2013-02-25 20:47:22 10
Author: Guillaume Beaufils Stifler

Archive Karate

July 2012
      1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031     

Archive by Years


» 2012
» 2013